প্রিন্ট এর তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
একপ্লেট ভাত এর জন্য প্রাণ দিতে হলো আজমলকে এও কি সম্ভব?????
মোঃ শফিকুল ইসলাম সাজু , গণমাধ্যম কর্মী ||
একপ্লেট ভাত এর জন্য প্রাণ দিতে হলো আজমলকে এও কি সম্ভব????? আজমল ছেলেটারে পি**টাইতে পিটা**ইতে দুনিয়া থেকেই স**রিয়ে দিতে হইল? বলছি‚ দেশটা কী মগের মুল্লুক হয়ে গেছে? এই ঘটনাটি তখনই ঘটাইছে, যখন দেশের মানুষ 'অপ্রতিম' এর ঘটনা নিয়ে সবাই ব্যস্ত। খুলনার এক মেসে ঘটে এই হৃদয় বিদারক ঘটনা।নি*&হত আজমুলের বাবা কান্নারত অবস্থায় আকুতি করছে- “আমি কার কাছে এ বিচার দিব? আমি কারো কাছে বিচার দিব না। বিচার দিলে হয়তো আমাকেও ওরা বাঁ**চতে দিবে না, আমরা গরিব মানুষ‚ বাড়ি অনেক দূরে। শুধু আল্লাহর কাছে বিচার দিলাম!”বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্যমতে‚ চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থেকে বুকে একরাশ স্বপ্ন নিয়ে খুলনার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন ২১ বছরের আজমুল হোসেন। কিন্তু নতুন শহরের পড়াশোনার বয়স মাত্র ১০ দিন পার হতেই নি**ভে গেল তার জীবন-প্রদী°প। শুক্রবার রাতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের একটি ছাত্রাবাসে ঘটে যায় এই মর্মা°ন্তিক নৃ"শং"সতা। আজমুলের অ°প°রাধ ছিল— " সে, সেদিন গ্রামের বাড়ি থেকে ফিরে, মেসে অন্য একজনের খাবার খেয়ে ফেলেছিল, কারণ সেদিন তার খাবার আসেনি! আর যার খাবার খেয়েছিল, সে অনেক রাত হয়ে যাবার পরেও আসেনি, তাই ফিরে আসবে না ভেবেই খেয়ে ফেলে। এটাই তার জীবনে কাল হয়ে দাড়ায়।আজমুলকে সামান্য ভাত খাওয়ার অ°পরা°ধে মেসের কয়েকজন ও বহিরাগত যুবক তাকে চারতলার ছাদে ঘা**ড় ধরে টে*নে নিয়ে যায়। আজমুল অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা চাওয়ার পরেও রক্ষা হয়নি তার। সেখানে চালায় নির্মম নি**র্যা--তন। এমনকি ওই অবস্থায় তার বাবার কাছে এক লাখ টাকার মুক্তিপণও চাদা দাবি করা হয়। বাবা হতদরিদ্র, তাই টাকা দিতে পারবে না জানায়। হাতজোড় করে ছেলের প্রাণ ভিক্ষা চায় বাবা। তবুও দয়া না করে, টাকা না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে - নি*র্যা*তনের একপর্যায়ে তাকে চারতলার ছাদ থেকেই নি**চে ফে**(লে দেওয়া হয়। গুরুতর অবস্থায় হসপিটালে নিলেও ছেলেটাকে আর ফেরানো যায়নি!মানে‚ কোনদেশে বসবাস করছি অনেকক্ষণ ভাবলাম। মেসের নিয়ম আগে মিল দিতে হয়। কিন্তু মাত্র ১০ হইছে মেসে জয়েনিং করা সম্পূর্ণ নতুন একটা ছেলে না হয় বুঝে নাই। তাই বলে তাকে এভাবে ভাত খাওয়ার অপরাধে মে**রেই ফেলতে হবে? মনে হচ্ছে এক প্লেট জন্য মানুষ মা/***রা এখন ফরজ হয়ে গেছে! আহারে মানুষ।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব