মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে মাদ্রাসাছাত্রী লাবনী আক্তার আহত হওয়ার ঘটনায় মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সওতুল কুরআন হাফিজিয়া কওমি মহিলা মাদ্রাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিং এর সুপার হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ নাজমুল হক।মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।সংবাদ সম্মেলনে মাদ্রাসা সুপার ঘটনার বিষয়ে তার বক্তব্য তুলে ধরেন।তিনি বলেন,ঘটনার দিন ৯ সেপ্টেম্বর তিনি শারীরিক অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।দুপুরে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাসায় ফেরার কিছুক্ষণ পর তিনি শিক্ষার্থী লাবনী ছাদ থেকে পড়ে আহত হওয়ার খবর পান।পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি লাবনীকে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় চেয়ারে বসানো অবস্থায় দেখতে পান বলে জানান।
তাৎক্ষণিকভাবে আহত শিক্ষার্থীকে লৌহজং উপজেলা হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়।মাদ্রাসা সুপারের দাবি,পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন,একটি সম্পর্কের জের ধরে ওই শিক্ষার্থী ছাদ থেকে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রচার করা হচ্ছে।
তবে এ ধরনের বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।তিনি অভিযোগ করেন,কিছু তথাকথিত মিডিয়া ও সাংবাদিক উদ্দেশ্যমূলকভাবে তার ছেলের নাম এ ঘটনায় জড়িয়েছেন।তার দাবি,এ তথ্য মিথ্যা,বানোয়াট ও কাল্পনিক।সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য প্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানান।একই সঙ্গে প্রকৃত ঘটনা যাচাই ছাড়া কোনো পক্ষের বিরুদ্ধে বক্তব্য না দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদঘাটনের দাবি করেন মাদ্রাসা সুপার।তিনি বলেন,তদন্তে যার দায় পাওয়া যাবে,তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।এ ঘটনায় প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করে আনার দাবি জানান তিনি।
পাশাপাশি আহত শিক্ষার্থীর সুচিকিৎসা ও নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আহ্বান জানান মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।তবে শিক্ষার্থী কীভাবে ছাদ থেকে পড়ে আহত হয়েছে,তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মতামত