রাজধানীর রূপনগরের দুয়ারীপাড়ায় প্লট দখল, চাঁদাবাজি ও গৃহায়ণ প্রকল্পের প্লট মালিকদের হয়রানির অভিযোগে বিএনপি নেতা শিপু মোল্লাকে আটক করেছে পুলিশ। অভিযোগের বিষয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও শুরু হয়েছে আলোচনা। তবে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়েছে—এমন কোনো তথ্য এ প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে না।
জানা গেছে, শিপু মোল্লাকে আটকের মাত্র দুই দিন আগে তার বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় বিএনপির পক্ষ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। সেখানে গৃহায়ণ প্রকল্পের প্লট মালিকদের হয়রানি, দখল ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে তার কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
দলীয় সূত্রে বলা হচ্ছে, বিএনপির নীতিগত অবস্থান হলো—অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির দায় ব্যক্তিকেই বহন করতে হবে; কোনো ব্যক্তির কর্মকাণ্ডের দায় দল নেবে না। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও বিভিন্ন সময়ে অপরাধ ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। ফলে শিপু মোল্লার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের পর তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সেটিই এখন আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রূপনগর থানা পুলিশ শিপু মোল্লাকে আটক করার পর পরবর্তী সময়ে তাকে মিরপুর মডেল থানার হেফাজতে রাখা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া কীভাবে এগোবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপের অপেক্ষা করা হচ্ছে।
এদিকে, স্থানীয় পর্যায়ে প্লট মালিকদের হয়রানি ও দখল-চাঁদাবাজির অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শিপু মোল্লার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য বা আত্মপক্ষ সমর্থনের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে তা-ও প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
অভিযোগ যত গুরুতরই হোক, তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগে কাউকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে চিহ্নিত করা সাংবাদিকতার নীতির পরিপন্থী। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই, আইনগত পদক্ষেপ এবং সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য তুলে ধরে বিষয়টি পাঠকের সামনে স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করা হবে।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬

মতামত