জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
সারাদেশ

সারাদেশ

মহাসড়ক ও প্রধান সড়কে চলাচল সীমিত করে লাইসেন্স, প্রশিক্ষণ ও পর্যায়ক্রমে পুনর্বাসনের প্রস্তাব অ্যাডভোকেট কুতুব উদ্দিন আরিফের

অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে শৃঙ্খলা ও বিকল্প কর্মসংস্থানের আহ্বান

অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে শৃঙ্খলা ও বিকল্প কর্মসংস্থানের আহ্বান

অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে শৃঙ্খলা ও বিকল্প কর্মসংস্থানের আহ্বান

মহাসড়ক ও প্রধান সড়কে চলাচল সীমিত করে লাইসেন্স, প্রশিক্ষণ ও পর্যায়ক্রমে পুনর্বাসনের প্রস্তাব অ্যাডভোকেট কুতুব উদ্দিন আরিফের

অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত রিকশা সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় একদিকে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে এসব যানবাহনের সঙ্গে বিপুলসংখ্যক নিম্নআয়ের মানুষের কর্মসংস্থান জড়িত। ফলে এ খাতকে হঠাৎ নিষিদ্ধ না করে নিয়ন্ত্রণ, প্রমিতকরণ ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন ফেনী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অ্যাডভোকেট কুতুব উদ্দিন আরিফ।

তিনি বলেন, অটোরিকশার জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা, গতিসীমা ও লাইসেন্স ব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন। বর্তমানে অনেক অটোরিকশা যথাযথ নিয়মের বাইরে চলাচল করায় সড়কে বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে। এসব যানবাহনকে একটি কার্যকর নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর আওতায় আনা গেলে সড়ক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হতে পারে।

অ্যাডভোকেট কুতুব উদ্দিন আরিফের প্রস্তাব অনুযায়ী, মহাসড়ক, আঞ্চলিক মহাসড়ক এবং শহরের প্রধান ট্রাংক রোডে অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল কঠোরভাবে সীমিত বা নিষিদ্ধ করা যেতে পারে। একই সঙ্গে শহরের অভ্যন্তরীণ সড়ক, গলি ও নির্ধারিত আঞ্চলিক সড়কে নিয়ন্ত্রিতভাবে চলাচলের সুযোগ রাখা যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, চালকদের অনেকেরই প্রাতিষ্ঠানিক ট্রাফিক জ্ঞান ও প্রশিক্ষণ নেই। ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়। সহজ শর্তে চালকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে ধাপে ধাপে ড্রাইভিং লাইসেন্সের আওতায় আনা হলে চালকদের দক্ষতা ও সড়ক নিরাপত্তা—দুই ক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

তবে অটোরিকশা রাতারাতি নিষিদ্ধ করার বিষয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, এর সঙ্গে বিপুলসংখ্যক মানুষের জীবিকা জড়িত। হঠাৎ করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে অনেক পরিবার কর্মসংস্থান হারাতে পারে এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হতে পারে। তাই প্রয়োজন হলে পর্যায়ক্রমে চলাচল সীমিত করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট চালক ও শ্রমজীবী মানুষের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান এবং সহজ শর্তে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া দরকার।

তার মতে, শুধু প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে যানবাহনের নিবন্ধন ও লাইসেন্স ব্যবস্থা, চালকদের প্রশিক্ষণ, নির্দিষ্ট রুট, গতিসীমা এবং কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

অ্যাডভোকেট কুতুব উদ্দিন আরিফ বলেন, “হঠাৎ করে বিপুলসংখ্যক মানুষকে বেকার না করে নিয়ন্ত্রণ, প্রমিতকরণ ও সুশৃঙ্খল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অটোরিকশা খাতকে নিয়মের মধ্যে আনা যেতে পারে।”

তিনি এ বিষয়ে সরকার ও জেলা প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ কামনা করেন।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে শৃঙ্খলা ও বিকল্প কর্মসংস্থানের আহ্বান

প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে শৃঙ্খলা ও বিকল্প কর্মসংস্থানের আহ্বানমহাসড়ক ও প্রধান সড়কে চলাচল সীমিত করে লাইসেন্স, প্রশিক্ষণ ও পর্যায়ক্রমে পুনর্বাসনের প্রস্তাব অ্যাডভোকেট কুতুব উদ্দিন আরিফেরঅটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত রিকশা সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় একদিকে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে এসব যানবাহনের সঙ্গে বিপুলসংখ্যক নিম্নআয়ের মানুষের কর্মসংস্থান জড়িত। ফলে এ খাতকে হঠাৎ নিষিদ্ধ না করে নিয়ন্ত্রণ, প্রমিতকরণ ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন ফেনী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অ্যাডভোকেট কুতুব উদ্দিন আরিফ।তিনি বলেন, অটোরিকশার জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা, গতিসীমা ও লাইসেন্স ব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন। বর্তমানে অনেক অটোরিকশা যথাযথ নিয়মের বাইরে চলাচল করায় সড়কে বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে। এসব যানবাহনকে একটি কার্যকর নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর আওতায় আনা গেলে সড়ক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হতে পারে।অ্যাডভোকেট কুতুব উদ্দিন আরিফের প্রস্তাব অনুযায়ী, মহাসড়ক, আঞ্চলিক মহাসড়ক এবং শহরের প্রধান ট্রাংক রোডে অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল কঠোরভাবে সীমিত বা নিষিদ্ধ করা যেতে পারে। একই সঙ্গে শহরের অভ্যন্তরীণ সড়ক, গলি ও নির্ধারিত আঞ্চলিক সড়কে নিয়ন্ত্রিতভাবে চলাচলের সুযোগ রাখা যেতে পারে।তিনি আরও বলেন, চালকদের অনেকেরই প্রাতিষ্ঠানিক ট্রাফিক জ্ঞান ও প্রশিক্ষণ নেই। ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়। সহজ শর্তে চালকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে ধাপে ধাপে ড্রাইভিং লাইসেন্সের আওতায় আনা হলে চালকদের দক্ষতা ও সড়ক নিরাপত্তা—দুই ক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।তবে অটোরিকশা রাতারাতি নিষিদ্ধ করার বিষয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, এর সঙ্গে বিপুলসংখ্যক মানুষের জীবিকা জড়িত। হঠাৎ করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে অনেক পরিবার কর্মসংস্থান হারাতে পারে এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হতে পারে। তাই প্রয়োজন হলে পর্যায়ক্রমে চলাচল সীমিত করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট চালক ও শ্রমজীবী মানুষের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান এবং সহজ শর্তে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া দরকার।তার মতে, শুধু প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে যানবাহনের নিবন্ধন ও লাইসেন্স ব্যবস্থা, চালকদের প্রশিক্ষণ, নির্দিষ্ট রুট, গতিসীমা এবং কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।অ্যাডভোকেট কুতুব উদ্দিন আরিফ বলেন, “হঠাৎ করে বিপুলসংখ্যক মানুষকে বেকার না করে নিয়ন্ত্রণ, প্রমিতকরণ ও সুশৃঙ্খল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অটোরিকশা খাতকে নিয়মের মধ্যে আনা যেতে পারে।”তিনি এ বিষয়ে সরকার ও জেলা প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ কামনা করেন।

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে শৃঙ্খলা ও বিকল্প কর্মসংস্থানের আহ্বান
0:00 0:00
1.0x