জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব

কেমিস্ট ৬ ঘন্টা জিম্মি - অমানবিক!

কেমিস্ট ৬ ঘন্টা জিম্মি - অমানবিক!

প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বিক্রিতে অস্বীকৃতি—অভিযোগের ঘটনায় উদ্বেগ

প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বিক্রিতে অস্বীকৃতি—অভিযোগের ঘটনায় উদ্বেগ, সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি

গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রেসক্রিপশন ছাড়া হৃদরোগের ওষুধ দিতে অস্বীকৃতি জানানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক ফার্মেসি ব্যবসায়ীকে প্রায় ছয় ঘণ্টা আটকে রেখে মারধর, নির্যাতন এবং ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির যে অভিযোগ উঠেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়।

সংবাদে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, একজন ওষুধ ব্যবসায়ী চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ওষুধ দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে এমন পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। অথচ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও দায়িত্বশীল ওষুধ বিক্রির স্বার্থে প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ সরবরাহ করা একজন দায়িত্বশীল ফার্মেসি ব্যবসায়ীর গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য।

আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া, কাউকে আটকে রাখা, শারীরিক নির্যাতন করা, অর্থ দাবি করা কিংবা ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। অভিযোগগুলো সত্য হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

আমরা বিশ্বাস করি, একজন ওষুধ ব্যবসায়ী আইন ও নৈতিকতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোনোভাবেই হয়রানি, নির্যাতন বা হুমকির শিকার হতে পারেন না। একই সঙ্গে অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ করে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা প্রয়োজন।

আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাই।

আইন মানি, দায়িত্বশীলভাবে ওষুধ বিক্রি করি—জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করি।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


কেমিস্ট ৬ ঘন্টা জিম্মি - অমানবিক!

প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বিক্রিতে অস্বীকৃতি—অভিযোগের ঘটনায় উদ্বেগপ্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বিক্রিতে অস্বীকৃতি—অভিযোগের ঘটনায় উদ্বেগ, সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবিগাজীপুরের শ্রীপুরে প্রেসক্রিপশন ছাড়া হৃদরোগের ওষুধ দিতে অস্বীকৃতি জানানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক ফার্মেসি ব্যবসায়ীকে প্রায় ছয় ঘণ্টা আটকে রেখে মারধর, নির্যাতন এবং ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির যে অভিযোগ উঠেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়।সংবাদে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, একজন ওষুধ ব্যবসায়ী চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ওষুধ দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে এমন পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। অথচ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও দায়িত্বশীল ওষুধ বিক্রির স্বার্থে প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ সরবরাহ করা একজন দায়িত্বশীল ফার্মেসি ব্যবসায়ীর গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য।আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া, কাউকে আটকে রাখা, শারীরিক নির্যাতন করা, অর্থ দাবি করা কিংবা ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। অভিযোগগুলো সত্য হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।আমরা বিশ্বাস করি, একজন ওষুধ ব্যবসায়ী আইন ও নৈতিকতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোনোভাবেই হয়রানি, নির্যাতন বা হুমকির শিকার হতে পারেন না। একই সঙ্গে অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ করে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা প্রয়োজন।আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাই।আইন মানি, দায়িত্বশীলভাবে ওষুধ বিক্রি করি—জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করি।

জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জনতার অনলাইন প্রেস ক্লাব
কেমিস্ট ৬ ঘন্টা জিম্মি - অমানবিক!
0:00 0:00
1.0x