চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় তীব্র বিদ্যুৎ সংকট ও ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা। দিনের বড় একটি সময় বিদ্যুৎ না থাকায় প্রচণ্ড গরমে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, ব্যবসা-বাণিজ্য, ক্ষুদ্র শিল্প, কৃষিকাজসহ দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় গ্রাহকদের অভিযোগ, দিন-রাত মিলিয়ে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। অনেক সময় একটানা কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। বিশেষ করে সন্ধ্যা ও রাতের সময়ে লোডশেডিং হওয়ায় শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করছে।
বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্রিজ, ফ্যান, পানির পাম্পসহ প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা যাচ্ছে না। পাশাপাশি বিদ্যুৎনির্ভর ছোট ব্যবসা ও ওয়ার্কশপগুলোতেও কাজের ব্যাঘাত ঘটছে। শিক্ষার্থীরাও নিয়মিত পড়াশোনা করতে পারছে না বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা।
সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ চট্টগ্রামের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকাগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে দীর্ঘ সময় ধরে লোডশেডিং হচ্ছে। চন্দনাইশসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় প্রতিদিন গড়ে ১০ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় বিদ্যুৎ না থাকার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
এদিকে বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘাটতির বিষয়টি স্বীকার করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে লোডশেডিং করতে হচ্ছে।
স্থানীয় গ্রাহকদের দাবি, বিদ্যুৎ সংকটের স্থায়ী সমাধানে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। বিশেষ করে চন্দনাইশের গ্রামাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন ও সহনীয় মাত্রায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি উদ্যোগ প্রয়োজন।
গ্রাহকদের প্রত্যাশা বিদ্যুৎ যায় বেশি, আসে কম এই পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে দ্রুত স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় তীব্র বিদ্যুৎ সংকট ও ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা। দিনের বড় একটি সময় বিদ্যুৎ না থাকায় প্রচণ্ড গরমে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, ব্যবসা-বাণিজ্য, ক্ষুদ্র শিল্প, কৃষিকাজসহ দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় গ্রাহকদের অভিযোগ, দিন-রাত মিলিয়ে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। অনেক সময় একটানা কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। বিশেষ করে সন্ধ্যা ও রাতের সময়ে লোডশেডিং হওয়ায় শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করছে।
বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্রিজ, ফ্যান, পানির পাম্পসহ প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা যাচ্ছে না। পাশাপাশি বিদ্যুৎনির্ভর ছোট ব্যবসা ও ওয়ার্কশপগুলোতেও কাজের ব্যাঘাত ঘটছে। শিক্ষার্থীরাও নিয়মিত পড়াশোনা করতে পারছে না বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা।
সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ চট্টগ্রামের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকাগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে দীর্ঘ সময় ধরে লোডশেডিং হচ্ছে। চন্দনাইশসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় প্রতিদিন গড়ে ১০ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় বিদ্যুৎ না থাকার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
এদিকে বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘাটতির বিষয়টি স্বীকার করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে লোডশেডিং করতে হচ্ছে।
স্থানীয় গ্রাহকদের দাবি, বিদ্যুৎ সংকটের স্থায়ী সমাধানে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। বিশেষ করে চন্দনাইশের গ্রামাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন ও সহনীয় মাত্রায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি উদ্যোগ প্রয়োজন।
গ্রাহকদের প্রত্যাশা বিদ্যুৎ যায় বেশি, আসে কম এই পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে দ্রুত স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মতামত