জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব

মনোয়ারুল ইসলাম রংপুর জেলা প্রতিনিধি

রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় চারখুনের ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হেনস্থার শিকার সাংবাদিক

রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় চারখুনের ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হেনস্থার শিকার সাংবাদিক
রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় চারখুনের ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হেনস্থার শিকার সাংবাদিক

রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় চার খুনের ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে 'মব' তৈরি করে সাংবাদিককে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে হত্যায় অভিযুক্ত হয়ে গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের ভাই পার্থ দাসের বিরুদ্ধে। স্থানীয় লোকজনকে জড়ো করে খবরের কাগজের প্রতিনিধি সেলিম সরকারকে হেনস্থা করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে মাছুয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

হেনস্থার শিকার সাংবাদিক সেলিম সরকার বলেন, চার খুনের ঘটনার সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে ও সংবাদ সংগ্রহ করতে তিনজন সহকর্মীর সাথে শনিবার বিকেলে ঘটনাস্থলে যান তিনি। পরে পাশের বৈরাগীপাড়া এলাকায় যাওয়ার সময় পার্থ দাস তার মোটরসাইকেল আটকে দেন এবং চাবি কেড়ে নেন।

সেলিম সরকার বলেন, এ সময় পার্থ দাস চিৎকার করে আশপাশের লোকজনকে জড়ো করেন। পরে উপস্থিত লোকজনের সামনে পার্থ তাকে নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ করেন এবং বলেন, তিনি গলিতে ঢুকেছিলেন এবং তার ব্যাগে কিছু রয়েছে। এরপর তার সঙ্গে উগ্র আচরণ করা হয়।

তিনি বলেন, একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয় কয়েকজন সেখানে জড়ো হন। পরে ঘটনাস্থলে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল আসে। ওই সাংবাদিকের ব্যাগে কী রয়েছে, তা পরীক্ষা করতে উগ্র আচরণ করেন শুরু করে পার্থ দাস। পরে ডিবি সদস্যরা ব্যাগটি খুলে দেখান। সেখানে সন্দেহজনক কিছু না পাওয়ার পর তাকে যেতে দেওয়া হয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হোসেন নামে আরেক সংবাদকর্মী জানান, মব সৃষ্টি করে সাংবাদিককে হেনস্তা করে পার্থ।এ সময় তারা কয়েকজন তাকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও উল্টো সবাইকে দোষ দিয়ে রাগারাগি করে পার্থ। 

ঢাকা পোস্টের নিজস্ব প্রতিবেদক ফরহাদুজ্জামান ফারুক বলেন,  প্রথম দিন থেকেই পার্থ দাস এবং তার বাবা বিনয় দাস একেক সময় একেক রকম বক্তব্য দিচ্ছেন। এবং তারা মাঝেমধ্যে উগ্র আচরণ করছেন।  তাদের এমন পরস্পরবিরোধী ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলেই তারা সাংবাদিকদের উপর ক্ষেপে যাচ্ছেন। এবং তারা চাচ্ছেন না এখানে সংবাদ কর্মীরা কাজ করতে আসুক।  

হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থলের ওই বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) জসিম উদ্দিন বলেন, খবরের কাগজের প্রতিনিধি সেলিম সরকারকে আটক করে হেনস্থা করা হয়েছে। পরে ডিবির কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে তার ব্যাগ খুলে দেখান। ব্যাগে ওই সাংবাদিকের ব্যবহৃত জিনিসপত্র ছাড়া আর কিছু পাওয়া যায়নি।

রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় চার খুনের ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে 'মব' তৈরি করে সাংবাদিককে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে হত্যায় অভিযুক্ত হয়ে গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের ভাই পার্থ দাসের বিরুদ্ধে। স্থানীয় লোকজনকে জড়ো করে খবরের কাগজের প্রতিনিধি সেলিম সরকারকে হেনস্থা করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে মাছুয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

হেনস্থার শিকার সাংবাদিক সেলিম সরকার বলেন, চার খুনের ঘটনার সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে ও সংবাদ সংগ্রহ করতে তিনজন সহকর্মীর সাথে শনিবার বিকেলে ঘটনাস্থলে যান তিনি। পরে পাশের বৈরাগীপাড়া এলাকায় যাওয়ার সময় পার্থ দাস তার মোটরসাইকেল আটকে দেন এবং চাবি কেড়ে নেন।

সেলিম সরকার বলেন, এ সময় পার্থ দাস চিৎকার করে আশপাশের লোকজনকে জড়ো করেন। পরে উপস্থিত লোকজনের সামনে পার্থ তাকে নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ করেন এবং বলেন, তিনি গলিতে ঢুকেছিলেন এবং তার ব্যাগে কিছু রয়েছে। এরপর তার সঙ্গে উগ্র আচরণ করা হয়।

তিনি বলেন, একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয় কয়েকজন সেখানে জড়ো হন। পরে ঘটনাস্থলে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল আসে। ওই সাংবাদিকের ব্যাগে কী রয়েছে, তা পরীক্ষা করতে উগ্র আচরণ করেন শুরু করে পার্থ দাস। পরে ডিবি সদস্যরা ব্যাগটি খুলে দেখান। সেখানে সন্দেহজনক কিছু না পাওয়ার পর তাকে যেতে দেওয়া হয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হোসেন নামে আরেক সংবাদকর্মী জানান, মব সৃষ্টি করে সাংবাদিককে হেনস্তা করে পার্থ।এ সময় তারা কয়েকজন তাকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও উল্টো সবাইকে দোষ দিয়ে রাগারাগি করে পার্থ। 

ঢাকা পোস্টের নিজস্ব প্রতিবেদক ফরহাদুজ্জামান ফারুক বলেন,  প্রথম দিন থেকেই পার্থ দাস এবং তার বাবা বিনয় দাস একেক সময় একেক রকম বক্তব্য দিচ্ছেন। এবং তারা মাঝেমধ্যে উগ্র আচরণ করছেন।  তাদের এমন পরস্পরবিরোধী ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলেই তারা সাংবাদিকদের উপর ক্ষেপে যাচ্ছেন। এবং তারা চাচ্ছেন না এখানে সংবাদ কর্মীরা কাজ করতে আসুক।  

হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থলের ওই বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) জসিম উদ্দিন বলেন, খবরের কাগজের প্রতিনিধি সেলিম সরকারকে আটক করে হেনস্থা করা হয়েছে। পরে ডিবির কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে তার ব্যাগ খুলে দেখান। ব্যাগে ওই সাংবাদিকের ব্যবহৃত জিনিসপত্র ছাড়া আর কিছু পাওয়া যায়নি।

রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় চার খুনের ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে 'মব' তৈরি করে সাংবাদিককে হেনস্থার অভিযোগ

 উঠেছে হত্যায় অভিযুক্ত হয়ে গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের ভাই পার্থ দাসের বিরুদ্ধে। স্থানীয় লোকজনকে জড়ো করে খবরের কাগজের প্রতিনিধি সেলিম সরকারকে হেনস্থা করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে মাছুয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

হেনস্থার শিকার সাংবাদিক সেলিম সরকার বলেন, চার খুনের ঘটনার সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে ও সংবাদ সংগ্রহ করতে তিনজন সহকর্মীর সাথে শনিবার বিকেলে ঘটনাস্থলে যান তিনি। পরে পাশের বৈরাগীপাড়া এলাকায় যাওয়ার সময় পার্থ দাস তার মোটরসাইকেল আটকে দেন এবং চাবি কেড়ে নেন।

সেলিম সরকার বলেন, এ সময় পার্থ দাস চিৎকার করে আশপাশের লোকজনকে জড়ো করেন। পরে উপস্থিত লোকজনের সামনে পার্থ তাকে নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ করেন এবং বলেন, তিনি গলিতে ঢুকেছিলেন এবং তার ব্যাগে কিছু রয়েছে। এরপর তার সঙ্গে উগ্র আচরণ করা হয়।

তিনি বলেন, একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয় কয়েকজন সেখানে জড়ো হন। পরে ঘটনাস্থলে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল আসে। ওই সাংবাদিকের ব্যাগে কী রয়েছে, তা পরীক্ষা করতে উগ্র আচরণ করেন শুরু করে পার্থ দাস। পরে ডিবি সদস্যরা ব্যাগটি খুলে দেখান। সেখানে সন্দেহজনক কিছু না পাওয়ার পর তাকে যেতে দেওয়া হয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হোসেন নামে আরেক সংবাদকর্মী জানান, মব সৃষ্টি করে সাংবাদিককে হেনস্তা করে পার্থ।এ সময় তারা কয়েকজন তাকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও উল্টো সবাইকে দোষ দিয়ে রাগারাগি করে পার্থ। 

ঢাকা পোস্টের নিজস্ব প্রতিবেদক ফরহাদুজ্জামান ফারুক বলেন,  প্রথম দিন থেকেই পার্থ দাস এবং তার বাবা বিনয় দাস একেক সময় একেক রকম বক্তব্য দিচ্ছেন। এবং তারা মাঝেমধ্যে উগ্র আচরণ করছেন।  তাদের এমন পরস্পরবিরোধী ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলেই তারা সাংবাদিকদের উপর ক্ষেপে যাচ্ছেন। এবং তারা চাচ্ছেন না এখানে সংবাদ কর্মীরা কাজ করতে আসুক।  

হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থলের ওই বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) জসিম উদ্দিন বলেন, খবরের কাগজের প্রতিনিধি সেলিম সরকারকে আটক করে হেনস্থা করা হয়েছে। পরে ডিবির কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে তার ব্যাগ খুলে দেখান। ব্যাগে ওই সাংবাদিকের ব্যবহৃত জিনিসপত্র ছাড়া আর কিছু পাওয়া যায়নি।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় চারখুনের ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হেনস্থার শিকার সাংবাদিক

প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image
রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় চার খুনের ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে 'মব' তৈরি করে সাংবাদিককে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে হত্যায় অভিযুক্ত হয়ে গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের ভাই পার্থ দাসের বিরুদ্ধে। স্থানীয় লোকজনকে জড়ো করে খবরের কাগজের প্রতিনিধি সেলিম সরকারকে হেনস্থা করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে মাছুয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।হেনস্থার শিকার সাংবাদিক সেলিম সরকার বলেন, চার খুনের ঘটনার সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে ও সংবাদ সংগ্রহ করতে তিনজন সহকর্মীর সাথে শনিবার বিকেলে ঘটনাস্থলে যান তিনি। পরে পাশের বৈরাগীপাড়া এলাকায় যাওয়ার সময় পার্থ দাস তার মোটরসাইকেল আটকে দেন এবং চাবি কেড়ে নেন।সেলিম সরকার বলেন, এ সময় পার্থ দাস চিৎকার করে আশপাশের লোকজনকে জড়ো করেন। পরে উপস্থিত লোকজনের সামনে পার্থ তাকে নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ করেন এবং বলেন, তিনি গলিতে ঢুকেছিলেন এবং তার ব্যাগে কিছু রয়েছে। এরপর তার সঙ্গে উগ্র আচরণ করা হয়।তিনি বলেন, একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয় কয়েকজন সেখানে জড়ো হন। পরে ঘটনাস্থলে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল আসে। ওই সাংবাদিকের ব্যাগে কী রয়েছে, তা পরীক্ষা করতে উগ্র আচরণ করেন শুরু করে পার্থ দাস। পরে ডিবি সদস্যরা ব্যাগটি খুলে দেখান। সেখানে সন্দেহজনক কিছু না পাওয়ার পর তাকে যেতে দেওয়া হয়।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হোসেন নামে আরেক সংবাদকর্মী জানান, মব সৃষ্টি করে সাংবাদিককে হেনস্তা করে পার্থ।এ সময় তারা কয়েকজন তাকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও উল্টো সবাইকে দোষ দিয়ে রাগারাগি করে পার্থ। ঢাকা পোস্টের নিজস্ব প্রতিবেদক ফরহাদুজ্জামান ফারুক বলেন,  প্রথম দিন থেকেই পার্থ দাস এবং তার বাবা বিনয় দাস একেক সময় একেক রকম বক্তব্য দিচ্ছেন। এবং তারা মাঝেমধ্যে উগ্র আচরণ করছেন।  তাদের এমন পরস্পরবিরোধী ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলেই তারা সাংবাদিকদের উপর ক্ষেপে যাচ্ছেন। এবং তারা চাচ্ছেন না এখানে সংবাদ কর্মীরা কাজ করতে আসুক।  হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থলের ওই বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) জসিম উদ্দিন বলেন, খবরের কাগজের প্রতিনিধি সেলিম সরকারকে আটক করে হেনস্থা করা হয়েছে। পরে ডিবির কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে তার ব্যাগ খুলে দেখান। ব্যাগে ওই সাংবাদিকের ব্যবহৃত জিনিসপত্র ছাড়া আর কিছু পাওয়া যায়নি।রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় চার খুনের ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে 'মব' তৈরি করে সাংবাদিককে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে হত্যায় অভিযুক্ত হয়ে গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের ভাই পার্থ দাসের বিরুদ্ধে। স্থানীয় লোকজনকে জড়ো করে খবরের কাগজের প্রতিনিধি সেলিম সরকারকে হেনস্থা করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে মাছুয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।হেনস্থার শিকার সাংবাদিক সেলিম সরকার বলেন, চার খুনের ঘটনার সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে ও সংবাদ সংগ্রহ করতে তিনজন সহকর্মীর সাথে শনিবার বিকেলে ঘটনাস্থলে যান তিনি। পরে পাশের বৈরাগীপাড়া এলাকায় যাওয়ার সময় পার্থ দাস তার মোটরসাইকেল আটকে দেন এবং চাবি কেড়ে নেন।সেলিম সরকার বলেন, এ সময় পার্থ দাস চিৎকার করে আশপাশের লোকজনকে জড়ো করেন। পরে উপস্থিত লোকজনের সামনে পার্থ তাকে নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ করেন এবং বলেন, তিনি গলিতে ঢুকেছিলেন এবং তার ব্যাগে কিছু রয়েছে। এরপর তার সঙ্গে উগ্র আচরণ করা হয়।তিনি বলেন, একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয় কয়েকজন সেখানে জড়ো হন। পরে ঘটনাস্থলে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল আসে। ওই সাংবাদিকের ব্যাগে কী রয়েছে, তা পরীক্ষা করতে উগ্র আচরণ করেন শুরু করে পার্থ দাস। পরে ডিবি সদস্যরা ব্যাগটি খুলে দেখান। সেখানে সন্দেহজনক কিছু না পাওয়ার পর তাকে যেতে দেওয়া হয়।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হোসেন নামে আরেক সংবাদকর্মী জানান, মব সৃষ্টি করে সাংবাদিককে হেনস্তা করে পার্থ।এ সময় তারা কয়েকজন তাকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও উল্টো সবাইকে দোষ দিয়ে রাগারাগি করে পার্থ। ঢাকা পোস্টের নিজস্ব প্রতিবেদক ফরহাদুজ্জামান ফারুক বলেন,  প্রথম দিন থেকেই পার্থ দাস এবং তার বাবা বিনয় দাস একেক সময় একেক রকম বক্তব্য দিচ্ছেন। এবং তারা মাঝেমধ্যে উগ্র আচরণ করছেন।  তাদের এমন পরস্পরবিরোধী ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলেই তারা সাংবাদিকদের উপর ক্ষেপে যাচ্ছেন। এবং তারা চাচ্ছেন না এখানে সংবাদ কর্মীরা কাজ করতে আসুক।  হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থলের ওই বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) জসিম উদ্দিন বলেন, খবরের কাগজের প্রতিনিধি সেলিম সরকারকে আটক করে হেনস্থা করা হয়েছে। পরে ডিবির কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে তার ব্যাগ খুলে দেখান। ব্যাগে ওই সাংবাদিকের ব্যবহৃত জিনিসপত্র ছাড়া আর কিছু পাওয়া যায়নি।রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় চার খুনের ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে 'মব' তৈরি করে সাংবাদিককে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে হত্যায় অভিযুক্ত হয়ে গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের ভাই পার্থ দাসের বিরুদ্ধে। স্থানীয় লোকজনকে জড়ো করে খবরের কাগজের প্রতিনিধি সেলিম সরকারকে হেনস্থা করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে মাছুয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।হেনস্থার শিকার সাংবাদিক সেলিম সরকার বলেন, চার খুনের ঘটনার সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে ও সংবাদ সংগ্রহ করতে তিনজন সহকর্মীর সাথে শনিবার বিকেলে ঘটনাস্থলে যান তিনি। পরে পাশের বৈরাগীপাড়া এলাকায় যাওয়ার সময় পার্থ দাস তার মোটরসাইকেল আটকে দেন এবং চাবি কেড়ে নেন।সেলিম সরকার বলেন, এ সময় পার্থ দাস চিৎকার করে আশপাশের লোকজনকে জড়ো করেন। পরে উপস্থিত লোকজনের সামনে পার্থ তাকে নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ করেন এবং বলেন, তিনি গলিতে ঢুকেছিলেন এবং তার ব্যাগে কিছু রয়েছে। এরপর তার সঙ্গে উগ্র আচরণ করা হয়।তিনি বলেন, একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয় কয়েকজন সেখানে জড়ো হন। পরে ঘটনাস্থলে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল আসে। ওই সাংবাদিকের ব্যাগে কী রয়েছে, তা পরীক্ষা করতে উগ্র আচরণ করেন শুরু করে পার্থ দাস। পরে ডিবি সদস্যরা ব্যাগটি খুলে দেখান। সেখানে সন্দেহজনক কিছু না পাওয়ার পর তাকে যেতে দেওয়া হয়।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হোসেন নামে আরেক সংবাদকর্মী জানান, মব সৃষ্টি করে সাংবাদিককে হেনস্তা করে পার্থ।এ সময় তারা কয়েকজন তাকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও উল্টো সবাইকে দোষ দিয়ে রাগারাগি করে পার্থ। ঢাকা পোস্টের নিজস্ব প্রতিবেদক ফরহাদুজ্জামান ফারুক বলেন,  প্রথম দিন থেকেই পার্থ দাস এবং তার বাবা বিনয় দাস একেক সময় একেক রকম বক্তব্য দিচ্ছেন। এবং তারা মাঝেমধ্যে উগ্র আচরণ করছেন।  তাদের এমন পরস্পরবিরোধী ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলেই তারা সাংবাদিকদের উপর ক্ষেপে যাচ্ছেন। এবং তারা চাচ্ছেন না এখানে সংবাদ কর্মীরা কাজ করতে আসুক।  হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থলের ওই বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) জসিম উদ্দিন বলেন, খবরের কাগজের প্রতিনিধি সেলিম সরকারকে আটক করে হেনস্থা করা হয়েছে। পরে ডিবির কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে তার ব্যাগ খুলে দেখান। ব্যাগে ওই সাংবাদিকের ব্যবহৃত জিনিসপত্র ছাড়া আর কিছু পাওয়া যায়নি।

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় চারখুনের ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হেনস্থার শিকার সাংবাদিক
0:00 0:00
1.0x