প্রিন্ট এর তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস আজ
মোঃ আশিফুল ইসলাম , ✅ গণমাধ্যম কর্মী ||
আজ ৮ সেপ্টেম্বর পালিত হচ্ছে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস ২০২৬। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা আয়োজন ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে। এবারের দিবসের মূল আলোচনায় রয়েছে কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ বা হৃদ্রোগ এবং হৃদ্স্বাস্থ্য রক্ষায় শারীরিক সক্রিয়তার গুরুত্ব।বর্তমান সময়ে হৃদ্রোগ একটি বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে দেখা দিয়েছে। অনিয়মিত জীবনযাপন, শারীরিক পরিশ্রমের ঘাটতি এবং দীর্ঘসময় নিষ্ক্রিয় থাকার কারণে হৃদ্স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এ অবস্থায় নিয়মিত ও নিরাপদ শারীরিক কার্যক্রমের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী ফিজিওথেরাপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।ফিজিওথেরাপি শুধু ব্যথা বা হাড়-জোড়ের সমস্যার চিকিৎসা নয়। হৃদ্রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের শারীরিক সক্ষমতা ফিরিয়ে আনা, দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডে স্বাভাবিকভাবে ফিরে যেতে সহায়তা করা এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রেও এর ভূমিকা রয়েছে। বিশেষ করে হৃদ্রোগের পর পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় প্রশিক্ষিত ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী পরিকল্পিত ব্যায়াম ও শারীরিক কার্যক্রম রোগীর সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।ফিজিওথেরাপিস্টরা রোগীর শারীরিক সক্ষমতা ও প্রয়োজন বিবেচনা করে উপযুক্ত ব্যায়াম ও পুনর্বাসন কর্মসূচি নির্ধারণে সহায়তা করেন। এতে রোগী ধীরে ধীরে দৈনন্দিন জীবনে সক্রিয় হয়ে উঠতে পারেন। তবে হৃদ্রোগীদের ক্ষেত্রে যেকোনো ব্যায়াম বা ফিজিওথেরাপি শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবসের এবারের বার্তা তাই শুধু চিকিৎসার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং সক্রিয় জীবনযাপন, হৃদ্স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা এবং রোগের পর সঠিক পুনর্বাসনের গুরুত্ব মানুষের সামনে তুলে ধরা।সুস্থ ও কর্মক্ষম জীবন নিশ্চিত করতে ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। হৃদ্রোগ প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনায় সচেতনতার পাশাপাশি নিরাপদ শারীরিক কার্যক্রমকে জীবনের অংশ করে তোলার আহ্বান জানাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব