কুষ্টিয়ায় বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরেও স্মার্ট কার্ড হাতে না পেয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ সেবাগ্রহীতারা। কার্ড ছাড়াই অনলাইনে ই-পেপার লাইসেন্স দিয়ে কাজ চালানো হলেও ফি বাবদ পুরো অর্থ ঠিকই কেটে নেওয়া হচ্ছে।
ভুক্তভোগী চালকদের অভিযোগ, স্মার্ট কার্ড না দিয়েই কার্ড ফি ও পোস্ট অফিসের হোম ডেলিভারি চার্জ বাবদ বাধ্যতামূলকভাবে টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে। একজন চালকের অ্যাকাউন্ট থেকে কার্ড ফি বাবদ ৭০২ টাকা এবং পোস্ট অফিস ডেলিভারি খরচ বাবদ ৬০ টাকাসহ মোট ৭৬২ টাকা কেটে নেওয়া হলেও বছরের পর বছর ঝুলিয়ে রাখা হচ্ছে মূল স্মার্ট কার্ড।
চালক ও সেবাগ্রহীতাদের প্রশ্ন—স্মার্ট কার্ড যদি সরবরাহ না-ই করা যায়, তবে পোস্ট অফিসের মাধ্যমে হোম ডেলিভারির নাম করে ৬০ টাকা ডাক মাশুল নেওয়া হচ্ছে কেন? পোস্ট অফিস কি তবে শূন্য খাম ডেলিভারি করবে? টাকা যখন পূর্ণাঙ্গ নেওয়া হচ্ছে, তখন অবিলম্বে স্মার্ট কার্ড বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কুষ্টিয়ায় এ পর্যন্ত যারা অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন ও ফি প্রদান করেছেন, তাদের প্রায় প্রত্যেকেই নির্ধারিত সময়ে স্মার্ট কার্ড পাননি। সেবাগ্রহীতাদের মতে, টাকা কেটে নেওয়ার পরও মাসের পর মাস কার্ডের জন্য ঘুরতে হওয়া স্পষ্ট অন্যায় ও হয়রানির শামিল। দ্রুত এই অব্যবস্থাপনা দূর করে চালকদের হাতে মূল স্মার্ট কার্ড হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মতামত