মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের পূর্ব শিমুলিয়ার শেখপাড়ায় শিমুলিয়া মুকুল মঙ্গল ক্লাবের মাঠে খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে শেখপাড়া ও মধ্যপাড়ার খেলোয়াড়দের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে।কয়েক দিন ধরে মাঠে খেলা ও ব্যবহারের নিয়ম নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ চলছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
মধ্যপাড়ার কয়েকজন খেলোয়াড়ের অভিযোগ,ক্লাব সভাপতি মো:জিয়াউল ইসলাম মাসুদসহ কমিটির কয়েকজন সদস্য তাদের মাঠে খেলতে বাধা দিচ্ছেন।
তাদের দাবি,মাঠটি শুধু শেখপাড়ার ছেলেদের জন্য এমন বক্তব্য দিয়ে অন্য এলাকার খেলোয়াড়দের নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।তবে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন ক্লাব সভাপতি মো:জিয়াউল ইসলাম মাসুদ তিনি বলেন,কাউকে মাঠে খেলতে নিষেধ করা হয়নি বরং দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা করা হচ্ছে।সভাপতির ভাষ্য,শেখপাড়ার খেলোয়াড়দের অভিযোগ মধ্যপাড়ার খেলোয়াড়রা তাদের মাঠে খেলতে দিচ্ছেন না।দুই পক্ষকে মিলেমিশে খেলাধুলার জন্য একাধিকবার অনুরোধ করা হলেও এখনো স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে জানান তিনি।
এদিকে শেখপাড়ার খেলোয়াড়রাও ক্লাব সভাপতি ও কমিটির বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন।তাদের অভিযোগ,নিজেদের এলাকার মাঠ হওয়া সত্ত্বেও কয়েক দিন ধরে তারাই নিয়মিতভাবে খেলতে পারছেন না একসঙ্গে খেলাধুলার প্রস্তাব দেওয়া হলেও মধ্যপাড়ার খেলোয়াড়রা তাতে রাজি হননি বলে দাবি তাদের।মাঠে খেলার সময় নির্ধারণ ও ব্যবহারের বিষয় নিয়েও দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়েছে।ফলে খেলাধুলার মাঠে সৃষ্টি হয়েছে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি।স্থানীয়দের ভাষ্য,আগে এই মাঠে তরুণদের খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে সম্প্রীতির পরিবেশ থাকলেও বর্তমানে সেখানে বিভেদের ছাপ পড়েছে।ক্লাব কমিটির সদস্যরা বলছেন,মাঠটি কোনো নির্দিষ্ট এলাকার একক সম্পত্তি নয় সবার খেলাধুলার সুযোগ থাকা উচিত।ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো:সুরুজ শেখসহ কমিটির নেতারা আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ মীমাংসার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
তাদের মতে,দুই পক্ষের সম্মতিতে মাঠ ব্যবহারের সুষ্ঠু নিয়ম করা হলে বিরোধের অবসান সম্ভব।স্থানীয় বাসিন্দারাও প্রবীণ ব্যক্তি,ক্লাব কমিটি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উদ্যোগে দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
তাদের প্রত্যাশা,খেলাধুলার মাঠ কোনো বিরোধের কারণ না হয়ে তরুণদের সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের কেন্দ্র হয়ে উঠবে।দুই পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমঝোতা হলে শিমুলিয়া মুকুল মঙ্গল ক্লাবের মাঠে আবারও স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬

মতামত