জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
সারাদেশ

সারাদেশ

আজও মানবতা বেঁচে আছে,, মানবতার ধারে।

আজও মানবতা বেঁচে আছে,, মানবতার ধারে।

“পারিবারিক কলহ ও বিবাদ প্রতিরোধে করণীয় নির্ধারণ” বিষয়ে গঠনতন্ত্র, নীতিমালা, সচেতনতামূলক কর্মসূচি বা সামাজিক সংগঠনের কার্যক্রমে ব্যবহারযোগ্য ২৫টি ধারা দেওয়া হলো।

পারিবারিক কলহ ও বিবাদ প্রতিরোধে করণীয় ২৫টি ধারা

ধারা–১। পারস্পরিক সম্মান:

পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে একে অপরের মতামত, মর্যাদা, ব্যক্তিস্বাধীনতা ও অধিকারকে সম্মান করতে হবে।

ধারা–২। শান্তিপূর্ণ আলোচনা:

কোনো বিষয়ে মতবিরোধ দেখা দিলে উত্তেজিত না হয়ে শান্ত পরিবেশে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে।

ধারা–৩। গালাগালি ও অপমান নিষিদ্ধ:

পারিবারিক বিরোধের সময় গালাগালি, অপমানজনক বক্তব্য, হুমকি বা মানহানিকর আচরণ থেকে বিরত থাকতে হবে।

ধারা–৪। শারীরিক সহিংসতা বন্ধ:

পারিবারিক মতবিরোধের কোনো পর্যায়েই মারধর, আঘাত বা অন্য কোনো শারীরিক সহিংসতা করা যাবে না।

ধারা–৫। নারী ও শিশুর নিরাপত্তা:

পারিবারিক বিরোধের সময় নারী, শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী সদস্যদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

ধারা–৬। দাম্পত্য বিষয়ে গোপনীয়তা:

স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত বিষয় অপ্রয়োজনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা জনসমক্ষে প্রকাশ না করে দায়িত্বশীলভাবে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে।

ধারা–৭। আর্থিক বিষয়ে স্বচ্ছতা:

পরিবারের আয়-ব্যয়, ঋণ, সম্পদ ও গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সিদ্ধান্তে পারস্পরিক আলোচনা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে।

ধারা–৮। যৌতুক ও অর্থনৈতিক চাপ প্রতিরোধ:

যৌতুক দাবি, অতিরিক্ত অর্থের চাপ বা অর্থনৈতিক নির্যাতনের মাধ্যমে পারিবারিক অশান্তি সৃষ্টি করা যাবে না।

ধারা–৯। সন্তানদের সামনে বিবাদ এড়ানো:

স্বামী-স্ত্রীর মতবিরোধের সময় শিশুদের সামনে উচ্চস্বরে ঝগড়া, গালাগালি বা সহিংসতা প্রদর্শন থেকে বিরত থাকতে হবে।

ধারা–১০। সন্তানের মতামতের প্রতি সম্মান:

সন্তানের বয়স ও পরিপক্বতা বিবেচনা করে তার মতামত ও মানসিক অবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে।

ধারা–১১। ভুল বোঝাবুঝি দূরীকরণ:

গুজব, সন্দেহ বা অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত না নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে সরাসরি কথা বলে সত্যতা যাচাই করতে হবে।

ধারা–১২। তৃতীয় পক্ষের অযাচিত হস্তক্ষেপ পরিহার:

পারিবারিক বিষয়ে অপ্রয়োজনীয় আত্মীয়স্বজন বা বাইরের ব্যক্তির হস্তক্ষেপ সীমিত রেখে প্রয়োজন হলে দায়িত্বশীল ও নিরপেক্ষ ব্যক্তির সহায়তা নিতে হবে।

ধারা–১৩। পারিবারিক বৈঠক:

গুরুতর সমস্যা হলে পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ বৈঠকে

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আজও মানবতা বেঁচে আছে,, মানবতার ধারে।

প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
“পারিবারিক কলহ ও বিবাদ প্রতিরোধে করণীয় নির্ধারণ” বিষয়ে গঠনতন্ত্র, নীতিমালা, সচেতনতামূলক কর্মসূচি বা সামাজিক সংগঠনের কার্যক্রমে ব্যবহারযোগ্য ২৫টি ধারা দেওয়া হলো।পারিবারিক কলহ ও বিবাদ প্রতিরোধে করণীয় ২৫টি ধারাধারা–১। পারস্পরিক সম্মান:পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে একে অপরের মতামত, মর্যাদা, ব্যক্তিস্বাধীনতা ও অধিকারকে সম্মান করতে হবে।ধারা–২। শান্তিপূর্ণ আলোচনা:কোনো বিষয়ে মতবিরোধ দেখা দিলে উত্তেজিত না হয়ে শান্ত পরিবেশে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে।ধারা–৩। গালাগালি ও অপমান নিষিদ্ধ:পারিবারিক বিরোধের সময় গালাগালি, অপমানজনক বক্তব্য, হুমকি বা মানহানিকর আচরণ থেকে বিরত থাকতে হবে।ধারা–৪। শারীরিক সহিংসতা বন্ধ:পারিবারিক মতবিরোধের কোনো পর্যায়েই মারধর, আঘাত বা অন্য কোনো শারীরিক সহিংসতা করা যাবে না।ধারা–৫। নারী ও শিশুর নিরাপত্তা:পারিবারিক বিরোধের সময় নারী, শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী সদস্যদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।ধারা–৬। দাম্পত্য বিষয়ে গোপনীয়তা:স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত বিষয় অপ্রয়োজনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা জনসমক্ষে প্রকাশ না করে দায়িত্বশীলভাবে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে।ধারা–৭। আর্থিক বিষয়ে স্বচ্ছতা:পরিবারের আয়-ব্যয়, ঋণ, সম্পদ ও গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সিদ্ধান্তে পারস্পরিক আলোচনা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে।ধারা–৮। যৌতুক ও অর্থনৈতিক চাপ প্রতিরোধ:যৌতুক দাবি, অতিরিক্ত অর্থের চাপ বা অর্থনৈতিক নির্যাতনের মাধ্যমে পারিবারিক অশান্তি সৃষ্টি করা যাবে না।ধারা–৯। সন্তানদের সামনে বিবাদ এড়ানো:স্বামী-স্ত্রীর মতবিরোধের সময় শিশুদের সামনে উচ্চস্বরে ঝগড়া, গালাগালি বা সহিংসতা প্রদর্শন থেকে বিরত থাকতে হবে।ধারা–১০। সন্তানের মতামতের প্রতি সম্মান:সন্তানের বয়স ও পরিপক্বতা বিবেচনা করে তার মতামত ও মানসিক অবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে।ধারা–১১। ভুল বোঝাবুঝি দূরীকরণ:গুজব, সন্দেহ বা অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত না নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে সরাসরি কথা বলে সত্যতা যাচাই করতে হবে।ধারা–১২। তৃতীয় পক্ষের অযাচিত হস্তক্ষেপ পরিহার:পারিবারিক বিষয়ে অপ্রয়োজনীয় আত্মীয়স্বজন বা বাইরের ব্যক্তির হস্তক্ষেপ সীমিত রেখে প্রয়োজন হলে দায়িত্বশীল ও নিরপেক্ষ ব্যক্তির সহায়তা নিতে হবে।ধারা–১৩। পারিবারিক বৈঠক:গুরুতর সমস্যা হলে পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ বৈঠকে

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
আজও মানবতা বেঁচে আছে,, মানবতার ধারে।
0:00 0:00
1.0x