জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
সারাদেশ

সারাদেশ

ক্ষমতার মোহে অন্ধ মুতয়াল্লি নুর ইসলাম: সরকারি খাস জমি থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের শ্মশান সবই কি তার ব্যক্তিগত সম্পত্তি।

দখল করে মসজিদে দান কোন ধর্মে আছে এই পাপের অধিকার। শান্তিগঞ্জে মুতয়াল্লির বেপরোয়া দুর্নীতি

দখল করে মসজিদে দান কোন ধর্মে আছে এই পাপের অধিকার। শান্তিগঞ্জে মুতয়াল্লির বেপরোয়া দুর্নীতি
ধর্মের নামে ভূমি বাণিজ্য: শান্তিগঞ্জে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি মাঠ ও শ্মশান দখলের মহোৎসব

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার আমদাবাদ এলাকায় আমদাবাদ মসজিদের মুতয়াল্লি (পরিচালক) নুর ইসলাম এর বিরুদ্ধে উঠেছে ক্ষমতার চরম অপব্যবহার, জবরদখল এবং অনিয়মের পাহাড়সম অভিযোগ। ধর্মীয় পদবী ও পবিত্রতাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সরকারি খাস জমি, ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠ এমনকি হিন্দু সম্প্রদায়ের শ্মশানের জমি পর্যন্ত গ্রাস করার এই ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজে।

 ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আড়ালে ভূমি বাণিজ্য এবং মাদ্রাসার নামে দখল।

মসজিদের মুতয়াল্লি হওয়ার সুবাদে নুর ইসলাম নিজের খেয়ালখুশিমতো এলাকায় একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে চলেছেন। সরকারের কোনো ধরনের অনুমোদন বা বৈধ বন্দোবস্ত ছাড়াই সরকারি খাস জমি জবরদখল করে তা নানা বাণিজ্যিক রূপ দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে।

অবৈধ লিজ ও মাদ্রাসার নামে ভিটা তৈরি: সরকারের অনুমতি ছাড়াই সরকারি জায়গা জোরপূর্বক দখল করে তা মসজিদের নামে লিজ দেওয়া হচ্ছে এবং সেই লিজের টাকা মসজিদের তহবিলে জমা দেওয়ার আজব নিয়ম চালু করা হয়েছে।

এছাড়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার কথা বলে সরকারি জায়গায় মাটি ফেলে ভিটা বা তৈরির কাজ চলছে রয়েছে।

ধর্ম ও আইনের বড় প্রশ্ন:

স্থানীয় সচেতন মহলের জোরালো প্রশ্ন, সরকারি জায়গা দখল করে দিয়ে অসহায়ের, কাছ থেকে টাকা নেওয়া। বন্দোবস্ত এনে দেওয়া বা সেই টাকা মসজিদে দান করা। কোন আইনে বা ধর্মে আছে।ধর্মীয় অনুশাসনের দোহাই দিয়ে বা অন্ধ আবেগের বশে এমন অবৈধ দখল চালিয়ে কি আদতে সওয়াব অর্জন করা হচ্ছে।

নাকি পাপের বোঝা ভারী করা হচ্ছে। এটি ইচ্ছাকৃত অপরাধ নাকি অন্ধ আবেগের পরিণতি। সেই প্রশ্ন আজ জোরালোভাবে সামনে এসেছে। বছরের পর বছর এই জমি থেকে উৎপাদিত ফসলের (ধান) আয় কোথায় যাচ্ছে এবং এর কোনো সরকারি রাজস্ব দেওয়া হয়েছে কি না, তারও কোনো সদুত্তর নেই।

ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠ ও পরিবেশ ধ্বংস।।

আমদাবাদের, হাসারচর, আমদাবাদ, এলাকার বিশাল আকারের ঐতিহাসিক মাঠটি আজ দখলদারদের থাবায় ধ্বংসের মুখে। যুবকদের ফুটবল খেলার মাঠ, ঐতিহ্যবাহী ঘোড়ার দৌড় ও ষাঁড়ের লড়াইয়ের এই প্রাণবন্ত স্থানটি এখন দখল ও অনিয়মের শিকার। এই মাঠে কৃষকদের ধান শুকানো, গবাদিপশুর ঘাস খাওয়ার সুবিধা এবং এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

 সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শ্মশানের জমি জবরদখল।

অভিযোগের অত্যন্ত সংবেদনশীল ও অমানবিক দিক হলো।

হিন্দু সম্প্রদায়ের শেষকৃত্য বা শ্মশানের জমিও এই দখলদারদের হাত থেকে রেহাই পায়নি। অর্থ ও প্রভাব খাটিয়ে শ্মশানের নির্দিষ্ট জায়গাটি টাকার বিনিময়ে জবরদখল করার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এলাকার নিরীহ ও সংখ্যায় কম হওয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। তাদের এই অসহায়ত্বের সুযোগ দীর্ঘদিন ধরে কাজে লাগিয়ে আসছে এই চক্র।

 অবৈধ মাটি কাটা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান।

আমদাবাদ এলাকার একটি বড় সরকারি মাঠ থেকে মাটি কেটে বিভিন্ন স্থানে বিক্রির ঘটনায় গত ৬ এপ্রিল রাতে শান্তিগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে। ওই সময় চারজনকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও দেড় হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

মাটি কাটার মূল হুকুমদাতা হিসেবে নুর ইসলামের বিরুদ্ধে ১ লাখ টাকা নগদ অর্থদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়।

প্রশাসনের সরাসরি অভিযানের পরও মুতয়াল্লি পদের প্রভাব দেখিয়ে কীভাবে এই ধরনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকে, তা নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

 সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ।

সরকারি খাস জমি বন্দোবস্ত করে দেওয়ার কথা বলে সাধারণ ও অসহায় মানুষের কাছ থেকে, টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে নুর ইসলামের বিরুদ্ধে। 

এই অপকর্মের সাপক্ষে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর কল রেকর্ড ও ভিডিও ফুটেজ স্থানীয়দের সংরক্ষণে রয়েছে।

 সাংবাদিক হেনস্তা ও পেশাগত স্বাধীনতায় বাধা।

সম্প্রতি আমদাবাদ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফ্যান বন্ধ রাখার মতো অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের পর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন নুর ইসলাম ও তার সহযোগীরা। সংবাদ প্রকাশের জেরে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের কুৎসা রটানো ও হেনস্তা করা হয়। তথ্য সংগ্রহ ও সংবাদ প্রকাশের মতো পবিত্র পেশাগত দায়িত্ব পালনে এমন বাধা প্রদান গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য বড় হুমকি।

সচেতন নাগরিক সমাজের দাবি ও প্রত্যাশা।

জনপ্রতিনিধিদের নীরবতা কেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা কেন এই নগ্ন দখলের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বৈধ কাগজপত্র কোথায়, সরকারি খাস জমি এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে পরিচালিত এই অবৈধ ভূমি বাণিজ্যের বৈধ কাগজপত্র কোথায়, তার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

আইনানুগ ব্যবস্থা, অবিলম্বে সাংবাদিকদের হেনস্তাকারীদের এবং সরকারি সম্পত্তি দখলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মুতয়াল্লি পদের অপব্যবহার করে চলা এই নৈরাজ্য বন্ধে অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক তদন্ত প্রয়োজন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং সাধারণ মানুষ ও গণমাধ্যমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


দখল করে মসজিদে দান কোন ধর্মে আছে এই পাপের অধিকার। শান্তিগঞ্জে মুতয়াল্লির বেপরোয়া দুর্নীতি

প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার আমদাবাদ এলাকায় আমদাবাদ মসজিদের মুতয়াল্লি (পরিচালক) নুর ইসলাম এর বিরুদ্ধে উঠেছে ক্ষমতার চরম অপব্যবহার, জবরদখল এবং অনিয়মের পাহাড়সম অভিযোগ। ধর্মীয় পদবী ও পবিত্রতাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সরকারি খাস জমি, ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠ এমনকি হিন্দু সম্প্রদায়ের শ্মশানের জমি পর্যন্ত গ্রাস করার এই ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আড়ালে ভূমি বাণিজ্য এবং মাদ্রাসার নামে দখল।মসজিদের মুতয়াল্লি হওয়ার সুবাদে নুর ইসলাম নিজের খেয়ালখুশিমতো এলাকায় একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে চলেছেন। সরকারের কোনো ধরনের অনুমোদন বা বৈধ বন্দোবস্ত ছাড়াই সরকারি খাস জমি জবরদখল করে তা নানা বাণিজ্যিক রূপ দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে।অবৈধ লিজ ও মাদ্রাসার নামে ভিটা তৈরি: সরকারের অনুমতি ছাড়াই সরকারি জায়গা জোরপূর্বক দখল করে তা মসজিদের নামে লিজ দেওয়া হচ্ছে এবং সেই লিজের টাকা মসজিদের তহবিলে জমা দেওয়ার আজব নিয়ম চালু করা হয়েছে।এছাড়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার কথা বলে সরকারি জায়গায় মাটি ফেলে ভিটা বা তৈরির কাজ চলছে রয়েছে।ধর্ম ও আইনের বড় প্রশ্ন:স্থানীয় সচেতন মহলের জোরালো প্রশ্ন, সরকারি জায়গা দখল করে দিয়ে অসহায়ের, কাছ থেকে টাকা নেওয়া। বন্দোবস্ত এনে দেওয়া বা সেই টাকা মসজিদে দান করা। কোন আইনে বা ধর্মে আছে।ধর্মীয় অনুশাসনের দোহাই দিয়ে বা অন্ধ আবেগের বশে এমন অবৈধ দখল চালিয়ে কি আদতে সওয়াব অর্জন করা হচ্ছে।নাকি পাপের বোঝা ভারী করা হচ্ছে। এটি ইচ্ছাকৃত অপরাধ নাকি অন্ধ আবেগের পরিণতি। সেই প্রশ্ন আজ জোরালোভাবে সামনে এসেছে। বছরের পর বছর এই জমি থেকে উৎপাদিত ফসলের (ধান) আয় কোথায় যাচ্ছে এবং এর কোনো সরকারি রাজস্ব দেওয়া হয়েছে কি না, তারও কোনো সদুত্তর নেই।ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠ ও পরিবেশ ধ্বংস।।আমদাবাদের, হাসারচর, আমদাবাদ, এলাকার বিশাল আকারের ঐতিহাসিক মাঠটি আজ দখলদারদের থাবায় ধ্বংসের মুখে। যুবকদের ফুটবল খেলার মাঠ, ঐতিহ্যবাহী ঘোড়ার দৌড় ও ষাঁড়ের লড়াইয়ের এই প্রাণবন্ত স্থানটি এখন দখল ও অনিয়মের শিকার। এই মাঠে কৃষকদের ধান শুকানো, গবাদিপশুর ঘাস খাওয়ার সুবিধা এবং এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শ্মশানের জমি জবরদখল।অভিযোগের অত্যন্ত সংবেদনশীল ও অমানবিক দিক হলো।হিন্দু সম্প্রদায়ের শেষকৃত্য বা শ্মশানের জমিও এই দখলদারদের হাত থেকে রেহাই পায়নি। অর্থ ও প্রভাব খাটিয়ে শ্মশানের নির্দিষ্ট জায়গাটি টাকার বিনিময়ে জবরদখল করার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এলাকার নিরীহ ও সংখ্যায় কম হওয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। তাদের এই অসহায়ত্বের সুযোগ দীর্ঘদিন ধরে কাজে লাগিয়ে আসছে এই চক্র। অবৈধ মাটি কাটা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান।আমদাবাদ এলাকার একটি বড় সরকারি মাঠ থেকে মাটি কেটে বিভিন্ন স্থানে বিক্রির ঘটনায় গত ৬ এপ্রিল রাতে শান্তিগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে। ওই সময় চারজনকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও দেড় হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।মাটি কাটার মূল হুকুমদাতা হিসেবে নুর ইসলামের বিরুদ্ধে ১ লাখ টাকা নগদ অর্থদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়।প্রশাসনের সরাসরি অভিযানের পরও মুতয়াল্লি পদের প্রভাব দেখিয়ে কীভাবে এই ধরনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকে, তা নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ।সরকারি খাস জমি বন্দোবস্ত করে দেওয়ার কথা বলে সাধারণ ও অসহায় মানুষের কাছ থেকে, টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে নুর ইসলামের বিরুদ্ধে। এই অপকর্মের সাপক্ষে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর কল রেকর্ড ও ভিডিও ফুটেজ স্থানীয়দের সংরক্ষণে রয়েছে। সাংবাদিক হেনস্তা ও পেশাগত স্বাধীনতায় বাধা।সম্প্রতি আমদাবাদ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফ্যান বন্ধ রাখার মতো অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের পর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন নুর ইসলাম ও তার সহযোগীরা। সংবাদ প্রকাশের জেরে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের কুৎসা রটানো ও হেনস্তা করা হয়। তথ্য সংগ্রহ ও সংবাদ প্রকাশের মতো পবিত্র পেশাগত দায়িত্ব পালনে এমন বাধা প্রদান গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য বড় হুমকি।সচেতন নাগরিক সমাজের দাবি ও প্রত্যাশা।জনপ্রতিনিধিদের নীরবতা কেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা কেন এই নগ্ন দখলের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।বৈধ কাগজপত্র কোথায়, সরকারি খাস জমি এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে পরিচালিত এই অবৈধ ভূমি বাণিজ্যের বৈধ কাগজপত্র কোথায়, তার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।আইনানুগ ব্যবস্থা, অবিলম্বে সাংবাদিকদের হেনস্তাকারীদের এবং সরকারি সম্পত্তি দখলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।মুতয়াল্লি পদের অপব্যবহার করে চলা এই নৈরাজ্য বন্ধে অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক তদন্ত প্রয়োজন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং সাধারণ মানুষ ও গণমাধ্যমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
দখল করে মসজিদে দান কোন ধর্মে আছে এই পাপের অধিকার। শান্তিগঞ্জে মুতয়াল্লির বেপরোয়া দুর্নীতি
0:00 0:00
1.0x