প্রিন্ট এর তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাবা মায়ের রাগের উপর শিশুদের চরিত্রে আনতে পারে বিশাল পরিবর্তন।
মোঃ ইয়াছিন আরাফাত , গণমাধ্যম কর্মী ||
শিশুকে রাগ দেখালে রাগ শিখবে, ভালোবাসা দেখালে ভালোবাসা।” এটা একটা লাইন না, এটা প্রতিটা শিশুর বেড়ে ওঠার সবচেয়ে বড় সত্য।👶 আপনার বাচ্চা জেদ করে?👉 খেয়াল করেছেন কখন জেদ বাড়ে?— যখন ওর চাওয়া আপনি বারবার থামিয়ে দেন।— যখন ওর আগ্রহকে আপনি “না” বলে চেপে দেন।— যখন ওর চোখের সামনে আপনি রেগে যান।শিশু তখন ভাবে,🧠 "আমার কথা কেউ শোনে না"🧠 "চিৎকার করলে, কান্না করলে, রাগ করলে তবেই সবাই শুনবে"👉 এভাবেই ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে জেদি স্বভাব, রাগী মন, অস্থির আচরণ।- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - ✅কিন্তু খবরটা ভালো — কারণ আপনি চাইলে এটা বদলাতে পারেন।💡 শিশুরা কথা নয়, আচরণ দেখে শেখে।👉 আপনি যেমন, সেও তেমন হবেই।🔹 আপনি যদি তাকে সময় দেন — সে নিরাপত্তা শেখে🔹 আপনি যদি তাকে ভালোবাসেন — সে ভালোবাসা দিতে শেখে🔹 আপনি যদি ধৈর্য ধরেন — সে ধৈর্য শেখে🔹 আপনি যদি তার আগ্রহে সাড়া দেন — সে আত্মবিশ্বাস পায়- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - ❗ একটা কথা মনে রাখবেন:👉“না” বলাটা সহজ।🥰কিন্তু “না”-এর জায়গায় ভালোভাবে বোঝানো শেখানো অনেক কঠিন — কিন্তু সবচেয়ে জরুরি।🔸 শিশুর ইচ্ছে মানে তাকে উড়িয়ে দেওয়া না🔸 ওর কৌতূহল মানে শাস্তি না🔸 ওর চোখে জেদ মানেই রাগের জবাব না👉 বরং বুঝিয়ে দিন, ধরিয়ে দিন, পাশে থাকুন।- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - ✅ তাহলে কী করবেন?✔ কোন কিছু ধরলে না বলার পরিবর্তে বিকল্প কিছু দিন ✔ যতটা সম্ভব বাচ্চাকে ছোট ছোট সিদ্ধান্ত নিতে দিন✔ সবকিছুতে না নয়, কিছু জিনিস বুঝিয়ে বলুন✔ রেগে গেলে থামুন, কারণ আপনার রাগ ওর শেখার জায়গা✔ প্রতিদিন অন্তত কিছুটা সময় রাখুন শুধু ওর জন্য✔ ওকে বলুন: “তুমি গুরুত্বপূর্ণ”, “তোমার কথা আমি শুনি”, "তোমাকে আমি অনেক ভালবাসি "🌸 মনে রাখবেন —বাচ্চারা যা দেখে, তাই হয় ।আপনি যদি শান্ত থাকেন, ভালোবাসা দেন — সে-ও তাই শিখবে। এই পোস্টটা সব মা-বাবার সঙ্গে শেয়ার করুন, যিনি হঠাৎ একটু রেগে যান হয়তো এই লেখা তার মনটা নরম করে দেবে। ❤️মোঃ ইয়াছিন আরাফাত
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব