জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব

৬বছরেও ফেরেনি যোগাযোগ ব্যাবস্তা ৪সেতু পেড়িয়ে ইস্কুলে শিশুরা।

৬বছরেও ফেরেনি যোগাযোগ ব্যাবস্তা ৪সেতু পেড়িয়ে ইস্কুলে শিশুরা।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের সময় শিশু শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিপূর্ণ পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে।

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী কাকৈরগড়া ইউনিয়নের রামগাঁও গ্রামে ২০২০ সালের ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত যোগাযোগব্যবস্থা ছয় বছরেও স্বাভাবিক হয়নি। পাহাড়ি ঢলের পানিতে গ্রামের সড়কের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কালভার্টের সংযোগ সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সেই সংযোগ সড়ক আর সংস্কার করা হয়নি। ফলে কালভার্ট থাকলেও নেই এর প্রয়োজনীয় সংযোগ সড়ক। বাধ্য হয়ে বাঁশের সাঁকো ও ড্রাম দিয়ে তৈরি ভাসমান বাহনে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন ছাত্র ছাত্রী ও এলাকাবাসী।


স্থানীয়দের অভিযোগ, পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাটি দীর্ঘ ছয় বছরে গ্রামটিতে তেমন কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। যোগাযোগব্যবস্থার এমন বেহাল দশার কারণে শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষিপণ্য পরিবহনসহ দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় কাজে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে রামগাঁওসহ আশপাশের পাঁচ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষকে।


বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রামগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেতে শিক্ষার্থীদের প্রায় চারটি সেতু ও সাঁকো পার হতে হয়। কোথাও বাঁশের তৈরি ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো, আবার কোথাও দড়ি টেনে ড্রামের ওপর তৈরি ভাসমান বাহনে পার হতে হয়। বর্ষা মৌসুমে পানি বাড়লে এসব পথ আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।


রামগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে ২১৮ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। পাশের রামগাঁও মিসবাহুল উলুম মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছে প্রায় ৮০ জন শিক্ষার্থী। প্রতিদিন এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের সময় শিশু শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিপূর্ণ পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। অভিভাবকরাও সন্তানদের নিরাপদে বিদ্যালয়ে পৌঁছানো নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন।


সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রামগাঁও গ্রামের বিভিন্ন স্থানে ২০২০ সালের পাহাড়ি ঢলের ক্ষত এখনো দৃশ্যমান রয়েছে এখনো।  একটি কালভার্ট থাকলেও এর সঙ্গে কোন সংযোগ সড়ক নেই। কালভার্টের দুই পাশে তৈরি হয়েছে গভীর রোদ। সেই রোদ বা নালা পার হতে স্থানীয়রা  বাঁশ দিয়ে নিজেরা তৈরি  করেছেন সাকো। কোথাও আবার চারটি ড্রাম দড়ি দিয়ে বেঁধে তার ওপর কাঠ বসিয়ে তৈরি করা হয়েছে ভাসমান বাহন। দড়ি টেনে এক পাড় থেকে অন্য পাড়ে যেতে হয়।

স্থানীয়দের ভাষ্য, সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢলের পানি খুব দ্রুত নেমে আসে। ২০২০ সালের পাহাড়ি ঢলেই সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থার ব্যাপক ক্ষতি হয়। এরপর ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও স্থায়ীভাবে সংস্কারের উদ্যোগ না নেওয়ায় সেই ক্ষত এখন স্থানীয় মানুষের নিত্যদিনের দুর্ভোগের হয়ে পড়েছে।


রামগাঁও, লক্ষ্মীপুর, আদমপুর, দুর্গাশ্রমসহ আশপাশের প্রায় পাঁচটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ এই পথ দিয়ে নিয়মিত চলাচল করে থাকেন। বর্ষা এলে গ্রামের কাঁচা রাস্তাগুলোও কাদায় পরিণত হয়ে থাকে।  তখন কোনো যানবাহন সহজে এলাকায় ঢুকতে পারে না। অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া, কৃষিপণ্য বাজারে পৌঁছানো কিংবা জরুরি প্রয়োজনে বাইরে যাতায়াত—সব ক্ষেত্রেই এক চরম ভোগান্তির মধ্যে  রয়েছে গ্রামবাসী।


স্থানীয় ১৪ বছর বয়সী কিশোর হোসাইন বলেন, প্রতিদিন দড়ি টেনে চারটি ড্রামের তৈরি ভাসমান বাহনে এক পাড় থেকে অন্য পাড়ে যাতায়াত করি। শুধু আমি নই, গ্রামের অনেক মানুষকেই এভাবে পারাপার করে দিতে হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা জিল্লুর রহমান বলেন, ২০২০ সালের পাহাড়ি ঢলের সময় কালভার্টের সংযোগ সড়ক সরে গেছে। কালভার্টটি এখনো আছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় কোনো কাজে আসছে না। ছয় বছর ধরে এভাবেই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি।


আরেক বাসিন্দা মোশাররফ হোসেন বলেন, আমাদের গ্রামে দীর্ঘদিনেও তেমন কোনো সরকারি উন্নয়ন হয়নি। একটি সাঁকো দিয়ে চলাচল করতে হয়। বর্ষা এলেই কষ্ট আরও বেড়ে যায়। সাঁকো পার হতে গিয়ে অনেকেই পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে বলে জানা যায়।


স্থানীয় বাসিন্দা মুমিন মিয়া বলেন, আমার ছেলে বিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় সাঁকো থেকে পড়ে গিয়ে হাত ভেঙেছিল। কিন্তু নিরুপায় হয়ে এখনো এই পথ দিয়েই যেতে হয়।


রামগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ায় খুবই ঝুঁকি রয়েছে। প্রায় চারটি সেতু-সাঁকো পার হয়ে তাদের বিদ্যালয়ে আসতে হয়। বর্ষাকালে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিষয়টি লিখিতভাবে প্রশাসনকেও জানানো হয়েছে।


স্থানীয়দের দাবি, নতুন করে কালভার্ট নির্মাণের প্রয়োজন নেই। বিদ্যমান কালভার্টের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া সংযোগ সড়ক দ্রুত পুনর্নির্মাণ করা হলেই দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ অনেকটা কমবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় স্থানে স্থায়ী সেতু নির্মাণেরও দাবি জানিয়েছেন গ্রাম বাসী।


এ বিষয়ে দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আহমেদ সাদাত বলেন, স্থানীয় মানুষের চলাচলের দুর্ভোগের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এসেছে। সামরিক  একটি কাঠের ব্রিজ  নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


