জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
সারাদেশ

সারাদেশ

লোগাং বাজারে চিকিৎসাবিহীন পড়ে আছে পশু হাসপাতাল, অবহেলায় জরাজীর্ণ ভবন

লোগাং বাজারে চিকিৎসাবিহীন পড়ে আছে পশু হাসপাতাল, অবহেলায় জরাজীর্ণ ভবন

লোগাং বাজারে চিকিৎসাবিহীন পড়ে আছে পশু হাসপাতাল, অবহেলায় জরাজীর্ণ ভবন
লোগাং বাজারে চিকিৎসাবিহীন পড়ে আছে পশু হাসপাতাল, অবহেলায় জরাজীর্ণ ভবন

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার লোগাং বাজারে অবস্থিত একমাত্র উপ-পশু চিকিৎসাকেন্দ্রটি দীর্ঘ বহু বছর ধরে কোনো ডাক্তার বা কর্মকর্তা না থাকায় সম্পূর্ণ অকার্যকর হয়ে পড়েছে। চিকিৎসকের অভাবে একদিকে যেমন এলাকার গবাদি পশুর চিকিৎসা সেবা বন্ধ রয়েছে, অন্যদিকে সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে হাসপাতাল ভবনটি এখন এক জরাজীর্ণ ও ভূতুড়ে কোঠায় পরিণত হয়েছে।

সরেজমিনে বর্তমান পরিস্থিতি:

  • ডাক্তার ও জনবল শূন্য: হাসপাতালটিতে দীর্ঘদিন ধরে কোনো ভেটেরিনারি ডাক্তার বা মাঠ সহকারী নেই। ফলে লোগাং ও এর আশপাশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের খামারিরা পশুর সাধারণ রোগের জন্যও কোনো পরামর্শ বা ওষুধ পাচ্ছেন না।
  • ভবনের কঙ্কালসার দশা: ছবিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, টিনের চালা দেওয়া পুরনো আধা-পাকা ভবনটির দেওয়ালে শ্যাওলা ধরে কালো হয়ে গেছে। প্লাস্টার খসে পড়ছে এবং চারপাশ ঝোপঝাড়ে ছেয়ে গেছে। বারান্দা এবং ঘরের মেঝেতে ময়লা-আবর্জনা জমে এটি এখন সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত।
  • খামারিদের চরম দুর্ভোগ: লোগাং এলাকার একটি বড় অংশই পশুপালনের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে। কিন্তু পশু অসুস্থ হলে নিরুপায় হয়ে তাদের মাইলের পর মাইল পথ পাড়ি দিয়ে উপজেলা সদরে যেতে হয়। অনেক সময় সঠিক সময়ে চিকিৎসা না পেয়ে পথেই পশু মারা যায়, যার ফলে খামারিরা বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের মুখে পড়ছেন।

স্থানীয়দের দাবি:
লোগাং বাজারের ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় খামারিরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, কাগজে-কলমে হাসপাতাল থাকলেও বাস্তবে এর কোনো সুফল তারা পাচ্ছেন না। তারা অবিলম্বে এই পশু হাসপাতালে সার্বক্ষণিক ডাক্তার নিয়োগ এবং জরাজীর্ণ ভবনটি সংস্কার করে দ্রুত চিকিৎসা সেবা চালু করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।


0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


লোগাং বাজারে চিকিৎসাবিহীন পড়ে আছে পশু হাসপাতাল, অবহেলায় জরাজীর্ণ ভবন

প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image
খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার লোগাং বাজারে অবস্থিত একমাত্র উপ-পশু চিকিৎসাকেন্দ্রটি দীর্ঘ বহু বছর ধরে কোনো ডাক্তার বা কর্মকর্তা না থাকায় সম্পূর্ণ অকার্যকর হয়ে পড়েছে। চিকিৎসকের অভাবে একদিকে যেমন এলাকার গবাদি পশুর চিকিৎসা সেবা বন্ধ রয়েছে, অন্যদিকে সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে হাসপাতাল ভবনটি এখন এক জরাজীর্ণ ও ভূতুড়ে কোঠায় পরিণত হয়েছে।সরেজমিনে বর্তমান পরিস্থিতি:ডাক্তার ও জনবল শূন্য: হাসপাতালটিতে দীর্ঘদিন ধরে কোনো ভেটেরিনারি ডাক্তার বা মাঠ সহকারী নেই। ফলে লোগাং ও এর আশপাশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের খামারিরা পশুর সাধারণ রোগের জন্যও কোনো পরামর্শ বা ওষুধ পাচ্ছেন না।ভবনের কঙ্কালসার দশা: ছবিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, টিনের চালা দেওয়া পুরনো আধা-পাকা ভবনটির দেওয়ালে শ্যাওলা ধরে কালো হয়ে গেছে। প্লাস্টার খসে পড়ছে এবং চারপাশ ঝোপঝাড়ে ছেয়ে গেছে। বারান্দা এবং ঘরের মেঝেতে ময়লা-আবর্জনা জমে এটি এখন সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত।খামারিদের চরম দুর্ভোগ: লোগাং এলাকার একটি বড় অংশই পশুপালনের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে। কিন্তু পশু অসুস্থ হলে নিরুপায় হয়ে তাদের মাইলের পর মাইল পথ পাড়ি দিয়ে উপজেলা সদরে যেতে হয়। অনেক সময় সঠিক সময়ে চিকিৎসা না পেয়ে পথেই পশু মারা যায়, যার ফলে খামারিরা বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের মুখে পড়ছেন।স্থানীয়দের দাবি:লোগাং বাজারের ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় খামারিরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, কাগজে-কলমে হাসপাতাল থাকলেও বাস্তবে এর কোনো সুফল তারা পাচ্ছেন না। তারা অবিলম্বে এই পশু হাসপাতালে সার্বক্ষণিক ডাক্তার নিয়োগ এবং জরাজীর্ণ ভবনটি সংস্কার করে দ্রুত চিকিৎসা সেবা চালু করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
লোগাং বাজারে চিকিৎসাবিহীন পড়ে আছে পশু হাসপাতাল, অবহেলায় জরাজীর্ণ ভবন
0:00 0:00
1.0x