১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া অভিযোগে দুলাল মিয়া দাবি করেন, জেসমিন আক্তার বর্তমানে গুজাদিয়া আবদুল হেকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আয়্যা পদে কর্মরত। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ওই পদে নিয়োগ পাওয়ার সময় তাঁর বয়স, পূর্বের বিবাহ এবং অন্যান্য তথ্য গোপন করা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, জেসমিন আক্তারকে চাকরি পাইয়ে দিতে বিভিন্ন সময়ে মোট ৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে। এ অর্থ লেনদেনে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি, ইউপি সদস্য ও সংশ্লিষ্টদের সম্পৃক্ততার অভিযোগও করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে চূড়ান্ত প্রমাণের বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষ।
দুলাল মিয়ার অভিযোগ, জেসমিন আক্তার ১৯ মার্চ ২০২৩ তারিখে বিদ্যালয়ে আয়্যা পদে যোগদান করেন। তাঁর দাবি, চাকরিতে যোগদানের সময় জেসমিনের বয়স সরকারি চাকরির নির্ধারিত বয়সসীমার চেয়ে বেশি ছিল। এ ছাড়া অষ্টম শ্রেণির সনদসহ নিয়োগের সময় দাখিল করা বিভিন্ন কাগজপত্রের বৈধতা ও তথ্যের সঠিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
অভিযোগে আরও দাবি করা হয়, জেসমিন আক্তারের এর আগে একাধিক বিয়ে হয়েছিল। এসব তথ্য গোপন করে চাকরিতে নিয়োগ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগকারীর দাবি। তিনি এ বিষয়ে কাবিননামা, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং বিদ্যালয়ে দাখিল করা বিভিন্ন কাগজপত্রের অনুলিপি অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত করেছেন।
অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, চাকরি পাওয়ার পর জেসমিন আক্তার বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন এবং তাঁকেও ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে তাঁদের দাম্পত্য সম্পর্কে অবনতি ঘটে। পরে জেসমিন আক্তার তাঁকে তালাক দেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুলাল মিয়া জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া আবেদনে জেসমিন আক্তারের নিয়োগের সময় দাখিল করা শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, বয়স, পূর্বের বিবাহের তথ্য এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়েছিল কি না, তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযোগে উত্থাপিত দাবিগুলোর স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে গুজাদিয়া আবদুল হেকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও জেসমিন আক্তারের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মতামত