পরিবারের দাবি, পটিয়া শেভরন হাসপাতালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পর সেতুর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে নেওয়ার পর আনুমানিক রাত ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
নিহত সাদিয়া সুলতানা সেতুর বাবার বাড়ি পটিয়া উপজেলার ১৫ নম্বর ছনহরা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ধাউরডেঙ্গা এলাকায়। তার বাবা নুরুল ইসলাম। বড় ভাই মুন্না সিএনজি চালক এবং মেজ ভাই রানা প্রবাসী।
অন্যদিকে, সেতুর স্বামীর বাড়ি পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চত্বার মার্কেট এলাকায়। তার স্বামী মো. জসিম প্রবাসী বলে জানা গেছে।
পরিবারের অভিযোগ, পটিয়া শেভরন হাসপাতালে ডাক্তার মিনি বড়ুয়ার তত্ত্বাবধানে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পরই সেতুর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এ ঘটনায় চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা বা ভুল চিকিৎসা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
তবে চিকিৎসায় অবহেলা বা ভুল চিকিৎসার অভিযোগের সত্যতা এখনো নিশ্চিত নয়। বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্ত এবং চিকিৎসাসংক্রান্ত নথিপত্র পর্যালোচনার মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।
সাদিয়া সুলতানা সেতুর মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মতামত