জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
সারাদেশ

সারাদেশ

আশুলিয়ায় ট্রিপল মার্ডার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ১

আশুলিয়ায় ট্রিপল মার্ডার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ১
আশুলিয়ায় ট্রিপল মার্ডার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ১

আশুলিয়ায় ট্রিপল মার্ডার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ১

আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পরকীয়া সংক্রান্ত পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামী, স্ত্রী ও তাদের শিশু সন্তানকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল বলে নিশ্চিত করেছে পিবিআই। এ ঘটনায় মূল ঘাতককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুরে ঢাকা জেলা পিবিআইয়ের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমান বাপ্পী অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ঘটনার পর থেকেই পিবিআই ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মূল আসামিকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনে।

এসআই আনিসুর রহমান বাপ্পী বলেন, “হত্যাকাণ্ডের পরপরই আমরা ছায়া তদন্ত শুরু করি। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ আলামতও উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তদন্তের কৌশলগত স্বার্থে আসামির নাম-পরিচয় আপাতত প্রকাশ করা হচ্ছে না। তদন্ত শেষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।”

নিহতরা হলেন— দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানার বড়পুকুরিয়া গ্রামের আতিয়ার রহমানের মেয়ে নাজমা খাতুন (৩৯), তার স্বামী আলমগীর কবির (৪৫) ও তাদের শিশু সন্তান। নাজমা খাতুন স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন এবং স্বামী আলমগীর কবির পান-সিগারেট বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, গত ১ সেপ্টেম্বর বিকেলে কারখানা ছুটির পর নাজমা খাতুন ও তার স্বামী বাসায় ফেরেন। পারিবারিক টানাপোড়েন ও পরকীয়া সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আলমগীর কবির অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজ বাসায় ডেকে আনেন। সেখানে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির একপর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি আলমগীর, তার স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে নির্মমভাবে হত্যা করে বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে পালিয়ে যায়।

গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে জামগড়ার রূপায়ন মাঠ সংলগ্ন হযরত আলীর বাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দেন। খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তালা ভেঙে তিনজনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

এ ঘটনায় নিহত নাজমার বোন শাপলা বেগম বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পিবিআইয়ের দ্রুত হস্তক্ষেপে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে এই রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন সম্ভব হলো।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আশুলিয়ায় ট্রিপল মার্ডার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ১

প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
আশুলিয়ায় ট্রিপল মার্ডার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ১আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পরকীয়া সংক্রান্ত পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামী, স্ত্রী ও তাদের শিশু সন্তানকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল বলে নিশ্চিত করেছে পিবিআই। এ ঘটনায় মূল ঘাতককে গ্রেফতার করা হয়েছে।মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুরে ঢাকা জেলা পিবিআইয়ের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমান বাপ্পী অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ঘটনার পর থেকেই পিবিআই ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মূল আসামিকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনে।এসআই আনিসুর রহমান বাপ্পী বলেন, “হত্যাকাণ্ডের পরপরই আমরা ছায়া তদন্ত শুরু করি। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ আলামতও উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তদন্তের কৌশলগত স্বার্থে আসামির নাম-পরিচয় আপাতত প্রকাশ করা হচ্ছে না। তদন্ত শেষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।”নিহতরা হলেন— দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানার বড়পুকুরিয়া গ্রামের আতিয়ার রহমানের মেয়ে নাজমা খাতুন (৩৯), তার স্বামী আলমগীর কবির (৪৫) ও তাদের শিশু সন্তান। নাজমা খাতুন স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন এবং স্বামী আলমগীর কবির পান-সিগারেট বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, গত ১ সেপ্টেম্বর বিকেলে কারখানা ছুটির পর নাজমা খাতুন ও তার স্বামী বাসায় ফেরেন। পারিবারিক টানাপোড়েন ও পরকীয়া সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আলমগীর কবির অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজ বাসায় ডেকে আনেন। সেখানে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির একপর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি আলমগীর, তার স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে নির্মমভাবে হত্যা করে বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে পালিয়ে যায়।গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে জামগড়ার রূপায়ন মাঠ সংলগ্ন হযরত আলীর বাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দেন। খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তালা ভেঙে তিনজনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।এ ঘটনায় নিহত নাজমার বোন শাপলা বেগম বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পিবিআইয়ের দ্রুত হস্তক্ষেপে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে এই রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন সম্ভব হলো।

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
আশুলিয়ায় ট্রিপল মার্ডার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ১
0:00 0:00
1.0x