হাসপাতালে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগী, স্বজন, শিক্ষার্থী, চিকিৎসক, নার্স ও সাধারণ মানুষের যাতায়াত রয়েছে। ফলে হাসপাতালের সামনের সড়ক, ফুটপাত ও আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন ধরনের ময়লা-আবর্জনা জমে পরিবেশ নোংরা হওয়ার পাশাপাশি জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
এ অবস্থায় নির্দিষ্ট স্থানে ডাস্টবিন রাখা হলে পথচারী ও আশপাশের দোকানিদের ময়লা-আবর্জনা যেখানে-সেখানে না ফেলে নির্ধারিত স্থানে ফেলার সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে নিয়মিত ডাস্টবিন পরিষ্কার ও বর্জ্য অপসারণ করা হলে হাসপাতাল এলাকার পরিবেশ আরও পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব হবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু ডাস্টবিন স্থাপন করলেই হবে না; ডাস্টবিনগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করা এবং নির্দিষ্ট সময় পরপর ময়লা অপসারণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি হাসপাতাল চত্বর ও ছাত্রাবাসের সামনে যেখানে-সেখানে ময়লা না ফেলার জন্য সচেতনতামূলক প্রচারণাও জরুরি।
হাসপাতালটি জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ একটি চিকিৎসাকেন্দ্র হওয়ায় এর আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডাস্টবিন ব্যবহারে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা থাকলে মিটফোর্ড হাসপাতাল এলাকার পরিচ্ছন্নতা আরও উন্নত করা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ডাস্টবিন স্থাপনের পাশাপাশি নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং হাসপাতাল ও ছাত্রাবাসের সামনের এলাকা ময়লা-আবর্জনামুক্ত রাখতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মতামত