জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
সাক্ষাৎকার

সাক্ষাৎকার

কোম্পানীগঞ্জে সরকারি খাল দখল করে মাদ্রাসা,  সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ‎ ‎নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ  প্রতিনিধি: আবদুল আউয়াল  ০৭-০৯--২০২৬ইং  ‎নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার গোয়ালেরপোল মঈনুল উলুম মাদ্রাসায় সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। মাদ্রাসার ভেতরে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে এ উত্তেজনার সৃষ্টি হয় বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং হামলার অভিযোগ করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। ‎ ‎মীরের পৌলের গোনার গাড়ি অভিভাবক  হোসনেয়ারা বেগম অভিযোগ করেন গতরাত থেকে মাদ্রাসায় ভর্তি থাকা  আমার সন্তানসহ দুই শিশুকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বিষয়টি জানাজানি হলে আমরা  মাদ্রাসায় খোঁজ নিতে আসি। পরে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে মাদ্রাসার ভেতরের পরিস্থিতি ভিডিও ধারণ করতে গেলে মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে । ‎ ‎এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসাটির বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। ‎ ‎স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন সময়ে ওয়াজ মাহফিলের মঞ্চে অতিথি ও বক্তাদের লাঞ্ছিত করার মতো ঘটনাও এ মাদ্রাসার সঙ্গে জড়িত রয়েছে।  এখানকার শিক্ষাক্ষ শিক্ষার্থীদের আচরণে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রকাশ পেয়েছে বহু আগ থেকে। এসব কিছু প্রতিবাদ করার সাহস ছিল না এলাকাবাসীর। কারণ তারা বিগত সরকার আমলের প্রভাবশালী ওলামা লীগের দায়িত্বের থেকে এই মাদ্রাসা সৃষ্টি করে।  ‎ ‎এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, আওয়ামী সরকারের আমলে প্রভাবশালী ওলামা আলীগের একটি মহল সরকারি খাল দখল করে সেখানে মাদ্রাসার কার্যক্রম শুরু করে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করে এলাকাবাসী এতদিন  কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখাননি। অনেকে আরো খোব প্রকাশ করে বলেন, এদেরকে দিয়ে আওয়ামী লীগ আমলে জঙ্গি  কর্মকান্ড মত অপকর্মা করানো হতো। দিনের বেলায় ছাত্র ও রাতের বেলায় শীর্ষ জঙ্গি নেতাকর্মী। ‎কিন্তু সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে তারা ক্ষুব্ধ ও অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করেন। ‎ ‎তাদের দাবি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো ধরনের আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড, সাংবাদিকদের ওপর হামলা কিংবা সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণ মেনে নেওয়া যায় না। অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। ‎ ‎এ বিষয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নিতে গেলে বক্তব্য দিতে অস্বীকার করে, তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে। ‎ ‎ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে সাংবাদিকদের ওপর হামলার, ক্যামেরা ধরার বিচার, শিশু নিখোঁজের বিষয় এবং সরকারি সম্পত্তি দখলের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এখন থেকে না থামানো না গেলে এরা ভবিষ্যতে জঙ্গি সংগঠন  গড়ে তুলবে। এখানে সেসব শিক্ষাই প্রদান করা হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। ‎

