প্রিন্ট এর তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
বন্দুক হাতে ভিডিও ধারণকারী দুই তরুণ এর বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ কর্তৃক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ।
হারুন রশীদ , দৈনিক সর্বোচ্চ ২–৩টি মানসম্মত সংবাদ প্রকাশ করুন; গত কয়েক দিনে ৫৬টি সংবাদ প্রকাশ করা অস্বাভাবিক—দয়া করে লিমিট মেনে একজন দায়িত্বশীল গণমাধ্যমকর্মীর মতো কাজ করুন। অটোমেটিক আবার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চালু হবে ৷ ||
বন্দুক হাতে দুই তরুণের ঘুরে বেড়ানো সংক্রান্ত একটি সংবাদ গত ২৮-০৮-২০২৬ তারিখে সামাজিক যোগাযেগে মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওটি নারায়ণগঞ্জের সিটি পার্কের বিভিন্ন এলাকায় ধারণ করা হয়েছিল। নারায়ণগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী মহোদয়ের নির্দেশনায় আইসিটি শাখার একটি টিম ভিডিও কে তৈরি করেছে ও প্রচার করেছে এবং কে কে ছিল তা শনাক্ত করে। ভিডিও বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে, ভিডিওর নির্মাতা মোঃ লিমন তোহা (২২), পিতা- মোঃ শামীম আহম্মেদ, মাতা- লাইজু আক্তার, সাং- বন্দর বাজার, কে কে টাওয়ারের পাশে, মসুরের বাড়ির ভাড়াটিয়া, থানা- বন্দর, জেলা- নারায়ণগঞ্জ এবং বন্দুক হাতে থাকা অপর তরুণের নাম মোঃ ইয়াছিন মোল্লা (২৩), পিতা- মোঃ স্বপন মোল্লা, মাতা- সাথী মল্লিক, সাং- বন্দর ফায়ার সার্ভিসের গলি, থানা- বন্দর, জেলা- নারায়ণগঞ্জ। নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ সাজেদুর রহমান এর নেতৃত্বে একটি অভিযানিক দল ২৮/০৮/২৬ খ্রি. রাত ২২.৩৫ ঘটিকায় ২ নং রেল গেইট এলাকা থেকে তাদের ২ জনকে আটক করে। ধৃত আসামিরা শটগান সাদৃশ্য প্লাস্টিক শটগান এবং এসএমজি সাদৃশ্য প্লাস্টিক এসএমজি নিয়ে মহড়া দিয়ে জনমনে আতঙ্কের সৃষ্টি করায় আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ৪ ধারায় নিয়মিত মামলা রুজু করে তাদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বিনোদনের নামে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি, পথচারী ও শিশুদের ভয় দেখানো এবং সেই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। খেলনা অস্ত্র হলেও এর মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করা গুরুতর অপরাধ। একারণেই তাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব