জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
সারাদেশ

সারাদেশ

মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পণ্য আমদানির অভিযোগ: বেনাপোলের ১০ সিএন্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে এনবিআরের তদন্ত

মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পণ্য আমদানির অভিযোগ: বেনাপোলের ১০ সিএন্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে এনবিআরের তদন্ত

মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পণ্য আমদানির অভিযোগ: বেনাপোলের ১০ সিএন্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে এনবিআরের তদন্ত
মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পণ্য আমদানির অভিযোগ: বেনাপোলের ১০ সিএন্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে এনবিআরের তদন্ত

বেনাপোল স্থলবন্দরে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পণ্য আমদানির মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে ১০টি সিএন্ডএফ এজেন্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তিন সদস্যের একটি তদন্ত দল গত কয়েকদিন বেনাপোল কাস্টম হাউজ ও বন্দরে সরেজমিন অনুসন্ধান চালিয়েছে।

তদন্ত কমিটির প্রধান ও মোংলা কাস্টমস কমিশনার হোসেন আহমদ জানান, তদন্তকালে অভিযুক্ত সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যবসায়ীরা তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে তদন্ত কমিটির কাছে লিখিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে মোটরসাইকেল আমদানির ক্ষেত্রে প্রায় ৫০ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগের পর বিষয়টি তদন্তে নামে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর।

শুল্ক গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে জানা যায়, ঢাকার টিভিএস অটো বাংলাদেশ লিমিটেড মোটরসাইকেলের খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানির ঘোষণা দিয়ে বেনাপোল বন্দর ব্যবহার করে বিপুলসংখ্যক পূর্ণাঙ্গ মোটরসাইকেল আমদানি করে বলে অভিযোগ ওঠে। এতে রেয়াতি শুল্ক সুবিধা নিয়ে কম হারে কর পরিশোধের মাধ্যমে প্রায় ৫০ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

এই ঘটনায় টিভিএস অটো বাংলাদেশ লিমিটেডের পাশাপাশি বেনাপোলের মেসার্স শামছুর রহমান ও সুজন এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। পণ্য চালানের এলসি, ইনভয়েস ও প্যাকিং লিস্টে অনিয়মের অভিযোগও তদন্তে উঠে আসে।

বেনাপোল কাস্টম সূত্র জানায়, শামছুর রহমানসহ ১০টি সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যায়। পরে বিষয়টি তদন্তের জন্য এনবিআরকে নির্দেশ দেওয়া হলে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

অভিযোগ থাকা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—জয়েন্ট এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স অর্ণব এন্টারপ্রাইজ, সোহান ট্রেড, লিটন এন্টারপ্রাইজ, মোত্তালিব, মিলেনিয়াম এন্টারপ্রাইজ, আনুষা ইমপেক্স, নুর ইন্টারন্যাশনাল এবং জামান ট্রেডার্স।

তবে অভিযুক্ত সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মেসার্স শামছুর রহমানের স্বত্বাধিকারী শামছুর রহমান দাবি করেন, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা। মেসার্স অর্ণব এন্টারপ্রাইজের মালিক এমদাদুর রহমানও অভিযোগকে ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেন।

বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার আজিজুর রহমান জানান, তদন্ত কমিটি দুই দিন কাজ করে ফিরে গেছে। তদন্ত শেষে তারা এনবিআরে প্রতিবেদন জমা দেবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তদন্ত কমিটির প্রধান হোসেন আহমদ বলেন, প্রাথমিকভাবে সীমিত তথ্য নিয়ে তদন্ত শুরু হলেও পরে অভিযুক্তদের বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। শিগগিরই তদন্ত প্রতিবেদন এনবিআরে জমা দেওয়া হবে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পণ্য আমদানির অভিযোগ: বেনাপোলের ১০ সিএন্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে এনবিআরের তদন্ত

প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
বেনাপোল স্থলবন্দরে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পণ্য আমদানির মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে ১০টি সিএন্ডএফ এজেন্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তিন সদস্যের একটি তদন্ত দল গত কয়েকদিন বেনাপোল কাস্টম হাউজ ও বন্দরে সরেজমিন অনুসন্ধান চালিয়েছে।তদন্ত কমিটির প্রধান ও মোংলা কাস্টমস কমিশনার হোসেন আহমদ জানান, তদন্তকালে অভিযুক্ত সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যবসায়ীরা তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে তদন্ত কমিটির কাছে লিখিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন।জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে মোটরসাইকেল আমদানির ক্ষেত্রে প্রায় ৫০ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগের পর বিষয়টি তদন্তে নামে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর।শুল্ক গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে জানা যায়, ঢাকার টিভিএস অটো বাংলাদেশ লিমিটেড মোটরসাইকেলের খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানির ঘোষণা দিয়ে বেনাপোল বন্দর ব্যবহার করে বিপুলসংখ্যক পূর্ণাঙ্গ মোটরসাইকেল আমদানি করে বলে অভিযোগ ওঠে। এতে রেয়াতি শুল্ক সুবিধা নিয়ে কম হারে কর পরিশোধের মাধ্যমে প্রায় ৫০ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।এই ঘটনায় টিভিএস অটো বাংলাদেশ লিমিটেডের পাশাপাশি বেনাপোলের মেসার্স শামছুর রহমান ও সুজন এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। পণ্য চালানের এলসি, ইনভয়েস ও প্যাকিং লিস্টে অনিয়মের অভিযোগও তদন্তে উঠে আসে।বেনাপোল কাস্টম সূত্র জানায়, শামছুর রহমানসহ ১০টি সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যায়। পরে বিষয়টি তদন্তের জন্য এনবিআরকে নির্দেশ দেওয়া হলে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।অভিযোগ থাকা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—জয়েন্ট এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স অর্ণব এন্টারপ্রাইজ, সোহান ট্রেড, লিটন এন্টারপ্রাইজ, মোত্তালিব, মিলেনিয়াম এন্টারপ্রাইজ, আনুষা ইমপেক্স, নুর ইন্টারন্যাশনাল এবং জামান ট্রেডার্স।তবে অভিযুক্ত সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মেসার্স শামছুর রহমানের স্বত্বাধিকারী শামছুর রহমান দাবি করেন, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা। মেসার্স অর্ণব এন্টারপ্রাইজের মালিক এমদাদুর রহমানও অভিযোগকে ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেন।বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার আজিজুর রহমান জানান, তদন্ত কমিটি দুই দিন কাজ করে ফিরে গেছে। তদন্ত শেষে তারা এনবিআরে প্রতিবেদন জমা দেবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তদন্ত কমিটির প্রধান হোসেন আহমদ বলেন, প্রাথমিকভাবে সীমিত তথ্য নিয়ে তদন্ত শুরু হলেও পরে অভিযুক্তদের বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। শিগগিরই তদন্ত প্রতিবেদন এনবিআরে জমা দেওয়া হবে।

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পণ্য আমদানির অভিযোগ: বেনাপোলের ১০ সিএন্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে এনবিআরের তদন্ত
0:00 0:00
1.0x