প্রিন্ট এর তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্বপ্নের জয়: টঙ্গীবাড়ীর মিম এখন চিকিৎসক, পরিবার ও এলাকাবাসীর আনন্দ
আমজাদ হোসেন, সংবাদদাতা ||
স্বপ্নের জয়: টঙ্গীবাড়ীর মিম এখন চিকিৎসক, পরিবার ও এলাকাবাসীর আনন্দআমজাদ হোসেন মিঠু,টঙ্গীবাড়ী প্রতিনিধি:ছোটবেলার স্বপ্ন ছিল চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করা। অদম্য ইচ্ছাশক্তি, মেধা ও কঠোর অধ্যবসায়কে পুঁজি করে অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণ করেছেন মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার যশলং ইউনিয়নের পুরা গ্রামের মেয়ে ইশরাত জাহান মিম। সাদা অ্যাপ্রোন ও গলায় স্টেথোস্কোপ জড়িয়ে সফলভাবে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেছেন তিনি। তাঁর এই অর্জনে পরিবার, স্বজন ও পুরো এলাকাবাসীর মধ্যে বইছে আনন্দের বন্যা।মিমের বাবা লিটন হালদার জানান, ছোটবেলা থেকেই মিম পড়াশোনায় অত্যন্ত মনোযোগী ছিলেন। তিনি দিঘীরপাড় এ.সি. ইনস্টিটিউশন থেকে এসএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ-৫ এবং মতিঝিল আইডিয়াল কলেজ থেকে এইচএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জন করেন। পরবর্তীতে দেশসেরা মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন।চিকিৎসাশাস্ত্রের কঠিন পথ অতিক্রম করতে গিয়ে তাঁকে পার করতে হয়েছে নিরলস পরিশ্রম ও অজস্র নির্ঘুম রাত। তবে সব বাধা পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত তিনি পৌঁছেছেন তাঁর কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে। মেয়ের চিকিৎসক হওয়ার সংবাদে বাবা-মায়ের চোখে যেমন আনন্দের অশ্রু জমেছে, তেমনি এলাকার সাধারণ মানুষও তাঁকে নিয়ে গর্ববোধ করছেন। স্থানীয়রা বলেন, "আমাদের গ্রামের মেয়ে ডাক্তার হয়েছে—এটি পুরো টঙ্গীবাড়ীর জন্য বড় এক গৌরবের বিষয়।"গ্রামবাসীর প্রত্যাশা, মিম কেবল পেশাগত দিক থেকেই নয়, মানবিক মূল্যবোধ লালন করে একজন দরদি চিকিৎসক হিসেবে গড়ে উঠবেন। অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে তিনি গ্রামের মানুষের মুখে হাসি ফোটাবেন। স্থানীয় সুশীল সমাজের মতে, ইশরাত জাহান মিমের এই অসামান্য সাফল্য টঙ্গীবাড়ীর তরুণ শিক্ষার্থীদের নতুন করে বড় স্বপ্ন দেখতে এবং তা বাস্তবায়নে অনুপ্রাণিত করবে।মিম যেন তাঁর মেধা ও মনন দিয়ে আর্তপীড়িত মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে পারেন—এজন্য পরিবার ও এলাকাবাসী সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব