জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
সারাদেশ

সারাদেশ

লোগাং বাজারের যাওয়ার প্রধান সড়ক যেন এক মরণফাঁদ: চরম দুর্ভোগে গর্ভবতী মা, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ

লোগাং বাজারের যাওয়ার প্রধান সড়ক যেন এক মরণফাঁদ: চরম দুর্ভোগে গর্ভবতী মা, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ

লোগাং বাজারের যাওয়ার প্রধান সড়ক যেন এক মরণফাঁদ: চরম দুর্ভোগে গর্ভবতী মা, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ
লোগাং বাজারের যাওয়ার প্রধান সড়ক যেন এক মরণফাঁদ: চরম দুর্ভোগে গর্ভবতী মা, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ

দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার লোগাং বাজারের যাওয়ার প্রধান সড়কটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য এক চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে বাজারে হাজারো মানুষের যাতায়াত থাকলেও রাস্তাটির বেহাল দশা দূর করতে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।

সরেজমিনে দেখা যায়, পুরো রাস্তা জুড়ে ইটের কণা ও মাটি সরে গিয়ে বড় বড় গর্ত এবং খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে, যা যাতায়াতের জন্য একেবারেই অনুপযোগী। সবচেয়ে আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, এই ভাঙা রাস্তার ঠিক পাশেই অবস্থিত স্থানীয় পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র (হাসপাতাল)। প্রতিদিন এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দূর-দূরান্ত থেকে অসংখ্য গর্ভবতী নারী প্রসূতিসেবা ও ডেলিভারির জন্য আসেন। কিন্তু রাস্তার এমন করুণ অবস্থার কারণে কোনো যানবাহন হাসপাতাল পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে না। বাধ্য হয়ে গুরুতর অসুস্থ রোগী এবং গর্ভবতী মায়েদের হাসপাতাল থেকে কমপক্ষে ১০০ হাত দূরে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়ে এই ভাঙা ও কর্দমাক্ত পথ হাঁটিয়ে নিয়ে যেতে হয়। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও প্রসূতি মায়েদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

পাশাপাশি, এই সড়কের পাশেই রয়েছে একটি স্কুল, যেখানে প্রতিদিন শত শত কোমলমতি শিশু পড়ালেখা করতে আসে। ভাঙা রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত শিক্ষার্থীরা আছাড় খেয়ে জখম হচ্ছে এবং তাদের স্কুলের পোশাক ও বই-খাতা নোংরা হয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং পথচারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, রাস্তাটি লোগাং বাজারে যাওয়ার প্রধান মাধ্যম হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসন এই বিষয়ে উদাসীন। হাটবারে বাজারে আসা সাধারণ মানুষ এবং কৃষকদের পণ্য পরিবহনে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

অবিলম্বে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি সংস্কার করে প্রসূতি মা, স্কুলগামী শিশু এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


লোগাং বাজারের যাওয়ার প্রধান সড়ক যেন এক মরণফাঁদ: চরম দুর্ভোগে গর্ভবতী মা, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ

প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার লোগাং বাজারের যাওয়ার প্রধান সড়কটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য এক চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে বাজারে হাজারো মানুষের যাতায়াত থাকলেও রাস্তাটির বেহাল দশা দূর করতে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।সরেজমিনে দেখা যায়, পুরো রাস্তা জুড়ে ইটের কণা ও মাটি সরে গিয়ে বড় বড় গর্ত এবং খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে, যা যাতায়াতের জন্য একেবারেই অনুপযোগী। সবচেয়ে আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, এই ভাঙা রাস্তার ঠিক পাশেই অবস্থিত স্থানীয় পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র (হাসপাতাল)। প্রতিদিন এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দূর-দূরান্ত থেকে অসংখ্য গর্ভবতী নারী প্রসূতিসেবা ও ডেলিভারির জন্য আসেন। কিন্তু রাস্তার এমন করুণ অবস্থার কারণে কোনো যানবাহন হাসপাতাল পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে না। বাধ্য হয়ে গুরুতর অসুস্থ রোগী এবং গর্ভবতী মায়েদের হাসপাতাল থেকে কমপক্ষে ১০০ হাত দূরে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়ে এই ভাঙা ও কর্দমাক্ত পথ হাঁটিয়ে নিয়ে যেতে হয়। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও প্রসূতি মায়েদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।পাশাপাশি, এই সড়কের পাশেই রয়েছে একটি স্কুল, যেখানে প্রতিদিন শত শত কোমলমতি শিশু পড়ালেখা করতে আসে। ভাঙা রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত শিক্ষার্থীরা আছাড় খেয়ে জখম হচ্ছে এবং তাদের স্কুলের পোশাক ও বই-খাতা নোংরা হয়ে যাচ্ছে।স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং পথচারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, রাস্তাটি লোগাং বাজারে যাওয়ার প্রধান মাধ্যম হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসন এই বিষয়ে উদাসীন। হাটবারে বাজারে আসা সাধারণ মানুষ এবং কৃষকদের পণ্য পরিবহনে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।অবিলম্বে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি সংস্কার করে প্রসূতি মা, স্কুলগামী শিশু এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
লোগাং বাজারের যাওয়ার প্রধান সড়ক যেন এক মরণফাঁদ: চরম দুর্ভোগে গর্ভবতী মা, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ
0:00 0:00
1.0x