কোম্পানীগঞ্জে সরকারি খাল দখল করে মাদ্রাসা,  সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ‎ ‎নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি: আবদুল আউয়াল ০৭-০৯--২০২৬ইং ‎নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার গোয়ালেরপোল মঈনুল উলুম মাদ্রাসায় সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। মাদ্রাসার ভেতরে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে এ উত্তেজনার সৃষ্টি হয় বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং হামলার অভিযোগ করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। ‎ ‎মীরের পৌলের গোনার গাড়ি অভিভাবক  হোসনেয়ারা বেগম অভিযোগ করেন গতরাত থেকে মাদ্রাসায় ভর্তি থাকা  আমার সন্তানসহ দুই শিশুকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বিষয়টি জানাজানি হলে আমরা  মাদ্রাসায় খোঁজ নিতে আসি। পরে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে মাদ্রাসার ভেতরের পরিস্থিতি ভিডিও ধারণ করতে গেলে মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে । ‎ ‎এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসাটির বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। ‎ ‎স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন সময়ে ওয়াজ মাহফিলের মঞ্চে অতিথি ও বক্তাদের লাঞ্ছিত করার মতো ঘটনাও এ মাদ্রাসার সঙ্গে জড়িত রয়েছে।  এখানকার শিক্ষাক্ষ শিক্ষার্থীদের আচরণে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রকাশ পেয়েছে বহু আগ থেকে। এসব কিছু প্রতিবাদ করার সাহস ছিল না এলাকাবাসীর। কারণ তারা বিগত সরকার আমলের প্রভাবশালী ওলামা লীগের দায়িত্বের থেকে এই মাদ্রাসা সৃষ্টি করে। ‎ ‎এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, আওয়ামী সরকারের আমলে প্রভাবশালী ওলামা আলীগের একটি মহল সরকারি খাল দখল করে সেখানে মাদ্রাসার কার্যক্রম শুরু করে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করে এলাকাবাসী এতদিন  কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখাননি। অনেকে আরো খোব প্রকাশ করে বলেন, এদেরকে দিয়ে আওয়ামী লীগ আমলে জঙ্গি  কর্মকান্ড মত অপকর্মা করানো হতো। দিনের বেলায় ছাত্র ও রাতের বেলায় শীর্ষ জঙ্গি নেতাকর্মী। ‎কিন্তু সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে তারা ক্ষুব্ধ ও অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করেন। ‎ ‎তাদের দাবি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো ধরনের আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড, সাংবাদিকদের ওপর হামলা কিংবা সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণ মেনে নেওয়া যায় না। অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। ‎ ‎এ বিষয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নিতে গেলে বক্তব্য দিতে অস্বীকার করে, তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে। ‎ ‎ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে সাংবাদিকদের ওপর হামলার, ক্যামেরা ধরার বিচার, শিশু নিখোঁজের বিষয় এবং সরকারি সম্পত্তি দখলের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এখন থেকে না থামানো না গেলে এরা ভবিষ্যতে জঙ্গি সংগঠন  গড়ে তুলবে। এখানে সেসব শিক্ষাই প্রদান করা হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। ‎

কোম্পানীগঞ্জে সরকারি খাল দখল করে মাদ্রাসা,  সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ‎ ‎নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি: আবদুল আউয়াল ০৭-০৯--২০২৬ইং ‎নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার গোয়ালেরপোল মঈনুল উলুম মাদ্রাসায় সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। মাদ্রাসার ভেতরে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে এ উত্তেজনার সৃষ্টি হয় বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং হামলার অভিযোগ করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। ‎ ‎মীরের পৌলের গোনার গাড়ি অভিভাবক  হোসনেয়ারা বেগম অভিযোগ করেন গতরাত থেকে মাদ্রাসায় ভর্তি থাকা  আমার সন্তানসহ দুই শিশুকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বিষয়টি জানাজানি হলে আমরা  মাদ্রাসায় খোঁজ নিতে আসি। পরে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে মাদ্রাসার ভেতরের পরিস্থিতি ভিডিও ধারণ করতে গেলে মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে । ‎ ‎এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসাটির বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। ‎ ‎স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন সময়ে ওয়াজ মাহফিলের মঞ্চে অতিথি ও বক্তাদের লাঞ্ছিত করার মতো ঘটনাও এ মাদ্রাসার সঙ্গে জড়িত রয়েছে।  এখানকার শিক্ষাক্ষ শিক্ষার্থীদের আচরণে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রকাশ পেয়েছে বহু আগ থেকে। এসব কিছু প্রতিবাদ করার সাহস ছিল না এলাকাবাসীর। কারণ তারা বিগত সরকার আমলের প্রভাবশালী ওলামা লীগের দায়িত্বের থেকে এই মাদ্রাসা সৃষ্টি করে। ‎ ‎এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, আওয়ামী সরকারের আমলে প্রভাবশালী ওলামা আলীগের একটি মহল সরকারি খাল দখল করে সেখানে মাদ্রাসার কার্যক্রম শুরু করে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করে এলাকাবাসী এতদিন  কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখাননি। অনেকে আরো খোব প্রকাশ করে বলেন, এদেরকে দিয়ে আওয়ামী লীগ আমলে জঙ্গি  কর্মকান্ড মত অপকর্মা করানো হতো। দিনের বেলায় ছাত্র ও রাতের বেলায় শীর্ষ জঙ্গি নেতাকর্মী। ‎কিন্তু সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে তারা ক্ষুব্ধ ও অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করেন। ‎ ‎তাদের দাবি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো ধরনের আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড, সাংবাদিকদের ওপর হামলা কিংবা সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণ মেনে নেওয়া যায় না। অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। ‎ ‎এ বিষয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নিতে গেলে বক্তব্য দিতে অস্বীকার করে, তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে। ‎ ‎ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে সাংবাদিকদের ওপর হামলার, ক্যামেরা ধরার বিচার, শিশু নিখোঁজের বিষয় এবং সরকারি সম্পত্তি দখলের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এখন থেকে না থামানো না গেলে এরা ভবিষ্যতে জঙ্গি সংগঠন  গড়ে তুলবে। এখানে সেসব শিক্ষাই প্রদান করা হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। ‎

কোম্পানীগঞ্জে সরকারি খাল দখল করে মাদ্রাসা,  সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ‎ ‎নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি: আবদুল আউয়াল ০৭-০৯--২০২৬ইং ‎নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার গোয়ালেরপোল মঈনুল উলুম মাদ্রাসায় সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। মাদ্রাসার ভেতরে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে এ উত্তেজনার সৃষ্টি হয় বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং হামলার অভিযোগ করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। ‎ ‎মীরের পৌলের গোনার গাড়ি অভিভাবক  হোসনেয়ারা বেগম অভিযোগ করেন গতরাত থেকে মাদ্রাসায় ভর্তি থাকা  আমার সন্তানসহ দুই শিশুকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বিষয়টি জানাজানি হলে আমরা  মাদ্রাসায় খোঁজ নিতে আসি। পরে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে মাদ্রাসার ভেতরের পরিস্থিতি ভিডিও ধারণ করতে গেলে মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে । ‎ ‎এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসাটির বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। ‎ ‎স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন সময়ে ওয়াজ মাহফিলের মঞ্চে অতিথি ও বক্তাদের লাঞ্ছিত করার মতো ঘটনাও এ মাদ্রাসার সঙ্গে জড়িত রয়েছে।  এখানকার শিক্ষাক্ষ শিক্ষার্থীদের আচরণে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রকাশ পেয়েছে বহু আগ থেকে। এসব কিছু প্রতিবাদ করার সাহস ছিল না এলাকাবাসীর। কারণ তারা বিগত সরকার আমলের প্রভাবশালী ওলামা লীগের দায়িত্বের থেকে এই মাদ্রাসা সৃষ্টি করে। ‎ ‎এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, আওয়ামী সরকারের আমলে প্রভাবশালী ওলামা আলীগের একটি মহল সরকারি খাল দখল করে সেখানে মাদ্রাসার কার্যক্রম শুরু করে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করে এলাকাবাসী এতদিন  কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখাননি। অনেকে আরো খোব প্রকাশ করে বলেন, এদেরকে দিয়ে আওয়ামী লীগ আমলে জঙ্গি  কর্মকান্ড মত অপকর্মা করানো হতো। দিনের বেলায় ছাত্র ও রাতের বেলায় শীর্ষ জঙ্গি নেতাকর্মী। ‎কিন্তু সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে তারা ক্ষুব্ধ ও অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করেন। ‎ ‎তাদের দাবি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো ধরনের আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড, সাংবাদিকদের ওপর হামলা কিংবা সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণ মেনে নেওয়া যায় না। অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। ‎ ‎এ বিষয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নিতে গেলে বক্তব্য দিতে অস্বীকার করে, তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে। ‎ ‎ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে সাংবাদিকদের ওপর হামলার, ক্যামেরা ধরার বিচার, শিশু নিখোঁজের বিষয় এবং সরকারি সম্পত্তি দখলের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এখন থেকে না থামানো না গেলে এরা ভবিষ্যতে জঙ্গি সংগঠন  গড়ে তুলবে। এখানে সেসব শিক্ষাই প্রদান করা হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। ‎

কোম্পানীগঞ্জে সরকারি খাল দখল করে মাদ্রাসা,  সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ‎ ‎নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ  প্রতিনিধি: আবদুল আউয়াল  ০৭-০৯--২০২৬ইং  ‎নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার গোয়ালেরপোল মঈনুল উলুম মাদ্রাসায় সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। মাদ্রাসার ভেতরে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে এ উত্তেজনার সৃষ্টি হয় বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং হামলার অভিযোগ করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। ‎ ‎মীরের পৌলের গোনার গাড়ি অভিভাবক  হোসনেয়ারা বেগম অভিযোগ করেন গতরাত থেকে মাদ্রাসায় ভর্তি থাকা  আমার সন্তানসহ দুই শিশুকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বিষয়টি জানাজানি হলে আমরা  মাদ্রাসায় খোঁজ নিতে আসি। পরে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে মাদ্রাসার ভেতরের পরিস্থিতি ভিডিও ধারণ করতে গেলে মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে । ‎ ‎এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসাটির বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। ‎ ‎স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন সময়ে ওয়াজ মাহফিলের মঞ্চে অতিথি ও বক্তাদের লাঞ্ছিত করার মতো ঘটনাও এ মাদ্রাসার সঙ্গে জড়িত রয়েছে।  এখানকার শিক্ষাক্ষ শিক্ষার্থীদের আচরণে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রকাশ পেয়েছে বহু আগ থেকে। এসব কিছু প্রতিবাদ করার সাহস ছিল না এলাকাবাসীর। কারণ তারা বিগত সরকার আমলের প্রভাবশালী ওলামা লীগের দায়িত্বের থেকে এই মাদ্রাসা সৃষ্টি করে।  ‎ ‎এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, আওয়ামী সরকারের আমলে প্রভাবশালী ওলামা আলীগের একটি মহল সরকারি খাল দখল করে সেখানে মাদ্রাসার কার্যক্রম শুরু করে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করে এলাকাবাসী এতদিন  কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখাননি। অনেকে আরো খোব প্রকাশ করে বলেন, এদেরকে দিয়ে আওয়ামী লীগ আমলে জঙ্গি  কর্মকান্ড মত অপকর্মা করানো হতো। দিনের বেলায় ছাত্র ও রাতের বেলায় শীর্ষ জঙ্গি নেতাকর্মী। ‎কিন্তু সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে তারা ক্ষুব্ধ ও অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করেন। ‎ ‎তাদের দাবি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো ধরনের আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড, সাংবাদিকদের ওপর হামলা কিংবা সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণ মেনে নেওয়া যায় না। অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। ‎ ‎এ বিষয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নিতে গেলে বক্তব্য দিতে অস্বীকার করে, তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে। ‎ ‎ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে সাংবাদিকদের ওপর হামলার, ক্যামেরা ধরার বিচার, শিশু নিখোঁজের বিষয় এবং সরকারি সম্পত্তি দখলের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এখন থেকে না থামানো না গেলে এরা ভবিষ্যতে জঙ্গি সংগঠন  গড়ে তুলবে। এখানে সেসব শিক্ষাই প্রদান করা হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। ‎

কোম্পানীগঞ্জে সরকারি খাল দখল করে মাদ্রাসা,  সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

‎

‎নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ  প্রতিনিধি:

আবদুল আউয়াল 

০৭-০৯--২০২৬ইং

‎নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার গোয়ালেরপোল মঈনুল উলুম মাদ্রাসায় সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। মাদ্রাসার ভেতরে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে এ উত্তেজনার সৃষ্টি হয় বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং হামলার অভিযোগ করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

‎

‎মীরের পৌলের গোনার গাড়ি অভিভাবক  হোসনেয়ারা বেগম অভিযোগ করেন গতরাত থেকে মাদ্রাসায় ভর্তি থাকা  আমার সন্তানসহ দুই শিশুকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বিষয়টি জানাজানি হলে আমরা  মাদ্রাসায় খোঁজ নিতে আসি। পরে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে মাদ্রাসার ভেতরের পরিস্থিতি ভিডিও ধারণ করতে গেলে মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে ।

‎এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসাটির বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

‎স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন সময়ে ওয়াজ মাহফিলের মঞ্চে অতিথি ও বক্তাদের লাঞ্ছিত করার মতো ঘটনাও এ মাদ্রাসার সঙ্গে জড়িত রয়েছে।  এখানকার শিক্ষাক্ষ শিক্ষার্থীদের আচরণে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রকাশ পেয়েছে বহু আগ থেকে। এসব কিছু প্রতিবাদ করার সাহস ছিল না এলাকাবাসীর। কারণ তারা বিগত সরকার আমলের প্রভাবশালী ওলামা লীগের দায়িত্বের থেকে এই মাদ্রাসা সৃষ্টি করে। 

‎এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, আওয়ামী সরকারের আমলে প্রভাবশালী ওলামা আলীগের একটি মহল সরকারি খাল দখল করে সেখানে মাদ্রাসার কার্যক্রম শুরু করে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করে এলাকাবাসী এতদিন  কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখাননি। অনেকে আরো খোব প্রকাশ করে বলেন, এদেরকে দিয়ে আওয়ামী লীগ আমলে জঙ্গি  কর্মকান্ড মত অপকর্মা করানো হতো। দিনের বেলায় ছাত্র ও রাতের বেলায় শীর্ষ জঙ্গি নেতাকর্মী।

‎কিন্তু সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে তারা ক্ষুব্ধ ও অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করেন।

‎তাদের দাবি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো ধরনের আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড, সাংবাদিকদের ওপর হামলা কিংবা সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণ মেনে নেওয়া যায় না। অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

‎এ বিষয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নিতে গেলে বক্তব্য দিতে অস্বীকার করে, তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।

‎ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে সাংবাদিকদের ওপর হামলার, ক্যামেরা ধরার বিচার, শিশু নিখোঁজের বিষয় এবং সরকারি সম্পত্তি দখলের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এখন থেকে না থামানো না গেলে এরা ভবিষ্যতে জঙ্গি সংগঠন  গড়ে তুলবে। এখানে সেসব শিক্ষাই প্রদান করা হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।

