জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
সারাদেশ

সারাদেশ

গাংনীতে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে সেকমোর প্রেসক্রিপশন

গাংনীতে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে সেকমোর প্রেসক্রিপশন

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) ডা. মো. রায়হান কবিরের বিরুদ্ধে রোগীর প্রেসক্রিপশনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি জীবন মেডিকেয়ার হোম নামের একটি স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে আসা এক রোগীর প্রেসক্রিপশনে মেরোপেনাম (Meropenem) নামের উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক লিখে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক সাধারণত গুরুতর সংক্রমণের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের বিশেষ বিবেচনায় ব্যবহার করা হয়। ফলে সাধারণ রোগীর প্রেসক্রিপশনে এটি ব্যবহারের অভিযোগে স্থানীয়ভাবে উদ্বেগ ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে ডা. মো. রায়হান কবিরের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, “এই ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক লেখা আমার উচিত নয়। তারপরও আমি লিখেছি, এটা আমার ভুল হয়েছে। এই ধরনের ওষুধ আমরা ব্যবহার করি না, কাউকে লিখিও না। আমার ভুলের মধ্যে এটা একটি ভুল। এর আগে আমি এ ধরনের ভুল করিনি। এই ধরনের মেডিসিন আমি একদমই লিখতে পারি না। আমার ভুল হয়েছে।”

স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অপ্রয়োজনে বা ভুল নিয়মে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বা জীবাণুর ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে ওঠার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এতে ভবিষ্যতে সাধারণ সংক্রমণের চিকিৎসাও জটিল হয়ে পড়তে পারে।

এ বিষয়ে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইউএইচএন্ডএফপিও ডা. একরামুল হক জানান, সেকমো ডা. রায়হান কবিরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ৩০, ৩১ আগস্ট ও ১ সেপ্টেম্বর এই তিন দিনের মধ্যে তাঁকে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, “কোনো সেকমো বা চিকিৎসকই এ ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক লিখতে পারেন না।”

এ বিষয়ে মেহেরপুরের সিভিল সার্জন বলেন, যেহেতু ডা. রায়হান কবিরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তাই তাঁর জবাব পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


গাংনীতে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে সেকমোর প্রেসক্রিপশন

প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬

featured Image
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) ডা. মো. রায়হান কবিরের বিরুদ্ধে রোগীর প্রেসক্রিপশনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।সম্প্রতি জীবন মেডিকেয়ার হোম নামের একটি স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে আসা এক রোগীর প্রেসক্রিপশনে মেরোপেনাম (Meropenem) নামের উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক লিখে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।এ ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক সাধারণত গুরুতর সংক্রমণের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের বিশেষ বিবেচনায় ব্যবহার করা হয়। ফলে সাধারণ রোগীর প্রেসক্রিপশনে এটি ব্যবহারের অভিযোগে স্থানীয়ভাবে উদ্বেগ ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।অভিযোগের বিষয়ে ডা. মো. রায়হান কবিরের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, “এই ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক লেখা আমার উচিত নয়। তারপরও আমি লিখেছি, এটা আমার ভুল হয়েছে। এই ধরনের ওষুধ আমরা ব্যবহার করি না, কাউকে লিখিও না। আমার ভুলের মধ্যে এটা একটি ভুল। এর আগে আমি এ ধরনের ভুল করিনি। এই ধরনের মেডিসিন আমি একদমই লিখতে পারি না। আমার ভুল হয়েছে।”স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অপ্রয়োজনে বা ভুল নিয়মে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বা জীবাণুর ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে ওঠার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এতে ভবিষ্যতে সাধারণ সংক্রমণের চিকিৎসাও জটিল হয়ে পড়তে পারে।এ বিষয়ে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইউএইচএন্ডএফপিও ডা. একরামুল হক জানান, সেকমো ডা. রায়হান কবিরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ৩০, ৩১ আগস্ট ও ১ সেপ্টেম্বর এই তিন দিনের মধ্যে তাঁকে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।তিনি বলেন, “কোনো সেকমো বা চিকিৎসকই এ ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক লিখতে পারেন না।”এ বিষয়ে মেহেরপুরের সিভিল সার্জন বলেন, যেহেতু ডা. রায়হান কবিরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তাই তাঁর জবাব পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
গাংনীতে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে সেকমোর প্রেসক্রিপশন
0:00 0:00
1.0x