জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
সারাদেশ

সারাদেশ

লিখিত অনুমতি ছাড়াই চৌগাছায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ কাটার অভিযোগ সরে জমিনে তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর

লিখিত অনুমতি ছাড়াই চৌগাছায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ কাটার অভিযোগ সরে জমিনে তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর

লিখিত অনুমতি ছাড়াই চৌগাছায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ কাটার অভিযোগ সরে জমিনে তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর
লিখিত অনুমতি ছাড়াই চৌগাছায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ কাটার অভিযোগ সরে জমিনে তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর

লিখিত অনুমতি ছাড়াই চৌগাছায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ কাটার অভিযোগ
সরে জমিনে তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর
এম এ মান্নান, চৌগাছা (যশোর) :
যশোরের চৌগাছায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানায় থাকা একটি বড় কড়ই গাছ লিখিত অনুমতি ছাড়াই কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গাছ কাটার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছিল কি না, তা সরে জমিনে তদন্ত করে নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ৯ নম্বর স্বরূপদাহ ইউনিয়নের খড়িংচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের সামনে সীমানায় থাকা বড় একটি কড়ই গাছ কেটে ফেলা হয়েছে।
গাছ কাটার বিষয়ে চৌগাছা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুস্তাফিজুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গাছ কাটার বিষয়ে তাঁর দপ্তরে কোনো লিখিত আবেদন দেওয়া হয়নি। তবে মৌখিকভাবে বিষয়টি তাঁকে জানানো হয়েছিল। তিনি আরও জানান, গাছ কাটার আগে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির অনুমোদন নিয়ে রেজুলেশন করার কথা বলা হয়েছিল।
অন্যদিকে, ঘটনাস্থলে গিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হোসেন আলীর কাছে গাছ কাটার অনুমতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, গাছ কাটার বিষয়ে তাদের প্রয়োজনীয় অনুমতি রয়েছে।
তবে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বক্তব্যে লিখিত আবেদন না পাওয়ার বিষয়টি উঠে আসায় গাছ কাটার অনুমোদন ও প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সরকারি বিদ্যালয়ের জায়গায় থাকা গাছ কাটার ক্ষেত্রে বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সেটিই এখন আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সম্পদ হিসেবে থাকা গাছ কাটার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির রেজুলেশনসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হোক। একই সঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি সরেজমিনে তদন্ত করে প্রকৃত বিষয়টি জনসমক্ষে তুলে ধরুক।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি প্রতিষ্ঠানের জায়গায় থাকা গাছ কাটার ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়ম ও অনুমোদন অনুসরণ করা না হলে ভবিষ্যতে সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


লিখিত অনুমতি ছাড়াই চৌগাছায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ কাটার অভিযোগ সরে জমিনে তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর

প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
লিখিত অনুমতি ছাড়াই চৌগাছায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ কাটার অভিযোগ সরে জমিনে তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর এম এ মান্নান, চৌগাছা (যশোর) : যশোরের চৌগাছায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানায় থাকা একটি বড় কড়ই গাছ লিখিত অনুমতি ছাড়াই কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গাছ কাটার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছিল কি না, তা সরে জমিনে তদন্ত করে নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ৯ নম্বর স্বরূপদাহ ইউনিয়নের খড়িংচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের সামনে সীমানায় থাকা বড় একটি কড়ই গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। গাছ কাটার বিষয়ে চৌগাছা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুস্তাফিজুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গাছ কাটার বিষয়ে তাঁর দপ্তরে কোনো লিখিত আবেদন দেওয়া হয়নি। তবে মৌখিকভাবে বিষয়টি তাঁকে জানানো হয়েছিল। তিনি আরও জানান, গাছ কাটার আগে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির অনুমোদন নিয়ে রেজুলেশন করার কথা বলা হয়েছিল। অন্যদিকে, ঘটনাস্থলে গিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হোসেন আলীর কাছে গাছ কাটার অনুমতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, গাছ কাটার বিষয়ে তাদের প্রয়োজনীয় অনুমতি রয়েছে। তবে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বক্তব্যে লিখিত আবেদন না পাওয়ার বিষয়টি উঠে আসায় গাছ কাটার অনুমোদন ও প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সরকারি বিদ্যালয়ের জায়গায় থাকা গাছ কাটার ক্ষেত্রে বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সেটিই এখন আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সম্পদ হিসেবে থাকা গাছ কাটার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির রেজুলেশনসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হোক। একই সঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি সরেজমিনে তদন্ত করে প্রকৃত বিষয়টি জনসমক্ষে তুলে ধরুক। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি প্রতিষ্ঠানের জায়গায় থাকা গাছ কাটার ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়ম ও অনুমোদন অনুসরণ করা না হলে ভবিষ্যতে সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
লিখিত অনুমতি ছাড়াই চৌগাছায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ কাটার অভিযোগ সরে জমিনে তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর
0:00 0:00
1.0x