অবশ্যই। সাম্প্রতিক তথ্যের সঙ্গে ইতালির বাস্তব শ্রমবাজারের তথ্য যুক্ত করে সংক্ষিপ্ত কিন্তু তথ্যনির্ভরভাবে সাজালাম। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইতালিতে প্রতি বছর প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীর বৈধভাবে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে; পরিবার
🇮🇹 ইতালিতে বছরে ১০ হাজার বাংলাদেশির বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ—প্রস্তুতি নিন এখনই
ইতালিতে প্রতি বছর প্রায় ১০,০০০ বাংলাদেশি কর্মীর বৈধভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। পরিবারসহ সংশ্লিষ্ট সংখ্যা প্রায় ১২,০০০ হতে পারে। ইতালিতে বর্তমানে প্রায় ২.৫ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করছেন।
ইতালির শ্রমবাজারে কৃষি, নির্মাণ, হোটেল-রেস্টুরেন্ট, পর্যটন, পরিবহন-লজিস্টিকস এবং স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবাসহ বিভিন্ন খাতে কর্মীর চাহিদা রয়েছে। ইতালির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে কর্মরত বাংলাদেশিদের মধ্যে হোটেল-রেস্টুরেন্ট খাতে ৩০.৪%, শিল্প খাতে ২৫.৬% এবং বাণিজ্য খাতে ২৩% কর্মরত।
তবে সুযোগ থাকলেই হবে না—প্রয়োজন দক্ষতা ও ভাষাজ্ঞান। ইতালিতে বাংলাদেশি কর্মীদের চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে ভাষাগত ও কারিগরি দক্ষতার ঘাটতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাধা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
তাই তরুণদের জন্য এখনই প্রয়োজন—
✅ ইতালীয় ভাষা শিক্ষা
✅ Caregiving/Elderly Care প্রশিক্ষণ
✅ কৃষি ও কারিগরি দক্ষতা
✅ Hospitality ও Food Service প্রশিক্ষণ
✅ কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা ও ইতালীয় আইন সম্পর্কে ধারণা
✅ বৈধ ভিসা ও নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পর্কে সচেতনতা
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—দালালের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ পথে নয়, দক্ষতা অর্জন করে বৈধ প্রক্রিয়ায় ইতালি যেতে হবে।
বাংলাদেশ-ইতালি সহযোগিতায় কর্মসংস্থান, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন ও ভাষাশিক্ষার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
🎯 আজকের প্রশিক্ষণই হতে পারে আগামী দিনের ইতালি যাওয়ার প্রস্তুতি
দক্ষতা উন্নয়ন • ভাষা শিক্ষা • আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থান প্রস্তুতি

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মতামত