বিশেষ করে হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্রসংলগ্ন চায়ের দোকানগুলোতে প্রতিদিন রোগী, রোগীর স্বজন, চিকিৎসক, নার্স ও হাসপাতালের কর্মীদের ভিড় থাকে। তাদের জন্য দ্রুত চা তৈরি করতে প্রতিনিয়ত গ্যাসের প্রয়োজন হয়। কিন্তু প্রয়োজনের সময় গ্যাস না পাওয়ায় দোকানিরা পড়েছেন বিপাকে।
এক দোকানির ভাষায়, “২১০০ টাকা হাতে নিয়েও গ্যাস পাওয়া যায় না। আবার চা-পাতা ও চিনির দামও বাড়ছে। সব খরচ বাড়ছে, কিন্তু চায়ের দাম বাড়ালে সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়বে।”
দোকানিদের দাবি, চায়ের দাম বাড়ানোর আগে তারা কয়েকবার চিন্তা করেন। কারণ হাসপাতাল এলাকায় আসা রোগী ও রোগীর স্বজনদের অনেকেই স্বল্প খরচে এক কাপ চা খেয়ে কিছুটা স্বস্তি পান। চিকিৎসক ও হাসপাতালের কর্মীরাও নিয়মিত এসব দোকানে চা পান করেন।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, গ্যাসের সংকটের সঙ্গে কাঁচামালের বাড়তি দাম যোগ হয়ে তাদের লাভের পরিমাণ অনেকটাই কমে গেছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দোকান চালানোর খরচ ও দৈনিক আয়ের ব্যবধানও কমে আসছে।
দোকানিদের দাবি, বাজারে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক করা, অতিরিক্ত দামের বিষয়টি নজরদারি করা এবং চা-পাতা ও চিনিসহ প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারদর নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
তাদের প্রশ্ন একটাই—“টাকা দিয়েও যদি গ্যাস না মেলে, আর সব উপকরণের দাম যদি বাড়তেই থাকে, তাহলে ছোট চায়ের দোকানিরা কীভাবে টিকে থাকবে?”
পুরান ঢাকার ক্ষুদ্র চায়ের দোকানিদের এই সংকট দ্রুত সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ব্যবসায়ীরা।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মতামত