প্রিন্ট এর তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
টঙ্গী রেলস্টেশন রোডে যুবককে মারধরের অভিযোগ—পুলিশের বিরুদ্ধে কঠোর তদন্ত ও দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা দাবি
মোঃ সাইদুল ইসলাম , সংবাদদাতা ||
টঙ্গী রেলস্টেশন রোডে যুবককে মারধরের অভিযোগ—পুলিশের বিরুদ্ধে কঠোর তদন্ত ও দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা দাবিটঙ্গী, গাজীপুর টঙ্গী গাজীপুর ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর| ৩০ আগস্ট ২০২৬টঙ্গী রেলস্টেশন রোডসংলগ্ন পলাশের ওষুধের দোকান ও দোকানের সামনের এলাকায় শাকিব নামে এক যুবককে কয়েকজন পুলিশ সদস্য সিভিল পোশাকে আটক করে মারধর করেছেন—এমন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, শাকিবকে জোরপূর্বক আটকের পর তার ওপর শারীরিক নির্যাতন করা হয়। এতে তার পেটের অংশে গুরুতর জখম হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। প্রকাশিত ছবিতে পেটের ক্ষতস্থান চিকিৎসার জন্য ব্যান্ডেজ করা অবস্থায় দেখা যায়।এর পাশাপাশি শাকিবের কাছ থেকে প্রায় ২০ হাজার টাকা জোরপূর্বক নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।⚖️ “অভিযোগ সত্য হলে ছাড় নয়”—দ্রুত তদন্তের দাবিঘটনাটি সত্য হলে এটি শুধু একজন নাগরিকের ওপর কথিত নির্যাতনের অভিযোগ নয়; কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যের ক্ষমতার অপব্যবহার ও অর্থ আদায়ের অভিযোগ হিসেবেও বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর।বাংলাদেশ পুলিশের নিজস্ব নির্দেশনায় পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহার, নির্যাতন ও জোরপূর্বক অর্থ/ঘুষ আদায়ের মতো গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে তদন্ত ও প্রতিবেদন করার ব্যবস্থা রয়েছে। �Bangladesh Policeতাই অভিযোগকারী পক্ষের দাবি—১. অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে।২. পলাশের ওষুধের দোকান ও আশপাশের CCTV ফুটেজ জব্দ/সংরক্ষণ করতে হবে।৩. শাকিবের মেডিকেল রিপোর্ট ও চিকিৎসার নথি যাচাই করতে হবে।৪. ঘটনাস্থলে উপস্থিত তিন পুলিশ সদস্যের পরিচয় ও দায়িত্বের সময় যাচাই করতে হবে।৫. প্রায় ২০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগের স্বাধীন তদন্ত করতে হবে।৬. অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ও বিভাগীয়—উভয় ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।বাংলাদেশ পুলিশের সরকারি ব্যবস্থাতেও অভিযোগ দাখিলের অনলাইন ব্যবস্থা রয়েছে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু ও তদন্তের প্রক্রিয়া উল্লেখ করা
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব