জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
সারাদেশ

সারাদেশ

রংপুর কুড়িগ্রাম

কুড়িগ্রামে রাতভোর যৌথ অভিযান, ২১৫০ কেজি সার উদ্ধার, ১লাখ টাকা জরিমানা

কুড়িগ্রামে রাতভোর যৌথ অভিযান, ২১৫০ কেজি সার উদ্ধার, ১লাখ টাকা জরিমানা

কুড়িগ্রামে রাতভোর যৌথ অভিযান, ২১৫০ কেজি সার উদ্ধার, ১লাখ টাকা জরিমানা

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নে রাতভোর সাঁড়াশি যৌথ অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ১৫০ কেজি সার উদ্ধার করেছে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত মধ্যরাত থেকে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোররাত পর্যন্ত উপজেলার চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইসলামপুর গ্রামের মো. বেলাল মিয়া (পিতা—মৃত আকবর আলী) এবং মো. মানিক মিয়া (পিতা—রমিজ উদ্দিন)-এর বাড়িতে যৌথভাবে অভিযান চালানো হয়। এ সময় তাদের বাড়ির গোয়ালঘর ও ধানের মাচায় মজুত করে রাখা বিপুল পরিমাণ সার উদ্ধার করা হয়। 

অভিযানে মোট ৪২ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৫০০ কেজি ইউরিয়া সার এবং ৬৫০ কেজি ডিএপি সার রয়েছে। উদ্ধার হওয়া সারের মোট পরিমাণ ২ হাজার ১৫০ কেজি। 

অভিযান পরিচালনা করেন ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন, ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আজিম উদ্দিন এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল হক তারেক। অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

তবে উদ্ধার হওয়া সার কোন উদ্দেশ্যে এবং কীভাবে মজুত করা হয়েছিল, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। 

এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, উপজেলায় সার বিতরণ প্রক্রিয়ায় পুলিশের কঠোর নজরদারি রয়েছে। কেউ যাতে সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে না পারে এবং কৃষকদের ভোগান্তিতে ফেলে অবৈধভাবে সুবিধা নিতে না পারে, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক রয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কেউ যেন ফায়দা নিতে না পারে, এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ সজাগ রয়েছে। সার মজুত বা অনিয়মের সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষকদের কাছে সারের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং অবৈধ মজুতদারি ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


কুড়িগ্রামে রাতভোর যৌথ অভিযান, ২১৫০ কেজি সার উদ্ধার, ১লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
কুড়িগ্রামে রাতভোর যৌথ অভিযান, ২১৫০ কেজি সার উদ্ধার, ১লাখ টাকা জরিমানাকুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নে রাতভোর সাঁড়াশি যৌথ অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ১৫০ কেজি সার উদ্ধার করেছে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত মধ্যরাত থেকে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোররাত পর্যন্ত উপজেলার চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযান সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইসলামপুর গ্রামের মো. বেলাল মিয়া (পিতা—মৃত আকবর আলী) এবং মো. মানিক মিয়া (পিতা—রমিজ উদ্দিন)-এর বাড়িতে যৌথভাবে অভিযান চালানো হয়। এ সময় তাদের বাড়ির গোয়ালঘর ও ধানের মাচায় মজুত করে রাখা বিপুল পরিমাণ সার উদ্ধার করা হয়। অভিযানে মোট ৪২ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৫০০ কেজি ইউরিয়া সার এবং ৬৫০ কেজি ডিএপি সার রয়েছে। উদ্ধার হওয়া সারের মোট পরিমাণ ২ হাজার ১৫০ কেজি। অভিযান পরিচালনা করেন ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন, ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আজিম উদ্দিন এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল হক তারেক। অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।তবে উদ্ধার হওয়া সার কোন উদ্দেশ্যে এবং কীভাবে মজুত করা হয়েছিল, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, উপজেলায় সার বিতরণ প্রক্রিয়ায় পুলিশের কঠোর নজরদারি রয়েছে। কেউ যাতে সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে না পারে এবং কৃষকদের ভোগান্তিতে ফেলে অবৈধভাবে সুবিধা নিতে না পারে, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক রয়েছে। তিনি আরও বলেন, সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কেউ যেন ফায়দা নিতে না পারে, এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ সজাগ রয়েছে। সার মজুত বা অনিয়মের সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষকদের কাছে সারের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং অবৈধ মজুতদারি ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
কুড়িগ্রামে রাতভোর যৌথ অভিযান, ২১৫০ কেজি সার উদ্ধার, ১লাখ টাকা জরিমানা
0:00 0:00
1.0x