জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
সারাদেশ

সারাদেশ

চেকপোস্টে পুলিশের সংকেত পেয়ে পালিয়ে যায় চালক, দুই দিন আগে ঢাকার ভাটারা থেকে চুরি হয়েছিল মোটরসাইকেলটি

পদ্মা সেতু এলাকায় চেকপোস্টে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার

পদ্মা সেতু এলাকায় চেকপোস্টে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার
পদ্মা সেতু এলাকায় চেকপোস্টে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার


পদ্মা সেতু (উত্তর) থানা এলাকার নিয়মিত ট্রাফিক চেকপোস্ট থেকে চোরাই একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে পুলিশের সংকেত পেয়ে মোটরসাইকেলটি ফেলে চালক দৌড়ে পালিয়ে যায়।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে পদ্মা সেতু (উত্তর) থানার সামনে নিয়মিত চেকপোস্ট ডিউটি করছিলেন পদ্মা থানা ট্রাফিক ইনচার্জ পবিত্র কুমার বিশ্বাস। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সার্জেন্ট আল আমিন, কনস্টেবল শাখাওয়াত ও কনস্টেবল জনি খান।
চেকপোস্টে একটি লাল রঙের পালসার এনএস ১৬০ সিসি মোটরসাইকেলকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। মোটরসাইকেলটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর ঢাকা মেট্রো-ল-৪০-৯১৭৫। পুলিশ কাগজপত্র দেখতে চাইলে চালক মোটরসাইকেলটি রেখে কৌশলে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
পরে পুলিশ মোটরসাইকেলটি হেফাজতে নিয়ে পদ্মা সেতু (উত্তর) থানায় জমা দেয় এবং সরকারি মালিকানা যাচাই করে। মালিকের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, গত ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার ভাটারা থানাধীন ভাটারা কেন্দ্রীয় মসজিদ এলাকার নিজ বাসার নিচ থেকে মোটরসাইকেলটি চুরি হয়। বিষয়টি তিনি ভাটারা থানায় অবহিতও করেছিলেন।
এর ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) মোটরসাইকেলের প্রকৃত মালিক মো. আলমগীর নবীন, পিতা—মো. শহিদুল্লাহ, মাতা—মোসা. পারুল আক্তার, সাং—পশ্চিম ভাটারা, ৪০ নম্বর ওয়ার্ড, থানা—ভাটারা, জেলা—ঢাকা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও জিডির কপি নিয়ে পদ্মা সেতু (উত্তর) থানায় হাজির হন।
পুলিশ জানায়, ভাটারা থানায় করা জিডির নম্বর ৮৭৩, তারিখ ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬। জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) জ্যোতির্ময় মন্ডল, বিপি-৯২২০২২৬৬৭৩।
কাগজপত্র যাচাই করে মোটরসাইকেলটির মালিকানা সঠিক পাওয়ায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এটি ভাটারা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পদ্মা সেতু এলাকায় চেকপোস্টে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
পদ্মা সেতু (উত্তর) থানা এলাকার নিয়মিত ট্রাফিক চেকপোস্ট থেকে চোরাই একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে পুলিশের সংকেত পেয়ে মোটরসাইকেলটি ফেলে চালক দৌড়ে পালিয়ে যায়। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে পদ্মা সেতু (উত্তর) থানার সামনে নিয়মিত চেকপোস্ট ডিউটি করছিলেন পদ্মা থানা ট্রাফিক ইনচার্জ পবিত্র কুমার বিশ্বাস। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সার্জেন্ট আল আমিন, কনস্টেবল শাখাওয়াত ও কনস্টেবল জনি খান। চেকপোস্টে একটি লাল রঙের পালসার এনএস ১৬০ সিসি মোটরসাইকেলকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। মোটরসাইকেলটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর ঢাকা মেট্রো-ল-৪০-৯১৭৫। পুলিশ কাগজপত্র দেখতে চাইলে চালক মোটরসাইকেলটি রেখে কৌশলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ মোটরসাইকেলটি হেফাজতে নিয়ে পদ্মা সেতু (উত্তর) থানায় জমা দেয় এবং সরকারি মালিকানা যাচাই করে। মালিকের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, গত ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার ভাটারা থানাধীন ভাটারা কেন্দ্রীয় মসজিদ এলাকার নিজ বাসার নিচ থেকে মোটরসাইকেলটি চুরি হয়। বিষয়টি তিনি ভাটারা থানায় অবহিতও করেছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) মোটরসাইকেলের প্রকৃত মালিক মো. আলমগীর নবীন, পিতা—মো. শহিদুল্লাহ, মাতা—মোসা. পারুল আক্তার, সাং—পশ্চিম ভাটারা, ৪০ নম্বর ওয়ার্ড, থানা—ভাটারা, জেলা—ঢাকা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও জিডির কপি নিয়ে পদ্মা সেতু (উত্তর) থানায় হাজির হন। পুলিশ জানায়, ভাটারা থানায় করা জিডির নম্বর ৮৭৩, তারিখ ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬। জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) জ্যোতির্ময় মন্ডল, বিপি-৯২২০২২৬৬৭৩। কাগজপত্র যাচাই করে মোটরসাইকেলটির মালিকানা সঠিক পাওয়ায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এটি ভাটারা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়।

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
পদ্মা সেতু এলাকায় চেকপোস্টে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার
0:00 0:00
1.0x