রাঙামাটির পর্যটনের আইকন ঝুলন্ত সেতুতে সাতদিন পর পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়। এর আগে গত শনিবার কাপ্তাই হ্রদে পানি বৃদ্ধি পেয়ে ঝুলন্ত সেতুর পাটাতন এক ফুট পর্যন্ত ডুবে গেলে নিরাপত্তার স্বার্থে ঝুলন্ত সেতুতে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে কর্র্তৃপক্ষ। হ্রদের পানি কমাতে কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট খুলে দেওয়ার পর ধীরে ধীরে হ্রদে পানি কমতে থাকে, এতে ছয়দিন পর গতকাল শুক্রবার ঝুলন্ত সেতুর পাটাতন থেকে পানি নেমে সেতু দৃশ্যমান হয়।
পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা বলেন, কাপ্তাই হ্রদে পানি কিছুটা কমে আসায় সেতুর পাটাতন থেকে পানি নেমে গেছে। গতকাল সেতু ঘষামাজা করে পর্যটকদের চলাচলের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। পর্যটকরা আবারো ঝুলন্ত সেতুর সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবে।
ঢাকা থেকে আসা মো. সাকিব বলেন, রাঙামাটি এসে শুনেছিলাম ঝুলন্ত সেতু পানির নিচে, শুনে মন খারাপ হয়ে গিয়েছিল। তবে এসে সংস্কার কাজ চলতে দেখেও সেতুতে হাঁটতে পেরে দারুণ লাগছে।’
কুমিল্লা থেকে বেড়াতে আসা মোছা: জিনায়া আক্তার বলেন, শুনেছিলাম সেতু ডুবে আছে, রাঙামাটি আসার পর শুনে মনটি খুব খারাপ হয়ে ছিলো। তারপরও ডুবন্ত সেতু দেখতে এসে সেতৃটি দৃশ্যমান ও ঘুরতে পারায় রাঙামাটি বেড়াতে আসা শতভাগ স্বার্থক হলো।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী নুসরাত ফারিয়া বলেন, প্রথমবার বন্ধুদের সাথে রাঙামাটি এসেছি। এখানকার প্রকৃতি দারুণ লাগছে। সৃষ্টিকর্তা সব কিছু ঢেলে দিয়েছে এখানে। দারুণ সময় উপভোগ করছি সবাই।
সেতু ডুবে যাওয়ার পর পর্যটক সমাগম কমে যাওয়ায় সরাসরি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীরা। তবে পানি কমে সেতু ভেসে ওঠায় ব্যবসা আবার স্বাভাবিক ও জমজমাট হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন রাঙামাটি পর্যটন বোট ঘাটের ইজারাদার মো. ফখরুল ইসলামসহ অন্যান্য ব্যবসায়ীরা।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মতামত