প্রিন্ট এর তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুড়েঁর ঘড়
শাহ আলম, গণমাধ্যম কর্মী ||
বেশী দিন আগের কথা নয়, দুই দশক পূর্বে আমি ছিলাাম মৎসজীবি,আমরা বাবা অভাবের তাড়নায় অখাদ্য খেয়ে মারা গেছেন,আমার বড় ভাই অভাবের তাড়নায় অপরাধের পথ বেছে নিয়েছে,তিন চার দিন হলো কোন খাদ্য যোগাতে পারলামনা,বউ অনাহারের কস্টে আমাকে ফেলে বাপের বাড়ি আশ্রয় নিয়েছে,আমার দুই চালা একটি কুড়ের ঘড় ছিলো সম্বল,বৃষ্টির পানি ঘড়ের ভিতরে পরতো,মায়ের রেখে যাওয়া দুই তিনটি ছেড়াঁ খাতা ছাড়া আমার কুড়েঁর ঘড়ে তেমন কিছু ছিলোনা,আমি অনাহারে সেই কাথাঁ মুড়িয়ে শুয়ে থাকলাম,মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করতে ছিলাম,হঠাৎ গ্রামের দুই মাতব্বর আমার কুড়েঁর ঘরে আগমন,ভাবলাম এবার হয়তো কোথাও কোন চুরির অপরাধে বেধেঁ নিয়ে যাবে,তবে অতটা ভয় পেলামনা,কারণ যে জিবনে কোন সুখ নেই এই জিবনের জন্য কোন মায়াও নেই।মাতব্বর বল্লো এই বেটা না খেয়ে মরে যাবি? চল উকিল সাহেবের বাসায় কাজ করবি,শহরে উকিল সাব বসবাস করেন,কেমন যেনো মনে হলো, হয়তো পুর্বপুরুষের মধ্যে কেউ কখনও ভালো কাজ করেছিলো,তাই আল্লাহ মুখ তুলে চেয়েছেন,আমি শুধু রাজি হলামনা, তাদেরকে স্বর্গীয় দূত মনে করে তাদের সাথে চলে গেলাম সহড়ে,আমাকে দেখে উকিল সাহেব তেমন একটা খুশি হতে পারলোনা,কারণ আমার পারিবারিক দোষের কারণে আমাকে তার তেমন ভালো লাগেনি,তবে গ্রামের মাতব্বরদের শুপারিশে উকিল সাহেবের বাসার কাজের লোক হিসাবে চাকুরিটা পেয়েগেলাম।অল্প দিনে আমার চাটুকারিতা দিয়ে সাহেবের মন জয় করলাম।চলবে
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব