শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে সালুয়া ইউনিয়নের উত্তর সালুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়। আবু বক্কর ওই গ্রামের মৃত রুসমত আলীর ছেলে।
অভিযোগ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকালে শিশুটিকে নিজের ঘরে নিয়ে যান আবু বক্কর। সেখানে শিশুটির সঙ্গে অনৈতিক আচরণ এবং ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে পরিবারের অভিযোগ।
পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি বুঝতে পেরে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। পরে দ্রুত তাকে কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসকরা প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য শিশুটিকে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠান।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। একপর্যায়ে শুক্রবার সকালে স্থানীয়রা আবু বক্করকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে তাকে থানায় নেওয়া হয়।
এদিকে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেছেন, এর আগেও ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে শিশুদের সঙ্গে অনৈতিক আচরণের অভিযোগ উঠেছিল। তবে পূর্বের এসব অভিযোগের কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ বা নথি পাওয়া যায়নি। ফলে এসব দাবি তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।
কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দীন জানান, শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে স্থানীয়রা একজনকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন। তবে শিশুটির পরিবারের সদস্যরা চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ করেননি।
তিনি বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ রয়েছে। অভিযোগের প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আটক ব্যক্তিকে দোষী হিসেবে গণ্য করা যাবে না।
তদন্তঘর ডটকম ঘটনাটির পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ ও তদন্তের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছে।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মতামত