চট্টগ্রাম আধুনিক, নান্দনিক, পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য চট্টগ্রাম গড়ার লক্ষ্যে নতুন মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। নতুন এই পরিকল্পনায় শুধু চট্টগ্রাম নগরী নয়, আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকাকেও পরিকল্পিত উন্নয়নের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ছবিতে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন শুরু হয় ২০২২ সালে। এর আওতাধীন প্রস্তাবিত সীমানা প্রায় ১ হাজার ১৫২ বর্গকিলোমিটার। এই বৃহৎ পরিকল্পনার আওতায় রয়েছে হাটহাজারী, রাঙ্গুনিয়া, রাউজান, সীতাকুণ্ড, বোয়ালখালী, কর্ণফুলী, আনোয়ারা ও পটিয়া উপজেলা।
নতুন মাস্টার প্ল্যানে এসব এলাকার ভবিষ্যৎ জনসংখ্যা বৃদ্ধি, আবাসন, সড়ক যোগাযোগ, শিল্প ও বাণিজ্যিক এলাকা, কৃষিজমি, জলাধার, পাহাড়-পর্বত, খাল ও পরিবেশ সংরক্ষণসহ ভূমির সুষ্ঠু ব্যবহারকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে। ফলে চট্টগ্রাম নগরীর পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী উপজেলা ও জনপদগুলোরও পরিকল্পিত সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেনের নেতৃত্বে পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে চট্টগ্রামকে আরও সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তোলার প্রত্যাশা করা হচ্ছে। পরিকল্পনাটি যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে অপরিকল্পিত নগরায়ণ নিয়ন্ত্রণ, যানজট ও জলাবদ্ধতা মোকাবিলা, আবাসন ব্যবস্থাপনা এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশেষ করে হাটহাজারী থেকে পটিয়া, সীতাকুণ্ড থেকে রাঙ্গুনিয়া, রাউজান থেকে কর্ণফুলী ও আনোয়ারা—বৃহত্তর চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোকে সমন্বিত পরিকল্পনার আওতায় আনার ফলে ভবিষ্যৎ উন্নয়ন আরও সুসংগঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
নগরবাসীর প্রত্যাশা, শুধু মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন নয়, এর বাস্তবায়নেও পরিবেশ, কৃষিজমি, পাহাড়, নদী-খাল ও জলাধার রক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। তাহলেই গড়ে উঠতে পারে একটি আধুনিক, নান্দনিক, সবুজ ও বাসযোগ্য চট্টগ্রাম।
আধুনিক,চট্টগ্রাম,সিডিএ,নতুন মাস্টার,প্ল্যান,হাটহাজারী রাঙ্গুনিয়া,রাউজান,সীতাকুণ্ড বোয়ালখালী,কর্ণফুলী আনোয়ারা,পটিয়া পরিকল্পিত,চট্টগ্রাম বাসযোগ্য,চট্টগ্রাম

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মতামত