প্রিন্ট এর তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
চাঁদপুর সদর থানা পুলিশের অভিযানে আত্মগোপনে থাকা একই পরিবারের ৪ সদস্য উদ্ধার
রোটারীয়ান আলম চৌধুরী, ✅ গণমাধ্যম কর্মী ||
চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশের তৎপর অভিযানে আত্মগোপনে থাকা একই পরিবারের চার সদস্যকে উদ্ধার করা হয়েছে। (২৮ আগস্ট) ভোরে চট্টগ্রামের পটিয়া থানাধীন দলঘাট দাশপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করে পুলিশ।চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমানের দিকনির্দেশনায় এবং চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফয়েজ আহম্মেদের তত্ত্বাবধানে থানার একটি চৌকস পুলিশ দল এ অভিযান পরিচালনা করে। এসআই (নিরস্ত্র) আবুল কালাম গাজীর নেতৃত্বে দীর্ঘ অনুসন্ধান ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।পরে ২৮ আগস্ট ২০২৬ ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে চট্টগ্রামের পটিয়া থানাধীন দলঘাট দাশপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আত্মগোপনে থাকা একই পরিবারের চার সদস্যকে উদ্ধার করা হয়।পুলিশ জানায়, চাঁদপুর সদর মডেল থানায় পিন্টু দাস, তার স্ত্রী রিমি দে এবং তাদের দুই সন্তান নিখোঁজ থাকার বিষয়ে পরিবারের স্বজনরা একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেন। জিডি দায়েরের পর বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করে।পরবর্তীতে নিবিড় অনুসন্ধান চালিয়ে তাদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে পুলিশ চট্টগ্রামের পটিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চারজনকেই উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।উদ্ধারকৃতরা হলেন—পিন্টু দাস (৪০), পিতা সুনিল কুমার দাস ও মাতা কাঞ্চন বালা; তার স্ত্রী রিমি দে (৩৬), পিতা রবী চন্দ্র দে ও মাতা ঝর্না দে; এবং তাদের দুই সন্তান পিয়ম দাস ও রুপন দাস (১০)।তাদের সবার স্থায়ী ঠিকানা চাঁদপুর জেলার চাঁদপুর সদর থানাধীন বকুলতলা, চৌদ্দ কোঃ, ডাকঘর চাঁদপুর।একই পরিবারের চার সদস্য নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিলেও চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশের দ্রুত ও কার্যকর অনুসন্ধানে তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের তৎপরতা ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেছেন সংশ্লিষ্টরা।উদ্ধারকৃতদের চাঁদপুরে নিয়ে আসার পর আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব