বিশেষ প্রতিনিধি:
পঞ্চগড় সদর উপজেলায় প্রেম ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অন্তঃসত্ত্বা করার অভিযোগে ষষ্ঠ শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী ছাত্রীর ভাইয়ের দায়ের করা মামলায় শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। রোববার আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্ত কিশোরকে কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চগড় সদরের একটি মাদ্রাসায় পড়ার সুবাদে ১৫ বছর বয়সী ওই ছাত্রীকে প্রায় দুই বছর ধরে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল অভিযুক্ত ওই ছোট ছাত্র। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। সর্বশেষ গত ৭ মে রাতে ভুক্তভোগীর নিজ বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ রয়েছে।
সম্প্রতি ওই ছাত্রীর শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে পরিবারের সন্দেহ হয়। গত ৫ সেপ্টেম্বর স্থানীয় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আল্ট্রাসনোগ্রাম করানো হলে পরীক্ষায় সে ১৭ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা বলে ধরা পড়ে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে এলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে পঞ্চগড় সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এজাহারের ভিত্তিতে নিয়মিত মামলা রেকর্ড করে অভিযুক্ত কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশে তাকে কিশোর শোধনাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মতামত