প্রিন্ট এর তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাগেরহাটে চাঞ্চল্যকর ৩ খুনের রহস্য উদঘাটন, আসামী গ্রেফতার ও আলামত উদ্ধার প্রসঙ্গে।
আসরাফুল মোড়ল, গণমাধ্যম কর্মী ||
মামলা নম্বর: (কচুয়া থানা) মামলা নং:০২, তারিখ:০৫/৮/২০২৬ খ্রি., ধারা:৩০২ পেনাল কোড:১৮৬০। বাগেরহাট জেলার কচুয়া থানাধীন চান্দেরকোলা গ্রামে গত ০২/৮/২০২৬ খ্রি. দিবাগত রাত্র হতে ০৪/৮/২০২৬ তারিখ ০৫:০০ ঘটিকার মধ্যে যেকোন সময়ে একই পরিবারের ০৩ জনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। গত ইং ০৪/৮/২০২৬ তারিখ ১১:৫০ ঘটিকায় কচুয়া থানা পুলিশ ঘটনার সংবাদ প্রাপ্ত হয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মৃতদেহের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বাগেরহাট সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। এ সংক্রান্তে কচুয়া থানায় ০১টি হত্যা মামলা রুজু করা হয়। উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে বাগেরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখার ০১টি চৌকস টিম ও থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে ঘটনার সাথে জড়িত ১। জাহিদুল ইসলাম, পিতা-মৃত মজিদ হাওলাদার, সাং-চান্দেরকোলা, থানা-কচুয়া, জেলা-বাগেরহাট ১৩/৮/২০২৬ খ্রি. তারিখে গ্রেফতার করা হয় এবং তার নিকট থেকে ঘটনা সংক্রান্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। পরবর্তীতে আরো গভীর তদন্তকালে, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত ১। আসাদুল শেখ, পিতা-সুলতান শেখকে ০৫/৯/২০২৬ খ্রি. ২০:৩০ ঘটিকায় নিজ বাড়ি হতে গ্রেফতার করা হয়। আসামী আসাদুলকে গ্রেফতারের সময় তার স্বীকারোক্তি ও তথ্যমতে ডিসিষ্ট আহাদ এর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন (চার্জারসহ) আসাদুলের বসত ঘরের নিজ শয়ন কক্ষের খাটের উপরে বালিশের নিচ হতে উদ্ধার করা হয়। আসামী আসাদুলের তথ্যমতে ঘটনার সাথে জড়িত আসামী ২। মোঃ আরিফ হাওলাদার @ বাবু, পিতা-বারিক হাওলাদার, উভয় সাং-চান্দেরকোলা, থানা-কচুয়া, জেলা-বাগেরহাটকে তার নিজ বাড়ি হতে ২৩:০০ ঘটিকায় গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং হত্যাকান্ডের মূল কারন সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে জানায় যে, ডিসিষ্ট আহাদ এর পরিবারের একজন মহিলা সদস্যের সাথে ইতোপূর্বে গ্রেফতারকৃত আসামী জাহিদুল ইসলামের দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক উভয় পরিবারের মধ্যে জানাজানি হলে আহাদের মা ডিসিষ্ট মনিরা বেগম এর সাথে আসামী জাহিদুল ইসলাম এর ঝগড়াঝাটি হয়। উক্ত ঘটনায় আসামী জাহিদুল ইসলাম এর স্ত্রী’র সাথেও পারিবারিক দ্বন্দ চলছিল। এরই প্রেক্ষিতে আসামী জাহিদুল ইসলাম এর পরিকল্পনায় গ্রেফতারকৃত অন্যান্য আসামীদের সহযোগিতায় উক্ত হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব