আমাদের সমাজে একটা কালচার আছে অভাবে হোক আর স্বভাবে হোক হাড়ি পাতিল, কেলা কচু চুরি করলে তাকে গন পিটুনি বা চোখ তুলে ফেলা,বা হত্যা করা,এটা না করলে সমাজ সূদ্ধ হয়না, এমনটাই জনতার ধারণা,তবে চোর যদি হয় প্রভাবশালী,বা পুকুর চোর তবে তার থেকে দূরত্ব বজায় রাখাটা যেন ভদ্রতা।আমরা মুসলিম দাবী করি কিন্তু মানুষ হত্যা মহা পাপ এটা বুঝতে চাইনা,ছ্যাচরা চোর পেলে শরীরে একটা জোশ উঠে এটা আবার বড় চোরের কাছে গেলে থাকেনা,তখন তাকে স্যার বলে মাথা নীচু করে ভদ্রতা দেখাই।চোরের শরিয়াহ বিচার কি আমরা অনেকেই জানি চুরির ধরণ অনুযায়ী বিচার, সর্বউচ্চ হাত কাটা,যদি স্বাক্ষী থাকে,আর সংবিধানের বিচার ৩/৫বছর জেল,চোখ তোলা,হত্যা করা না কোরআনে আছে,না সংবিধানে আছে,এমনকি খাদ্যের অভাবে চুরি করলে তার জন্য মড়ল মাতব্বর এবং দেশের খলিফা দায়ী।অথচ আমরা শুধু সন্দেহ করেই একটি জিবন প্রদীপ নিভিয়ে দেই,বা পঙ্গু করে ফেলি,এর শেষ কোথায়?
বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস: জনস্বাস্থ্যে কমিউনিটি ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা অপরিসীমনিজস্ব প্রতিবেদক:প্রতি বছর ২৫ সেপ্টেম্বর বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস পালিত হয়। নিরাপদ ওষুধের ব্যবহার, রোগীর ওষুধ-সংক্রান্ত সচেতনতা এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ফার্মাসিস্টদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্দেশ্যে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালন করা হয়।স্বাস্থ্যসেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে চিকিৎসকের পাশাপাশি ফার্মাসিস্টদের ভূমিকাও দিন দিন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের সবচেয়ে কাছাকাছি থাকা কমিউনিটি ফার্মাসিস্টরা নিরাপদ ও যৌক্তিক ওষুধ ব্যবহারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।কমিউনিটি ফার্মাসিস্ট কেন গুরুত্বপূর্ণএকজন রোগী চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পর ওষুধ সংগ্রহ ও ব্যবহারের পর্যায়ে অনেক সময় ফার্মাসিস্টের কাছেই প্রথমে ফিরে আসেন। ফলে রোগীকে ওষুধের সঠিক ব্যবহার, মাত্রা, সময়, সংরক্ষণ পদ্ধতি এবং সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়ার সুযোগ থাকে কমিউনিটি ফার্মাসিস্টের।বিশেষ করে বয়স্ক রোগী, দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি এবং একাধিক ওষুধ সেবনকারী রোগীদের ক্ষেত্রে ওষুধের পারস্পরিক প্রতিক্রিয়া, ডোজ ও নিয়মিত সেবনের বিষয়ে যথাযথ পরামর্শ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধে ভূমিকাবর্তমান বিশ্বের অন্যতম বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা হলো অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (AMR)। অপ্রয়োজনীয় বা ভুলভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে জীবাণু ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে উঠতে পারে।এক্ষেত্রে কমিউনিটি ফার্মাসিস্ট রোগীকে অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার থেকে বিরত রাখা, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ ব্যবহারে উৎসাহিত করা এবং নির্ধারিত চিকিৎসা-পরিকল্পনা যথাযথভাবে অনুসরণ করার বিষয়ে সচেতন করতে পারেন।ওষুধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাএকই সঙ্গে একাধিক ওষুধ গ্রহণকারী রোগীদের ক্ষেত্রে Drug Interaction, অ্যালার্জি, ভুল মাত্রা কিংবা একই ধরনের ওষুধ অনিচ্ছাকৃতভাবে একাধিকবার ব্যবহারের ঝুঁকি থাকতে পারে। প্রশিক্ষিত ফার্মাসিস্ট এসব বিষয়ে সতর্ক করতে পারেন এবং প্রয়োজন হলে রোগীকে চিকিৎসকের কাছে পুনরায় পরামর্শ নেওয়ার জন্য রেফার করতে পারেন।ওষুধের বিরূপ প্রতিক্রিয়া বা Adverse Drug Reaction (ADR) শনাক্ত ও যথাযথভাবে রিপোর্ট করার ক্ষেত্রেও ফার্মাসিস্টদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।কমিউনিটি ফার্মেসি হোক স্বাস্থ্যসেবার অংশবাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক মানুষ প্রতিদিন কমিউনিটি ফার্মেসির মাধ্যমে ওষুধের সঙ্গে সংযুক্ত হন। তাই শুধু ওষুধ সরবরাহ নয়—সঠিক ওষুধ, সঠিক রোগী, সঠিক মাত্রা, সঠিক সময় এবং নিরাপদ ব্যবহারের সংস্কৃতি গড়ে তোলাও অত্যন্ত জরুরি।এক্ষেত্রে যোগ্য ও প্রশিক্ষিত ফার্মাসিস্টদের পেশাগত দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে কমিউনিটি ফার্মেসিকে আরও রোগীকেন্দ্রিক করা গেলে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব।চিকিৎসক ও ফার্মাসিস্টের সমন্বয় প্রয়োজনরোগীর সর্বোত্তম স্বার্থে চিকিৎসক, ফার্মাসিস্ট, নার্সসহ সকল স্বাস্থ্য পেশাজীবীর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও পেশাগত সমন্বয় থাকা প্রয়োজন। চিকিৎসকের রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা পরিকল্পনার পাশাপাশি ফার্মাসিস্ট ওষুধের সঠিক ব্যবহার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহযোগিতা করতে পারেন।একটি আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় তাই “Patient-centred care” বা রোগীকেন্দ্রিক সেবাকে গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসক ও ফার্মাসিস্টের সমন্বিত ভূমিকা আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।বাংলাদেশের জন্য সময়োপযোগী উদ্যোগবাংলাদেশে কমিউনিটি ফার্মেসি ব্যবস্থাকে আরও মানসম্মত করতে প্রশিক্ষিত জনবল, নিরাপদ Dispensing ব্যবস্থা, ওষুধের যথাযথ সংরক্ষণ, প্রেসক্রিপশন অনুসরণ, অ্যান্টিবায়োটিকের যৌক্তিক ব্যবহার এবং ফার্মাকোভিজিল্যান্স কার্যক্রমকে আরও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।একই সঙ্গে জনগণকেও মনে রাখতে হবে—ফার্মেসি থেকে ওষুধ নেওয়ার ক্ষেত্রে নিজের ইচ্ছায় ওষুধ নির্বাচন বা চিকিৎসা পরিবর্তনের পরিবর্তে নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ এবং যোগ্য ফার্মাসিস্টের পেশাগত নির্দেশনা অনুসরণ করা নিরাপদ।বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবসের প্রত্যাশাবিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস শুধু ফার্মাসিস্টদের সম্মান জানানোর দিন নয়; এটি নিরাপদ ওষুধ ব্যবহার, রোগীর অধিকার এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়গুলো নতুন করে ভাবারও একটি সুযোগ।কমিউনিটি ফার্মাসিস্টরা যদি যথাযথ পেশাগত পরিবেশ, প্রশিক্ষণ ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পান, তাহলে তারা বাংলাদেশের প্রাথমিক ওষুধসেবা ও জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার একটি শক্তিশালী অংশীদার হতে পারেন।“ফার্মাসিস্ট শুধু ওষুধের সরবরাহকারী নন—নিরাপদ ওষুধ ব্যবহারের একজন গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা সহযোগী।”🌿 বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সকল ফার্মাসিস্ট ও ফার্মেসি পেশাজীবীর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
ড্রাগসের অনুমোদন ছাড়াই বাজারে ‘শক্তি সুধা ব্যথার তেল’, প্যারালাইসিস ভালো হওয়ার চটকদার বিজ্ঞাপন**নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব | ঢাকা*কোনো প্রকার ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) অনুমোদন ছাড়াই বাজারে দেদারসে বিক্রি হচ্ছে ‘শক্তি সুধা ব্যথার তেল’। ফেসবুক রিলস ও অনলাইনে চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে বলা হচ্ছে, এই তেল ব্যবহার করলে প্যারালাইসিস বা পক্ষাঘাত (পাইছো) রোগীও ভালো হয়ে যায়।সম্প্রতি ‘শামীম কেমিক্যাল কোম্পানি’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে এক ব্যক্তিকে এই তেল হাতে নিয়ে বিক্রির প্রচারণা করতে দেখা যায়। ভিডিওতে তিনি দাবি করছেন, এটি ব্যথার অব্যর্থ ওষুধ।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাংলাদেশে যেকোনো ঔষধ বা মলম বাজারজাত করতে হলে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমোদন বাধ্যতামূলক। কিন্তু ‘শক্তি সুধা’ নামের এই পণ্যের প্যাকেটে কোনো DAR নম্বর, উৎপাদন লাইসেন্স বা DGDA-র অনুমোদন নম্বর নেই।বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, প্যারালাইসিস একটি জটিল স্নায়বিক রোগ। কোনো তেল মালিশে এটি ভালো হওয়ার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। এ ধরনের ভুয়া বিজ্ঞাপনে বিভ্রান্ত হয়ে অনেক রোগী সঠিক চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং প্রতারিত হচ্ছেন।এ বিষয়ে ঔষধ প্রশাসনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, "অনুমোদনহীন কোনো পণ্য যদি ঔষধ হিসেবে প্রচার করে বিক্রি করা হয়, তাহলে সেটি আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখবো।"সাধারণ ভোক্তাদের প্রতি অনুরোধ, এ ধরনের চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে প্রতারিত হবেন না। যেকোনো ঔষধ কেনার আগে তার অনুমোদন আছে কিনা তা যাচাই করে নিন।
“পারিবারিক কলহ ও বিবাদ প্রতিরোধে করণীয় নির্ধারণ” বিষয়ে গঠনতন্ত্র, নীতিমালা, সচেতনতামূলক কর্মসূচি বা সামাজিক সংগঠনের কার্যক্রমে ব্যবহারযোগ্য ২৫টি ধারা দেওয়া হলো।পারিবারিক কলহ ও বিবাদ প্রতিরোধে করণীয় ২৫টি ধারাধারা–১। পারস্পরিক সম্মান:পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে একে অপরের মতামত, মর্যাদা, ব্যক্তিস্বাধীনতা ও অধিকারকে সম্মান করতে হবে।ধারা–২। শান্তিপূর্ণ আলোচনা:কোনো বিষয়ে মতবিরোধ দেখা দিলে উত্তেজিত না হয়ে শান্ত পরিবেশে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে।ধারা–৩। গালাগালি ও অপমান নিষিদ্ধ:পারিবারিক বিরোধের সময় গালাগালি, অপমানজনক বক্তব্য, হুমকি বা মানহানিকর আচরণ থেকে বিরত থাকতে হবে।ধারা–৪। শারীরিক সহিংসতা বন্ধ:পারিবারিক মতবিরোধের কোনো পর্যায়েই মারধর, আঘাত বা অন্য কোনো শারীরিক সহিংসতা করা যাবে না।ধারা–৫। নারী ও শিশুর নিরাপত্তা:পারিবারিক বিরোধের সময় নারী, শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী সদস্যদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।ধারা–৬। দাম্পত্য বিষয়ে গোপনীয়তা:স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত বিষয় অপ্রয়োজনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা জনসমক্ষে প্রকাশ না করে দায়িত্বশীলভাবে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে।ধারা–৭। আর্থিক বিষয়ে স্বচ্ছতা:পরিবারের আয়-ব্যয়, ঋণ, সম্পদ ও গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সিদ্ধান্তে পারস্পরিক আলোচনা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে।ধারা–৮। যৌতুক ও অর্থনৈতিক চাপ প্রতিরোধ:যৌতুক দাবি, অতিরিক্ত অর্থের চাপ বা অর্থনৈতিক নির্যাতনের মাধ্যমে পারিবারিক অশান্তি সৃষ্টি করা যাবে না।ধারা–৯। সন্তানদের সামনে বিবাদ এড়ানো:স্বামী-স্ত্রীর মতবিরোধের সময় শিশুদের সামনে উচ্চস্বরে ঝগড়া, গালাগালি বা সহিংসতা প্রদর্শন থেকে বিরত থাকতে হবে।ধারা–১০। সন্তানের মতামতের প্রতি সম্মান:সন্তানের বয়স ও পরিপক্বতা বিবেচনা করে তার মতামত ও মানসিক অবস্থাকে গুরুত্ব দিতে হবে।ধারা–১১। ভুল বোঝাবুঝি দূরীকরণ:গুজব, সন্দেহ বা অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত না নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে সরাসরি কথা বলে সত্যতা যাচাই করতে হবে।ধারা–১২। তৃতীয় পক্ষের অযাচিত হস্তক্ষেপ পরিহার:পারিবারিক বিষয়ে অপ্রয়োজনীয় আত্মীয়স্বজন বা বাইরের ব্যক্তির হস্তক্ষেপ সীমিত রেখে প্রয়োজন হলে দায়িত্বশীল ও নিরপেক্ষ ব্যক্তির সহায়তা নিতে হবে।ধারা–১৩। পারিবারিক বৈঠক:গুরুতর সমস্যা হলে পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ বৈঠকে
মোঃ মনোয়ার হোসেন জনতার অনলাইন প্রেসক্লাবসার নিতে জলঢাকার কৃষকেরা পাচ্ছেন ‘সার কাডনীলফামারীর জলঢাকায় সার বিতরণ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কৃষকদের জন্য নতুন উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা কৃষি বিভাগ। আসন্ন রবি মৌসুমকে সামনে রেখে প্রকৃত কৃষকদের ‘সার কার্ড’-এর মাধ্যমে সার বিতরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সার কার্ডে কৃষকের ছবি, নাম, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও জমির পরিমাণের তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। প্রতিবার সার নেওয়ার সময় কার্ডে সারের পরিমাণ, ফসলের নাম ও বিতরণের তারিখ উল্লেখ করা হবে। এতে একজন কৃষকের প্রাপ্যতা অনুযায়ী সার পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিতরণে অনিয়মের সুযোগ কমবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ।ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন ব্লকের কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ করে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা ‘সার কার্ড’ বিতরণ শুরু করেছেন। কৃষি বিভাগের পরিকল্পনা অনুযায়ী, উপজেলার প্রত্যেক কৃষককে এ কার্ডের আওতায় আনা হবে। জলঢাকা উপজেলায় কৃষকের সংখ্যা ৬০ হাজারের বেশি।কৃষি বিভাগ সূত্রে আরও জানা গেছে, এর আগে দেশব্যাপী কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড তৈরি করা হলেও পরবর্তী সময়ে ওই তালিকা হালনাগাদ করা হয়নি। এবার রবি মৌসুমের আগে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের নতুন করে তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। এই তালিকার ভিত্তিতে সাময়িক মেয়াদের ‘সার কার্ড’ দেওয়া হচ্ছে।উপজেলা কৃষি অফিসার মিজানুর রহমান বলেন, ‘জলঢাকা উপজেলায় সার বিতরণ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই কৃষকদের সার কার্ড দেওয়া হচ্ছে। এতে প্রকৃত কৃষক ছাড়া অন্য কারও সার নেওয়ার সুযোগ কমবে। উপজেলার সকল কৃষককে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে একজন কৃষক কতটুকু সার নিয়েছেন, তার হিসাবও সংরক্ষণ করা হবে। ফলে প্রকৃত কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে প্রয়োজনীয় সার পাবেন।’
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।