ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল মানুষের সেবা করার। সেই স্বপ্নকে হৃদয়ে ধারণ করে মেধা, অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রমের পথ পাড়ি দিয়ে অবশেষে চিকিৎসক হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার যশলং ইউনিয়নের পুরা গ্রামের মেধাবী শিক্ষার্থী ইশরাত জাহান মিম।
সম্প্রতি তিনি সফলভাবে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তাঁর এই সাফল্যে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের পাশাপাশি গর্বের আবহ তৈরি হয়েছে।
ইশরাত জাহান মিমের বাবা লিটন হালদার। ছোটবেলা থেকেই মিম ছিলেন মেধাবী ও পড়াশোনার প্রতি অত্যন্ত মনোযোগী। নিজের লক্ষ্য অর্জনে তাঁর নিরলস চেষ্টা ও অধ্যবসায় শিক্ষাজীবনের প্রতিটি ধাপে সাফল্য এনে দিয়েছে।
মিম দীঘিরপাড় এ.সি. ইনস্টিটিউশন থেকে এসএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জন করেন। এরপর ঢাকার মতিঝিল আইডিয়াল কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষাতেও গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জন করেন। ধারাবাহিক এই সাফল্য তাঁকে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্নের আরও কাছে নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে তিনি হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি হন। চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণের পথটি সহজ ছিল না। দীর্ঘ অধ্যয়ন, নিয়মিত পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তিনি সফলভাবে এমবিবিএস ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।
মিমের চিকিৎসক হওয়ার খবরে পরিবারে নেমে এসেছে আনন্দের মুহূর্ত। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ও পরিশ্রমের ফল হিসেবে মেয়ের এই অর্জনে পরিবারের সদস্যরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত।
একই সঙ্গে যশলং ইউনিয়নের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী চিকিৎসক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় গর্বিত এলাকাবাসীও। ইশরাত জাহান মিমের এই সাফল্য এলাকার অন্যান্য শিক্ষার্থীদের জন্যও অনুপ্রেরণার হয়ে থাকবে।
পুরা গ্রামের ইশরাত জাহান মিমের এই সাফল্য প্রমাণ করে—স্বপ্ন যদি বড় হয়, আর সেই স্বপ্ন পূরণে থাকে অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রম, তাহলে সফলতা একদিন আসবেই।
তাঁর ভবিষ্যৎ চিকিৎসক জীবন আরও সফল ও মানবসেবায় পূর্ণ হোক—এই প্রত্যাশা পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মতামত