জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব

ভেড়ামারা কৃষি অফিসের পরামর্শে মাত্র ২০ শতক জমিতে বারি-পানিকচু-১ চাষ করে প্রতি সপ্তাহে ১-২ মণ লতি বিক্রি করছেন শিরিনা খাতুন।

লতিকচু চাষে স্বাবলম্বী ভেড়ামারার শিরিনা: পতিত জমিতেই আয়ের নতুন সম্ভাবনা

লতিকচু চাষে স্বাবলম্বী ভেড়ামারার শিরিনা: পতিত জমিতেই আয়ের নতুন সম্ভাবনা

কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও কৃষি বিভাগের সঠিক দিকনির্দেশনা মেনে লতিকচু চাষে সফলতার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার স্বরুপের ঘোপ গ্রামের গৃহিণী মোছাঃ শিরিনা খাতুন (৫২)। একসময় যে নিচু ও স্যাঁতসেঁতে জমিতে তেমন কোনো ফসল হতো না, সেই পতিত জমিতেই বারি-পানিকচু-১ জাতের চাষ করে তিনি এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।

চলতি বছরের মে মাসে ভেড়ামারা উপজেলা কৃষি অফিসের সার্বিক সহযোগিতায় মাত্র ২০ শতক জমিতে কচুর চারা রোপণ করেন শিরিনা। রোপণের মাত্র ৬০ থেকে ৭০ দিনের মধ্যেই তিনি বাজারে লতি বিক্রি শুরু করেন। বর্তমানে তিনি প্রতি সপ্তাহে ১ থেকে ২ মণ করে লতি বাজারে সরবরাহ করছেন। পুরো মৌসুমে লতি বিক্রি করে প্রায় ১ লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা আয়ের আশা করছেন তিনি। এছাড়া মৌসুম শেষে কচুর কন্দ বিক্রি করেও বাড়তি আয়ের সুযোগ রয়েছে।

ভেড়ামারা উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মো. সদরুল ইসলাম জানান, বর্ষায় পানিতে ডুবে থাকা নিচু ও স্যাঁতসেঁতে জমিতে কচুর এই সফল আবাদ অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

ভেড়ামারা উপজেলা কৃষি অফিসার মোছা. মাহমুদা সুলতানা পলি বলেন, "যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় শিরিনা খাতুনকে উন্নত জাতের চারা, সার ও জৈবসার সরবরাহের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। সঠিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমে এটি এখন বাণিজ্যিক কৃষির একটি স্থায়ী মডেলে পরিণত হয়েছে।"

লতিকচু চাষে ভালো মুনাফা পাওয়ায় আগামীতে আরও বেশি জমিতে এই আবাদ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছেন স্বাবলম্বী হয়ে ওঠা শিরিনা খাতুন।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


লতিকচু চাষে স্বাবলম্বী ভেড়ামারার শিরিনা: পতিত জমিতেই আয়ের নতুন সম্ভাবনা

প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও কৃষি বিভাগের সঠিক দিকনির্দেশনা মেনে লতিকচু চাষে সফলতার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার স্বরুপের ঘোপ গ্রামের গৃহিণী মোছাঃ শিরিনা খাতুন (৫২)। একসময় যে নিচু ও স্যাঁতসেঁতে জমিতে তেমন কোনো ফসল হতো না, সেই পতিত জমিতেই বারি-পানিকচু-১ জাতের চাষ করে তিনি এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।চলতি বছরের মে মাসে ভেড়ামারা উপজেলা কৃষি অফিসের সার্বিক সহযোগিতায় মাত্র ২০ শতক জমিতে কচুর চারা রোপণ করেন শিরিনা। রোপণের মাত্র ৬০ থেকে ৭০ দিনের মধ্যেই তিনি বাজারে লতি বিক্রি শুরু করেন। বর্তমানে তিনি প্রতি সপ্তাহে ১ থেকে ২ মণ করে লতি বাজারে সরবরাহ করছেন। পুরো মৌসুমে লতি বিক্রি করে প্রায় ১ লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা আয়ের আশা করছেন তিনি। এছাড়া মৌসুম শেষে কচুর কন্দ বিক্রি করেও বাড়তি আয়ের সুযোগ রয়েছে।ভেড়ামারা উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মো. সদরুল ইসলাম জানান, বর্ষায় পানিতে ডুবে থাকা নিচু ও স্যাঁতসেঁতে জমিতে কচুর এই সফল আবাদ অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।ভেড়ামারা উপজেলা কৃষি অফিসার মোছা. মাহমুদা সুলতানা পলি বলেন, "যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় শিরিনা খাতুনকে উন্নত জাতের চারা, সার ও জৈবসার সরবরাহের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। সঠিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমে এটি এখন বাণিজ্যিক কৃষির একটি স্থায়ী মডেলে পরিণত হয়েছে।"লতিকচু চাষে ভালো মুনাফা পাওয়ায় আগামীতে আরও বেশি জমিতে এই আবাদ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছেন স্বাবলম্বী হয়ে ওঠা শিরিনা খাতুন।

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
লতিকচু চাষে স্বাবলম্বী ভেড়ামারার শিরিনা: পতিত জমিতেই আয়ের নতুন সম্ভাবনা
0:00 0:00
1.0x