৬বছরেও ফেরেনি যোগাযোগ ব্যাবস্তা ৪সেতু পেড়িয়ে ইস্কুলে শিশুরা।

প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী কাকৈরগড়া ইউনিয়নের রামগাঁও গ্রামে ২০২০ সালের ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত যোগাযোগব্যবস্থা ছয় বছরেও স্বাভাবিক হয়নি। পাহাড়ি ঢলের পানিতে গ্রামের সড়কের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কালভার্টের সংযোগ সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সেই সংযোগ সড়ক আর সংস্কার করা হয়নি। ফলে কালভার্ট থাকলেও নেই এর প্রয়োজনীয় সংযোগ সড়ক। বাধ্য হয়ে বাঁশের সাঁকো ও ড্রাম দিয়ে তৈরি ভাসমান বাহনে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন ছাত্র ছাত্রী ও এলাকাবাসী।স্থানীয়দের অভিযোগ, পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাটি দীর্ঘ ছয় বছরে গ্রামটিতে তেমন কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। যোগাযোগব্যবস্থার এমন বেহাল দশার কারণে শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষিপণ্য পরিবহনসহ দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় কাজে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে রামগাঁওসহ আশপাশের পাঁচ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষকে।বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রামগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেতে শিক্ষার্থীদের প্রায় চারটি সেতু ও সাঁকো পার হতে হয়। কোথাও বাঁশের তৈরি ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো, আবার কোথাও দড়ি টেনে ড্রামের ওপর তৈরি ভাসমান বাহনে পার হতে হয়। বর্ষা মৌসুমে পানি বাড়লে এসব পথ আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।রামগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে ২১৮ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। পাশের রামগাঁও মিসবাহুল উলুম মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছে প্রায় ৮০ জন শিক্ষার্থী। প্রতিদিন এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের সময় শিশু শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিপূর্ণ পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। অভিভাবকরাও সন্তানদের নিরাপদে বিদ্যালয়ে পৌঁছানো নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন।সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রামগাঁও গ্রামের বিভিন্ন স্থানে ২০২০ সালের পাহাড়ি ঢলের ক্ষত এখনো দৃশ্যমান রয়েছে এখনো।  একটি কালভার্ট থাকলেও এর সঙ্গে কোন সংযোগ সড়ক নেই। কালভার্টের দুই পাশে তৈরি হয়েছে গভীর রোদ। সেই রোদ বা নালা পার হতে স্থানীয়রা  বাঁশ দিয়ে নিজেরা তৈরি  করেছেন সাকো। কোথাও আবার চারটি ড্রাম দড়ি দিয়ে বেঁধে তার ওপর কাঠ বসিয়ে তৈরি করা হয়েছে ভাসমান বাহন। দড়ি টেনে এক পাড় থেকে অন্য পাড়ে যেতে হয়।স্থানীয়দের ভাষ্য, সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢলের পানি খুব দ্রুত নেমে আসে। ২০২০ সালের পাহাড়ি ঢলেই সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থার ব্যাপক ক্ষতি হয়। এরপর ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও স্থায়ীভাবে সংস্কারের উদ্যোগ না নেওয়ায় সেই ক্ষত এখন স্থানীয় মানুষের নিত্যদিনের দুর্ভোগের হয়ে পড়েছে।রামগাঁও, লক্ষ্মীপুর, আদমপুর, দুর্গাশ্রমসহ আশপাশের প্রায় পাঁচটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ এই পথ দিয়ে নিয়মিত চলাচল করে থাকেন। বর্ষা এলে গ্রামের কাঁচা রাস্তাগুলোও কাদায় পরিণত হয়ে থাকে।  তখন কোনো যানবাহন সহজে এলাকায় ঢুকতে পারে না। অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া, কৃষিপণ্য বাজারে পৌঁছানো কিংবা জরুরি প্রয়োজনে বাইরে যাতায়াত—সব ক্ষেত্রেই এক চরম ভোগান্তির মধ্যে  রয়েছে গ্রামবাসী।স্থানীয় ১৪ বছর বয়সী কিশোর হোসাইন বলেন, প্রতিদিন দড়ি টেনে চারটি ড্রামের তৈরি ভাসমান বাহনে এক পাড় থেকে অন্য পাড়ে যাতায়াত করি। শুধু আমি নই, গ্রামের অনেক মানুষকেই এভাবে পারাপার করে দিতে হয়।স্থানীয় বাসিন্দা জিল্লুর রহমান বলেন, ২০২০ সালের পাহাড়ি ঢলের সময় কালভার্টের সংযোগ সড়ক সরে গেছে। কালভার্টটি এখনো আছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় কোনো কাজে আসছে না। ছয় বছর ধরে এভাবেই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি।আরেক বাসিন্দা মোশাররফ হোসেন বলেন, আমাদের গ্রামে দীর্ঘদিনেও তেমন কোনো সরকারি উন্নয়ন হয়নি। একটি সাঁকো দিয়ে চলাচল করতে হয়। বর্ষা এলেই কষ্ট আরও বেড়ে যায়। সাঁকো পার হতে গিয়ে অনেকেই পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে বলে জানা যায়।স্থানীয় বাসিন্দা মুমিন মিয়া বলেন, আমার ছেলে বিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় সাঁকো থেকে পড়ে গিয়ে হাত ভেঙেছিল। কিন্তু নিরুপায় হয়ে এখনো এই পথ দিয়েই যেতে হয়।রামগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ায় খুবই ঝুঁকি রয়েছে। প্রায় চারটি সেতু-সাঁকো পার হয়ে তাদের বিদ্যালয়ে আসতে হয়। বর্ষাকালে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিষয়টি লিখিতভাবে প্রশাসনকেও জানানো হয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, নতুন করে কালভার্ট নির্মাণের প্রয়োজন নেই। বিদ্যমান কালভার্টের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া সংযোগ সড়ক দ্রুত পুনর্নির্মাণ করা হলেই দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ অনেকটা কমবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় স্থানে স্থায়ী সেতু নির্মাণেরও দাবি জানিয়েছেন গ্রাম বাসী।এ বিষয়ে দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আহমেদ সাদাত বলেন, স্থানীয় মানুষের চলাচলের দুর্ভোগের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এসেছে। সামরিক  একটি কাঠের ব্রিজ  নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
৬বছরেও ফেরেনি যোগাযোগ ব্যাবস্তা ৪সেতু পেড়িয়ে ইস্কুলে শিশুরা।
0:00 0:00
1.0x