‎

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


কোম্পানীগঞ্জে সরকারি খাল দখল করে মাদ্রাসা,  সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ‎ ‎নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি: আবদুল আউয়াল ০৭-০৯--২০২৬ইং ‎নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার গোয়ালেরপোল মঈনুল উলুম মাদ্রাসায় সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। মাদ্রাসার ভেতরে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে এ উত্তেজনার সৃষ্টি হয় বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং হামলার অভিযোগ করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। ‎ ‎মীরের পৌলের গোনার গাড়ি অভিভাবক  হোসনেয়ারা বেগম অভিযোগ করেন গতরাত থেকে মাদ্রাসায় ভর্তি থাকা  আমার সন্তানসহ দুই শিশুকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বিষয়টি জানাজানি হলে আমরা  মাদ্রাসায় খোঁজ নিতে আসি। পরে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে মাদ্রাসার ভেতরের পরিস্থিতি ভিডিও ধারণ করতে গেলে মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে । ‎ ‎এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসাটির বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। ‎ ‎স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন সময়ে ওয়াজ মাহফিলের মঞ্চে অতিথি ও বক্তাদের লাঞ্ছিত করার মতো ঘটনাও এ মাদ্রাসার সঙ্গে জড়িত রয়েছে।  এখানকার শিক্ষাক্ষ শিক্ষার্থীদের আচরণে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রকাশ পেয়েছে বহু আগ থেকে। এসব কিছু প্রতিবাদ করার সাহস ছিল না এলাকাবাসীর। কারণ তারা বিগত সরকার আমলের প্রভাবশালী ওলামা লীগের দায়িত্বের থেকে এই মাদ্রাসা সৃষ্টি করে। ‎ ‎এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, আওয়ামী সরকারের আমলে প্রভাবশালী ওলামা আলীগের একটি মহল সরকারি খাল দখল করে সেখানে মাদ্রাসার কার্যক্রম শুরু করে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করে এলাকাবাসী এতদিন  কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখাননি। অনেকে আরো খোব প্রকাশ করে বলেন, এদেরকে দিয়ে আওয়ামী লীগ আমলে জঙ্গি  কর্মকান্ড মত অপকর্মা করানো হতো। দিনের বেলায় ছাত্র ও রাতের বেলায় শীর্ষ জঙ্গি নেতাকর্মী। ‎কিন্তু সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে তারা ক্ষুব্ধ ও অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করেন। ‎ ‎তাদের দাবি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো ধরনের আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড, সাংবাদিকদের ওপর হামলা কিংবা সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণ মেনে নেওয়া যায় না। অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। ‎ ‎এ বিষয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নিতে গেলে বক্তব্য দিতে অস্বীকার করে, তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে। ‎ ‎ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে সাংবাদিকদের ওপর হামলার, ক্যামেরা ধরার বিচার, শিশু নিখোঁজের বিষয় এবং সরকারি সম্পত্তি দখলের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এখন থেকে না থামানো না গেলে এরা ভবিষ্যতে জঙ্গি সংগঠন  গড়ে তুলবে। এখানে সেসব শিক্ষাই প্রদান করা হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। ‎

প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
কোম্পানীগঞ্জে সরকারি খাল দখল করে মাদ্রাসা,  সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী‎‎নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ  প্রতিনিধি:আবদুল আউয়াল ০৭-০৯--২০২৬ইং‎নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার গোয়ালেরপোল মঈনুল উলুম মাদ্রাসায় সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। মাদ্রাসার ভেতরে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে এ উত্তেজনার সৃষ্টি হয় বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং হামলার অভিযোগ করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।‎‎মীরের পৌলের গোনার গাড়ি অভিভাবক  হোসনেয়ারা বেগম অভিযোগ করেন গতরাত থেকে মাদ্রাসায় ভর্তি থাকা  আমার সন্তানসহ দুই শিশুকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বিষয়টি জানাজানি হলে আমরা  মাদ্রাসায় খোঁজ নিতে আসি। পরে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে মাদ্রাসার ভেতরের পরিস্থিতি ভিডিও ধারণ করতে গেলে মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে ।‎এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসাটির বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।‎স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন সময়ে ওয়াজ মাহফিলের মঞ্চে অতিথি ও বক্তাদের লাঞ্ছিত করার মতো ঘটনাও এ মাদ্রাসার সঙ্গে জড়িত রয়েছে।  এখানকার শিক্ষাক্ষ শিক্ষার্থীদের আচরণে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রকাশ পেয়েছে বহু আগ থেকে। এসব কিছু প্রতিবাদ করার সাহস ছিল না এলাকাবাসীর। কারণ তারা বিগত সরকার আমলের প্রভাবশালী ওলামা লীগের দায়িত্বের থেকে এই মাদ্রাসা সৃষ্টি করে। ‎এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, আওয়ামী সরকারের আমলে প্রভাবশালী ওলামা আলীগের একটি মহল সরকারি খাল দখল করে সেখানে মাদ্রাসার কার্যক্রম শুরু করে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করে এলাকাবাসী এতদিন  কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখাননি। অনেকে আরো খোব প্রকাশ করে বলেন, এদেরকে দিয়ে আওয়ামী লীগ আমলে জঙ্গি  কর্মকান্ড মত অপকর্মা করানো হতো। দিনের বেলায় ছাত্র ও রাতের বেলায় শীর্ষ জঙ্গি নেতাকর্মী।‎কিন্তু সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে তারা ক্ষুব্ধ ও অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করেন।‎তাদের দাবি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো ধরনের আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড, সাংবাদিকদের ওপর হামলা কিংবা সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণ মেনে নেওয়া যায় না। অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।‎এ বিষয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নিতে গেলে বক্তব্য দিতে অস্বীকার করে, তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।‎ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে সাংবাদিকদের ওপর হামলার, ক্যামেরা ধরার বিচার, শিশু নিখোঁজের বিষয় এবং সরকারি সম্পত্তি দখলের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এখন থেকে না থামানো না গেলে এরা ভবিষ্যতে জঙ্গি সংগঠন  গড়ে তুলবে। এখানে সেসব শিক্ষাই প্রদান করা হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।‎

