বদরের যুদ্ধে রাসুল (দঃ) বন্দিদের সাথে যে ব্যাবহার করছে আমরা তার থেকে কি শিখলাম? একজন বন্দিকেও জোর করে ইসলাম গ্রহনে বাধ্য করেনি, কাউকে হত্যা করেনি,সবার সাথে সদাচারন করেছেন,এমন কি বন্দি মহিলা যে খানে দাসি হওয়ার প্রথা ছিলো সেখানে তিনি স্ত্রীর মর্যদা দিয়েছেন,আর আমরা কি করি?যদি আমার মতের সাথে মিল না হয় সাধ্য অনুযায়ী তাকে গালিগালাজ করি,ক্ষমতা থাকলে হয়তো তাকে নিধন করে বাড়ি ঘড় জ্বালিয়ে দিতেও দ্বিধা করতামনা,এর নাম কি ইসলাম? ইসলাম কারও উপর বলপ্রয়োগে উৎসাহীত করেনি,যদি সে কাফির মুশরিক না হয়,এবং যুদ্ধে না আসে অস্রধারণ না করে তা হলে কারও উপর আক্রমণ ইসলাম অনুমোদন করেনা,অথচ আমরা এক মুসলিম অপর মুসলিমকে যা ইচ্ছে তাই বলে ভৎসনা করি, যদিও আমরা কেউ নিস্পাপ নই,কোন অবস্থায় এক মুসলিম অপর মুসলিমের ইজ্বাত নস্ট করার অধিকার রাখেনা,
হাদিসে আছে তুমি যদি কারও দোষত্রুটি ঢেকে রাখো আল্লাহ তোমার দোষত্রুটি কিয়ামতের দিন ঢেকে রাখবে,আমরা তার উল্টা করি দোষ না থাকলেও প্রতিহিংসার কারণে দোষ সৃস্টি করি।
আল্লাহ সকলকে সঠিক রাস্তায় পরিচালিত করুক।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মতামত