জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
জন দুর্ভোগ

জন দুর্ভোগ

মিটফোর্ড হাসপাতাল চত্বর ও ছাত্রাবাসের সামনে ময়লা ফেলা নিষেধ

মিটফোর্ড হাসপাতাল চত্বর ও ছাত্রাবাসের সামনে ময়লা ফেলা নিষেধ

বিশেষ প্রতিনিধি মোঃ আবুল হাসান শেখ

রাজধানীর পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতাল চত্বর ও ছাত্রাবাসের সামনে ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড টানানো হয়েছে। হাসপাতাল ও ছাত্রাবাসের আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সাধারণ মানুষ, পথচারী, শিক্ষার্থী, রোগীর স্বজন ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি হাসপাতাল চত্বর ও ছাত্রাবাসের সামনের অংশে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা সম্বলিত একটি সাইনবোর্ড দেখা যায়। সাইনবোর্ডে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে— “হাসপাতাল চত্বর ও ছাত্রাবাসের সামনে ময়লা-আবর্জনা ফেলা সম্পূর্ণ নিষেধ। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলুন।”

সাইনবোর্ডের নিচের অংশে “আদেশক্রমে: স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ছাত্রদল” লেখা রয়েছে।

হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনসেবামূলক স্থানে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে রোগী ও রোগীর স্বজনরা চিকিৎসাসেবা নিতে মিটফোর্ড হাসপাতালে আসেন। পাশাপাশি কলেজের শিক্ষার্থী, চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের চলাচল রয়েছে হাসপাতাল ও ছাত্রাবাস এলাকায়। এ কারণে হাসপাতাল চত্বর ও আশপাশের সড়ক পরিচ্ছন্ন রাখা নিয়ে সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ময়লা-আবর্জনা যত্রতত্র ফেলা হলে পরিবেশের সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি দুর্গন্ধ ও অপরিচ্ছন্নতার সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে হাসপাতাল এলাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতা যথাযথভাবে বজায় রাখা জরুরি। এ কারণে নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলার বিষয়ে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয়ভাবে দেখা গেছে, হাসপাতাল ও ছাত্রাবাসের আশপাশে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষের যাতায়াত রয়েছে। ব্যস্ততার কারণে অনেক সময় পথচারী বা বিভিন্ন ব্যক্তি যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলে রাখেন। এতে অল্প সময়ের মধ্যেই কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থান ময়লার স্তূপে পরিণত হতে পারে। এমন পরিস্থিতি এড়াতে সাইনবোর্ডের মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি জনসচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সচেতনতামূলক এই বার্তায় সবাইকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ময়লা-আবর্জনা নির্ধারিত স্থানে ফেলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

হাসপাতাল ও ছাত্রাবাসের সামনে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখতে শুধু সাইনবোর্ড টানানো নয়, নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ, পর্যাপ্ত ময়লার পাত্র স্থাপন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করাও গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও এলাকায় চলাচলকারী সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করলে হাসপাতাল চত্বরের পরিচ্ছন্নতা আরও ভালোভাবে বজায় রাখা সম্ভব বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

সার্বিকভাবে হাসপাতাল চত্বর ও ছাত্রাবাসের সামনে ময়লা না ফেলে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার আহ্বান জানানো হয়েছে। পরিচ্ছন্ন হাসপাতাল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মিটফোর্ড হাসপাতাল চত্বর ও ছাত্রাবাসের সামনে ময়লা ফেলা নিষেধ

প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
বিশেষ প্রতিনিধি মোঃ আবুল হাসান শেখরাজধানীর পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতাল চত্বর ও ছাত্রাবাসের সামনে ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড টানানো হয়েছে। হাসপাতাল ও ছাত্রাবাসের আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সাধারণ মানুষ, পথচারী, শিক্ষার্থী, রোগীর স্বজন ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান জানানো হয়েছে।সম্প্রতি হাসপাতাল চত্বর ও ছাত্রাবাসের সামনের অংশে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা সম্বলিত একটি সাইনবোর্ড দেখা যায়। সাইনবোর্ডে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে— “হাসপাতাল চত্বর ও ছাত্রাবাসের সামনে ময়লা-আবর্জনা ফেলা সম্পূর্ণ নিষেধ। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলুন।”সাইনবোর্ডের নিচের অংশে “আদেশক্রমে: স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ছাত্রদল” লেখা রয়েছে।হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনসেবামূলক স্থানে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে রোগী ও রোগীর স্বজনরা চিকিৎসাসেবা নিতে মিটফোর্ড হাসপাতালে আসেন। পাশাপাশি কলেজের শিক্ষার্থী, চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের চলাচল রয়েছে হাসপাতাল ও ছাত্রাবাস এলাকায়। এ কারণে হাসপাতাল চত্বর ও আশপাশের সড়ক পরিচ্ছন্ন রাখা নিয়ে সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।ময়লা-আবর্জনা যত্রতত্র ফেলা হলে পরিবেশের সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি দুর্গন্ধ ও অপরিচ্ছন্নতার সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে হাসপাতাল এলাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতা যথাযথভাবে বজায় রাখা জরুরি। এ কারণে নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলার বিষয়ে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।স্থানীয়ভাবে দেখা গেছে, হাসপাতাল ও ছাত্রাবাসের আশপাশে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষের যাতায়াত রয়েছে। ব্যস্ততার কারণে অনেক সময় পথচারী বা বিভিন্ন ব্যক্তি যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলে রাখেন। এতে অল্প সময়ের মধ্যেই কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থান ময়লার স্তূপে পরিণত হতে পারে। এমন পরিস্থিতি এড়াতে সাইনবোর্ডের মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি জনসচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।সচেতনতামূলক এই বার্তায় সবাইকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ময়লা-আবর্জনা নির্ধারিত স্থানে ফেলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।হাসপাতাল ও ছাত্রাবাসের সামনে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখতে শুধু সাইনবোর্ড টানানো নয়, নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ, পর্যাপ্ত ময়লার পাত্র স্থাপন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করাও গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও এলাকায় চলাচলকারী সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করলে হাসপাতাল চত্বরের পরিচ্ছন্নতা আরও ভালোভাবে বজায় রাখা সম্ভব বলে মনে করছেন সচেতন মহল। সার্বিকভাবে হাসপাতাল চত্বর ও ছাত্রাবাসের সামনে ময়লা না ফেলে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার আহ্বান জানানো হয়েছে। পরিচ্ছন্ন হাসপাতাল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
মিটফোর্ড হাসপাতাল চত্বর ও ছাত্রাবাসের সামনে ময়লা ফেলা নিষেধ
0:00 0:00
1.0x