জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
সারাদেশ

সারাদেশ

যুবদল কর্মীর বিরুদ্ধে পাহাড় কাঁটার অভিযোগ

যুবদল কর্মীর বিরুদ্ধে পাহাড় কাঁটার অভিযোগ
কালো চাদরে ঢাকা ক্ষতবিক্ষত পাহাড়ের চিত্র।

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নে যুবদল কর্মী সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে পাহাড় কাটার অভিযোগ উঠেছে। 

সরেজমিনের দেখা যায়, উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের মাইজবিলা গ্রামের ৭নং ওয়ার্ড মধু ফকির পাড়া এলাকায় কাল পর্দায় ঘেরা একটি বিশাল পাহাড় স্কেভেটর দিয়ে কেটে সাবাড় করা হচ্ছে। 

অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমার খতিয়ানভুক্ত জায়গায় বাড়ি করার জন্য পাহাড়টি কাটার সিদ্ধান্ত নিই। কিন্তু স্থানীয় সৈয়দ মেম্বার, জিয়াবুল পাহাড়টি কেটে দিতে হলে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। তাই আমি নাজমুল মোস্তফা আমিন ভাইকে জানালে তিনি আমাকে ইউএনও’র মাধ্যমে অনুমতি নিয়ে দেন। 

অনুমতি নিয়ে দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী নামজুল মোস্তফা আমিন জানান, আমার কোন কর্মীকে অন্যায়ে আশ্রয় প্রস্রয় দিইনা বলে আমার কাছ থেকে অনেক সরে গেছে। কিন্তু আমি পাহাড় কাটা ও সব ধরণের অন্যায়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। আমি কখনই কোন কর্মী বা কাহাকেউ পাহাড় কাটার অনুমতি ইউএনও থেকে নিয়ে দেওয়া দূরের কথা আমি কখনও প্রস্রইও দিইনি। আমার কোন কর্মী যদি এমন অপরাধের সাথে জড়িত থাকে আমি এর কটোর ব্যবস্থা নিব আপনারাও তার বিরুদ্ধে কটোরভাবে নিউজ করুন।

পাহাড় কাটার অনুমতি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বায়েজিদ বিন আকন্দ জানান, পাহাড় কাটার কোনো সুযোগ নেই এবং প্রশাসন থেকে কাউকে এ ধরনের কোনো অনুমতি দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। পরিবেশ ও পাহাড় সুরক্ষায় প্রশাসন অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ঘটনাস্থলে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে জড়িতদের বিরুদ্ধে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


যুবদল কর্মীর বিরুদ্ধে পাহাড় কাঁটার অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নে যুবদল কর্মী সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে পাহাড় কাটার অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনের দেখা যায়, উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের মাইজবিলা গ্রামের ৭নং ওয়ার্ড মধু ফকির পাড়া এলাকায় কাল পর্দায় ঘেরা একটি বিশাল পাহাড় স্কেভেটর দিয়ে কেটে সাবাড় করা হচ্ছে। অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমার খতিয়ানভুক্ত জায়গায় বাড়ি করার জন্য পাহাড়টি কাটার সিদ্ধান্ত নিই। কিন্তু স্থানীয় সৈয়দ মেম্বার, জিয়াবুল পাহাড়টি কেটে দিতে হলে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। তাই আমি নাজমুল মোস্তফা আমিন ভাইকে জানালে তিনি আমাকে ইউএনও’র মাধ্যমে অনুমতি নিয়ে দেন। অনুমতি নিয়ে দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী নামজুল মোস্তফা আমিন জানান, আমার কোন কর্মীকে অন্যায়ে আশ্রয় প্রস্রয় দিইনা বলে আমার কাছ থেকে অনেক সরে গেছে। কিন্তু আমি পাহাড় কাটা ও সব ধরণের অন্যায়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। আমি কখনই কোন কর্মী বা কাহাকেউ পাহাড় কাটার অনুমতি ইউএনও থেকে নিয়ে দেওয়া দূরের কথা আমি কখনও প্রস্রইও দিইনি। আমার কোন কর্মী যদি এমন অপরাধের সাথে জড়িত থাকে আমি এর কটোর ব্যবস্থা নিব আপনারাও তার বিরুদ্ধে কটোরভাবে নিউজ করুন।পাহাড় কাটার অনুমতি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বায়েজিদ বিন আকন্দ জানান, পাহাড় কাটার কোনো সুযোগ নেই এবং প্রশাসন থেকে কাউকে এ ধরনের কোনো অনুমতি দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। পরিবেশ ও পাহাড় সুরক্ষায় প্রশাসন অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ঘটনাস্থলে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে জড়িতদের বিরুদ্ধে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
যুবদল কর্মীর বিরুদ্ধে পাহাড় কাঁটার অভিযোগ
0:00 0:00
1.0x