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
কোম্পানীগঞ্জে সরকারি খাল দখল করে মাদ্রাসা,  সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ‎ ‎নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি: আবদুল আউয়াল ০৭-০৯--২০২৬ইং ‎নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার গোয়ালেরপোল মঈনুল উলুম মাদ্রাসায় সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। মাদ্রাসার ভেতরে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে এ উত্তেজনার সৃষ্টি হয় বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং হামলার অভিযোগ করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। ‎ ‎মীরের পৌলের গোনার গাড়ি অভিভাবক  হোসনেয়ারা বেগম অভিযোগ করেন গতরাত থেকে মাদ্রাসায় ভর্তি থাকা  আমার সন্তানসহ দুই শিশুকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বিষয়টি জানাজানি হলে আমরা  মাদ্রাসায় খোঁজ নিতে আসি। পরে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে মাদ্রাসার ভেতরের পরিস্থিতি ভিডিও ধারণ করতে গেলে মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে । ‎ ‎এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসাটির বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। ‎ ‎স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন সময়ে ওয়াজ মাহফিলের মঞ্চে অতিথি ও বক্তাদের লাঞ্ছিত করার মতো ঘটনাও এ মাদ্রাসার সঙ্গে জড়িত রয়েছে।  এখানকার শিক্ষাক্ষ শিক্ষার্থীদের আচরণে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রকাশ পেয়েছে বহু আগ থেকে। এসব কিছু প্রতিবাদ করার সাহস ছিল না এলাকাবাসীর। কারণ তারা বিগত সরকার আমলের প্রভাবশালী ওলামা লীগের দায়িত্বের থেকে এই মাদ্রাসা সৃষ্টি করে। ‎ ‎এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, আওয়ামী সরকারের আমলে প্রভাবশালী ওলামা আলীগের একটি মহল সরকারি খাল দখল করে সেখানে মাদ্রাসার কার্যক্রম শুরু করে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করে এলাকাবাসী এতদিন  কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখাননি। অনেকে আরো খোব প্রকাশ করে বলেন, এদেরকে দিয়ে আওয়ামী লীগ আমলে জঙ্গি  কর্মকান্ড মত অপকর্মা করানো হতো। দিনের বেলায় ছাত্র ও রাতের বেলায় শীর্ষ জঙ্গি নেতাকর্মী। ‎কিন্তু সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে তারা ক্ষুব্ধ ও অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করেন। ‎ ‎তাদের দাবি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো ধরনের আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড, সাংবাদিকদের ওপর হামলা কিংবা সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণ মেনে নেওয়া যায় না। অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। ‎ ‎এ বিষয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নিতে গেলে বক্তব্য দিতে অস্বীকার করে, তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে। ‎ ‎ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে সাংবাদিকদের ওপর হামলার, ক্যামেরা ধরার বিচার, শিশু নিখোঁজের বিষয় এবং সরকারি সম্পত্তি দখলের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এখন থেকে না থামানো না গেলে এরা ভবিষ্যতে জঙ্গি সংগঠন  গড়ে তুলবে। এখানে সেসব শিক্ষাই প্রদান করা হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। ‎
0:00 0:00
1.0x