জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
সারাদেশ

সারাদেশ

মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স

মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স

মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে সরকার ঘোষিত জিরো টলারেন্স নীতি এখন মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে। পুলিশ, র‌্যাব ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) সমন্বিতভাবে সারাদেশে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান আইনি কাঠামোয় অপরাধীর সর্বোচ্চ সাজার বিধান রয়েছে। বর্তমানে মাদক সংক্রান্ত সকল অপরাধের বিচার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে। এই আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ফাঁসি পর্যন্ত হয়।

আইনের প্রথম তফসিলে মাদককে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। 'ক' শ্রেণি: সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মাদক। যেমন- হেরোইন, কোকেন, ইয়াবা (অ্যামফিটামিন), পেথিডিন, আফিম, কোকা গাছ, প্রিকারসর কেমিক্যালস। এই শ্রেণির জন্য শাস্তি সবচেয়ে বেশি।

‘খ’ শ্রেণি: গাঁজা, ভাং, চরস ইত্যাদি। ‘গ’ শ্রেণি: অ্যালকোহল, বিয়ার, দেশি মদ, রেকটিফাইড স্পিরিট ইত্যাদি। 

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স

প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image
মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে সরকার ঘোষিত জিরো টলারেন্স নীতি এখন মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে। পুলিশ, র‌্যাব ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) সমন্বিতভাবে সারাদেশে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান আইনি কাঠামোয় অপরাধীর সর্বোচ্চ সাজার বিধান রয়েছে। বর্তমানে মাদক সংক্রান্ত সকল অপরাধের বিচার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে। এই আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ফাঁসি পর্যন্ত হয়।আইনের প্রথম তফসিলে মাদককে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। 'ক' শ্রেণি: সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মাদক। যেমন- হেরোইন, কোকেন, ইয়াবা (অ্যামফিটামিন), পেথিডিন, আফিম, কোকা গাছ, প্রিকারসর কেমিক্যালস। এই শ্রেণির জন্য শাস্তি সবচেয়ে বেশি।‘খ’ শ্রেণি: গাঁজা, ভাং, চরস ইত্যাদি। ‘গ’ শ্রেণি: অ্যালকোহল, বিয়ার, দেশি মদ, রেকটিফাইড স্পিরিট ইত্যাদি। 

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স
0:00 0:00
1.0x